ঢাকা সোমবার, ২০ জানুয়ারি ২০২০, ৭ মাঘ ১৪২৭
২১ °সে

শেরপুরে হাতি তাড়াতে বৈদ্যুতিক তারের বেড়া কাজে আসছে না!

শেরপুরে হাতি তাড়াতে বৈদ্যুতিক তারের বেড়া কাজে আসছে না!
ঝিনাইগাতী (শেরপুর):বন্যহাতি তাড়াতে গারো পাহাড়ে স্থাপিত বৈদ্যুতিক তারের বেড়া —ইত্তেফাক

ঝিনাইগাতী (শেরপুর) সংবাদদাতা

ঝিনাইগাতীতে হাতি তাড়াতে স্থাপন করা কোটি টাকার বৈদ্যুতিক তারের বেড়া (সোলার ফেন্সিং) গ্রামবাসীদের কাজে আসছে না বলে জানা গেছে। প্রায় ২ যুগ ধরে সীমান্তবর্তী গ্রামবাসী বন্যহাতির তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। উপর্যুপরি বন্যহাতির তাণ্ডবে জান-মাল ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়। সরকার বন্যহাতির কবল থেকে পাহাড়ি গ্রামবাসীদের জান-মাল রক্ষার্থে ২০১৬ সালের আগস্ট মাসে উপজেলার সীমান্তে পাহাড়ি গ্রামগুলোতে বৈদ্যুতিক তারের বেড়া স্থাপন করে, যা দিয়ে হাতি আক্রান্ত হবে কিন্তু মারা যাবে না। উপজেলার গারো পাহাড়ের ১৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে এ সোলার ফেন্সিং স্থাপিত হয়। এতে সরকারের ব্যয় হয় প্রায় ১ কোটি টাকা। বন-বিভাগের তদারকিতে এ কাজটি সম্পন্ন করা হয়। গুরুচরণ দুধনই ৪.৫ কিলোমিটার, ছোট গজনী ৩ কিলোমিটার, বড় গজনী-হালচাটি ৩.৫ কিলোমিটার এবং নালিতাবাড়ীর মায়াগাছীতে ২ কিলোমিটার এলাকার জুড়ে বৈদ্যুতিক তারের বেড়া স্থাপন করা হয়। প্রাথমিকভাবে পরীক্ষামূলক এ কাজটি করা হয়।

উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নবেস খকশী ও কাংশা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনারুল্লাহ বলেন, ‘বৈদ্যুতিক তারের বেড়া হাতি তাড়ানোর ক্ষেত্রে কোনো কাজে আসছে না। বর্তমানে এ ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পড়ে আছে।’ এ অভিযোগ গারো পাহাড়বাসীদের।

এ ব্যাপারে রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা ইলিছুর রহমান বলেন, ‘গ্রামবাসীদের অসচেতনতা ও তদারকির অভাবে বৈদ্যুতিক তারের বেড়া অকেজো হয়ে পড়েছে। এটি সচল করতে বন বিভাগের পক্ষ থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।’

এ ব্যাপারে ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তার সঙ্গে একাধিক বার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২০ জানুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন