আজকের পত্রিকা
ঢাকা বৃহস্পতিবার, মে ০৬, ২০২১, ২৩ বৈশাখ ১৪২৮মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে কিশোর ও যুবকরা
পাইকগাছা (খুলনা) সংবাদদাতা
পাইকগাছার কিশোর ও যুব সম্প্রদায় ক্রমান্বয়ে আসক্ত হয়ে পড়ছে মোবাইল গেমসের প্রতি। করোনা মহামারিতে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকায় অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রীর হাতে উঠেছে অ্যানড্রয়েড ফোন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও চলছে ভার্চুয়াল ক্লাস। যেখানে ঘরে বসেও যুক্ত থাকা যায় ঐসকল ক্লাসে। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির অবাধ অগ্রগতির যুগে করোনা পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানের পক্ষে ছাত্র-ছাত্রীর ইতিবাচক মানসিকতায় ঐসব অনলাইন (ভার্চুয়াল) ক্লাসে যুক্ত থাকার কথা বলা হয়। তবে অধিকাংশ ছেলে-মেয়েরা ক্লাসে যুক্ত থাকুক আর নাইবা থাকুক যুক্ত হচ্ছে বিভিন্ন মোবাইল গেমসে।
জানা যায়, গত ২০২০ সালের ১৮ মার্চ থেকে দেশের সব স্কুল-কলেজ বন্ধ ঘোষণার পর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বাধ্যতামূলক শুরু হয় ভার্চুয়াল ক্লাস। প্রতিষ্ঠানের পক্ষে তাদের ছাত্র-ছাত্রীদের যুক্ত হতে বলা হয় ঐসব ভার্চুয়াল ক্লাসে। যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের অ্যানড্রয়েড ফোনের ব্যবহার খানিকটা বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে অধিকাংশই শিক্ষার্থীই ভার্চুয়াল ক্লাসের পাশাপাশি বন্ধুদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে মোবাইল ভিত্তিক বিভিন্ন গেমসে। বর্তমানে যা রীতিমত তাদের আসক্তিতে পরিণত হয়েছে। বই-খাতা তো দূরে থাক নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, কখনো বা দিনের বেশির ভাগ সময়ই তারা পার করছে মোবাইল গেমসে। কখনো বাড়ির নিরিবিলি পরিবেশ কিংবা বিভিন্ন অযুহাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে চায়ের দোকান, পরিত্যক্ত ভবন, ফাঁকা মাঠ কিংবা শান্ত পরিবেশে তারা দলবেঁধে মেতে উঠছে মোবাইল গেমসে।
এ বিষয়ে মো. আনারুল ইসলাম নামে এক অভিভাবক বলেন, এখন নেটে মোবাইলে কী পড়ানো হয় আমি জানি না। গোলাবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্ররা দামি মোবাইল গোপনে ব্যবহার করছে বলে জানায় ঐ স্কুলের শিক্ষকরা। হরিঢালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক রুমি ফারহানা বলেন, বর্তমান সময়ে ছাত্ররা আমাদের শিক্ষকদের সামনেই মোবাইল চালায়। এ বিষয়ে পাইকগাছা নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী বলেন, স্কুল খুললে বিষয়টি দেখা হবে। সেই সঙ্গে এ বিষয়ে পরিবারের মানুষদের সচেতন হতে হবে।

