ঢাকা সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬
২৮ °সে


কালাইয়ে জমে উঠেছে ঈদবাজার

কালাইয়ে জমে উঠেছে ঈদবাজার
কালাই (জয়পুরহাট):উপজেলার বিভিন্ন বিপণি বিতানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড়ে জমে উঠেছে ঈদবাজার —ইত্তেফাক

কালাই (জয়পুরহাট) সংবাদদাতা

ক্রেতাদের ভিড়ে জমে উঠেছে কালাইয়ের ঈদ বাজার। ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত বিপণি বিতানগুলোতে ক্রেতারা কিনছেন তাদের পছন্দের পোশাক। প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বিপণি বিতানে চলছে উত্সবমুখর পরিবেশ।

সরেজমিনে উপজেলার কয়েকটি মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে উপজেলার বিভিন্ন বিপণি বিতানগুলোতে ততই ভিড় বাড়ছে। ক্রেতারা নিজেদের পছন্দের নিত্যনতুন ডিজাইনের পোশাক কিনতে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছুটছেন। উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটের দোকানিরা পাল্লা দিয়ে ক্রেতাদের কাছে পোশাক বিক্রি করছেন। উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটে মেয়েদের সিল্ক, বেনারসি, টাঙ্গাইল প্রিট, জামদানি ও কাতান শাড়িসহ থ্রিপিস, লং থ্রিপিস, সালোয়ার কামিজ, লেহেঙ্গা, ছিটকাপড়, ইন্ডিয়ান পাখি লংস্কার্ট, পাখি লেহেঙ্গা, ঐশ্বরিয়ার ময়ূরী ড্রেস এবং ছেলেদের লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, ফতুয়াসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের টিশার্ট, জিন্স প্যান্ট, গ্যাবাডিং প্যান্ট, হাফ শার্ট ও গেঞ্জি বিক্রি করছেন। আর ক্রেতাদের নজর কাড়তে উপজেলার দোকানিরা আলোকসজ্জার পাশাপাশি নতুন রঙে সাজিয়ে তুলেছেন দোকানগুলো। আবার অনেকেই এই সুযোগেই বিভিন্ন কাপড়ের উপর দিচ্ছেন আকর্ষণীয় ছাড়। এতে ক্রেতারা নিজেদের পছন্দনীয় নিত্যনতুন ডিজাইনের পোশাক কিনছেন।

উপজেলার আহলে হাদীস মসজিদ মার্কেটে ঈদে কাপড় কিনতে আসা নিপু ও নিশা বলেন, কয়েকটি মার্কেট ও দোকান ঘুরে নিজেরসহ ছেলেমেয়ে, বাবা-মা ও শ্বশুর-শাশুড়ির জন্য পছন্দমতো কাপড় কিনলাম। ঈদের আগ মুহূর্তে আরও কিছু কাপড় কিনবো।

এদিকে উপজেলার তালুকদার ম্যানশন ঢাকা ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী আব্দুল রউফ বলেন, ধানের দাম কম হওয়ায় গত বছরের চেয়ে এবার বেচাকেনা একটু কম। তবে আশা করছি ঈদের আগ মুহূর্তে ভালো হবে।

কালাই থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সুমন কুমার রায় বলেন, ঈদকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন বিপণি বিতান এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানসহ বিভিন্ন রাস্তায় কালাই থানা পুলিশ সব সময় টহল দিচ্ছে।

গাইবান্ধায় জমতে শুরু করেছে ঈদ বাজার

গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠতে শুরু করেছে গাইবান্ধার মার্কেটগুলো। অনেকে ইতোমধ্যে সেরে ফেলেছেন কেনাকাটা। তবে বাজারমুখী মানুষের ঢল এখনও ব্যাপকভাবে শুরু হয়নি। কারণ এখনও ধান মাড়াইয়ের মৌসুম চলছে। তাই বিপণী বিতানগুলোতে সবে জমে উঠতে শুরু করেছে ঈদের কেনাকাটা।

এবছর গাইবান্ধায় ভারতীয় কাপড়ের চাহিদা থাকলেও ক্রেতারা দেশি কাপড়ের দিকে ঝুঁকছেন। এছাড়া শহরের বিপনী বিতানগুলোতে ক্রেতাদের মধ্যে নারীর সংখ্যাই বেশি।

গাইবান্ধা শহরের তরফদার ম্যারনসনের এক কাপড় ব্যবসায়ী জানান, গরমের কারণে দেশি সুতি থ্রি পিসগুলো সবার পছন্দ ও বিক্রির শীর্ষে রয়েছে। সমানতালে বিক্রি হচ্ছে ইন্ডিয়ান গাউন ও কাজ করা লং ফ্রোক। এছাড়া শিশুদের হরেক রকম পোশাকও বিক্রি হচ্ছে বেশি। তবে শিশুদের পোশাকের দাম অপেক্ষাকৃত বেশি। জিন্স প্যান্ট, গ্যাবার্ডিন প্যান্টের পাশাপাশি কালার শার্ট ফুলশার্ট, চেক শার্ট, এক কালার শার্ট রয়েছে পছন্দের তালিকায়। টপ, স্কার্ট, ফ্রকও রয়েছে ছোটদের পছন্দের তালিকায়। হরেক রকমের বর্ণালী পাঞ্জাবির চাহিদাও রয়েছে। জুতার দোকানগুলোতে ভিড় বাড়তে শুরু করেছে।

শহরের সালিমার সুপার মার্কেটের এক তৈরি পোশাক ব্যবসায়ী বলেন, ক্রেতার চাহিদা অনুসারে আমরা দেশি বিদেশি দুই ধরনের পোশাকই বিক্রি করছি। সন্ধ্যার পর থেকে ক্রমেই ক্রেতা বাড়ছে। এবারের ঈদে বেচাকেনা ভালই হবে বলে বিক্রেতারা আশা করছেন। এছাড়াও এমব্রয়ডারি, ব্ল­ক, হাতের কাজ, স্ক্রিন প্রিন্ট ও কারুকাজ করা বাহারি শাড়িরও চাহিদা রয়েছে বিপণী বিতানগুলোতে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন