ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৬
৩০ °সে


রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসের দুই বছর আজ

রাঙ্গামাটিতে পাহাড়  ধসের দুই বছর আজ
রাঙ্গামাটি : পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস —ইত্তেফাক

এখনো বিরাজ করছে আতঙ্ক

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি

রাঙ্গামাটির ভয়াবহ পাহাড় ধসের আজ ২ বছর পূর্ণ হলো। আজকের এই দিনে ২০১৭ সালের ১৩ জুন পাহাড় ধসে ৪ সেনা কর্মকর্তাসহ ঝরে যায় ১২০টি প্রাণ। অন্যদিকে ২০১৮ সালের একই দিন ১২ জুন পাহাড় ধসের ঘটনায় নানিয়ারচর উপজেলায় বড়পুল পাড়া, ধর্মচান পাড়া ও হাতি মারায় একই পরিবারের ৫ জনসহ ১১ জন নিহত হয়েছে। দিনটির কথা মনে পড়লে আজো আঁতকে উঠে সাধারণ মানুষ। রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পাহাড় কাটা বন্ধে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও জনসচেতনতা বাড়ানো সম্ভব হয়ে উঠছে না। সম্প্রতি রাঙ্গামাটি শহরের মহিলা কলেজ গেইট এলাকায় কাপ্তাই হ্রদের মাটি কেটে বহুতল ভবন নির্মাণ করতে গিয়ে মাটি চাপা পড়ে ৩ শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে।

২০১৭ সালে রাঙ্গামাটি শহরে ৪ সেনা সদস্যসহ ৬৫ জন, কাউখালী উপজেলায় ২৩ জন, কাপ্তাই উপজেলায় ১৮ জন, জুরাছড়ি উপজেলায় ৪ জন ও বিলাইছড়ি উপজেলায় ২ জন মারা গেছে। এর মধ্যে শিশু ৩৩ জন, মহিলা ৩০ জন, পুরুষ ৪২ জন। এর মধ্যে নিখোঁজ রয়েছে অন্তত ২০ জন। আহত হয়েছে ৮২ জন। প্রাথমিক চিকিত্সা নিয়ে বেশ কয়েকজন চলে গেলেও ৩৯ জন রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

অপরদিকে, ২০১৮ সালের ১২ জুন মধ্য রাতে ভারী বর্ষণের ফলে উপজেলার সাবেক্ষং ইউনিয়নের বড়পুল পাড়া ৪ জন, ধর্মচান পাড়া ৪ জন এবং হাতিমারায় ২ জন, ঘিলাছড়িতে ১ জন পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে নিহত হয়েছে। একই দিনে রাঙ্গামাটি পৌর শহরের ২০ থেকে ২৫টি স্থানে মাটি ধসের ঘটনা ঘটলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

১৩ জুনের পাহাড় ধসে ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় আড়াই হাজারের মতো। গত বছর পাহাড় ধসের ফলে রাঙ্গামাটি জেলায় পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭২০ পরিবার।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে প্রায় তিন মাস আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিলেও প্রশাসনের আশ্বাসের কোনো সুফল পায়নি ক্ষতিগ্রস্তরা। এর ফলে রাঙ্গামাটির সাধারণ মানুষের মাঝে প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ জন্মায়।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২০ আগস্ট, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন