ঢাকা শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৯ ফাল্গুন ১৪২৬
২৯ °সে

‘লগ্নি উঠে এলেই নির্মাতারা পরবর্তী সিনেমার চিন্তা করতে পারবেন’

‘লগ্নি উঠে এলেই নির্মাতারা পরবর্তী সিনেমার চিন্তা করতে পারবেন’

নির্মাতা অরুণ চৌধুরী। চলতি মাসের ১৩ তারিখ মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র ‘মায়াবতি’। দীর্ঘদিন টিভি নাটকের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। প্রায় ৮০০ নাটক নির্মাণ করেছেন। এরপর শুরু করেছেন চলচ্চিত্র যাত্রা। প্রথম চলচ্চিত্র ‘আলতা বানু’র সফলতার পর দ্বিতীয় চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। নতুন চলচ্চিত্র মুক্তি ও চলচ্চিত্র অঙ্গনের বিভিন্ন প্রসঙ্গে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সঙ্গে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু

চলতি সপ্তাহে আপনার নির্মিত ‘মায়াবতি’ সিনেমাটি মুক্তি পাচ্ছে। মুক্তির আগে প্রস্তুতি নিয়ে জানতে চাই—

আমরা মূলত ডিজিটাল প্রচারণা করেছি বেশকিছু। সিনেমার ট্রেলর রিলিজ হয়েছে। এছাড়া সিনেমার গানগুলো ইউটিউবে প্রকাশ করা হচ্ছে। পাশাপাশি আমরা আজ (গতকাল) গণমাধ্যমের সবাইকে নিয়ে একটি আড্ডার আয়োজন করেছি। সেখানেও আমাদের সিনেমার প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করা হবে। ১৩ সেপ্টেম্বর ২০টির মতো হলে সিনেমাটি মুক্তি পাবে।

হল সংখ্যা কম মনে হচ্ছে কিনা?

আমরা প্রাথমিকভাবে ২০টি হলে মুক্তির পরিকল্পনা করেছি। যদিও জাজ মাল্টিমিডিয়া ৪০টিতে মুক্তি দিতে চাচ্ছে। কিন্তু এখুনি এতগুলো হল চাচ্ছি না। প্রথম সপ্তাহে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া দেখে আমরা কতগুলো হল বাড়াবো সেই সিদ্ধান্ত নিবো। আর এখন ঢাকার যেই হলগুলোতে দর্শক বেশি হয় সেগুলোতে মুক্তি দিচ্ছি। ঢাকার বাইরে তো রয়েছেই।

মূলধারার বাইরে যেসব সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে সেগুলো দর্শকদের কাছে বেশি প্রশংসিত হচ্ছে। কিন্তু সেই সিনেমাগুলো দিয়ে ইন্ডাস্ট্রি কতটুকু সফল মনে করেন?

আমার মতে প্রতিটি সিনেমা মূলধারার। এক্ষেত্রে বলা যায় ফর্মুলা সিনেমা বা ফর্মুলার বাইরে সিনেমা। প্রতিটি সিনেমা নির্মাণ করা উচিত দর্শকদের কথা মাথায় রেখে। ফর্মুলার বাইরের সিনেমাগুলো দর্শক দিন দিন বাড়ছে। আমাদের নির্মাতা মনে করেন ফর্মুলা সিনেমা নির্মাণ করলেই দর্শকরা দেখবে। আমি সবার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি। ‘মনপুরা’, ‘আয়নাবাজি’, ‘দেবী’ এগুলো কোনো ফর্মুলা সিনেমা নয়। কিন্তু দর্শক দেখেছে। দর্শকরা কিন্তু সিনেমা দেখতে চায়। আমরা নির্মাতারা তাদের টানতে পারছি না।

আমাদের হলের ব্যবস্থাপনা কতটুকু ভালো মনে হয়?

এটাও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। হলে বসে সিনেমার দেখা জন্য দর্শকদের কম্ফোর্ট জোন লাগবে। বসার ভালো পরিবেশ, ভালো সাউন্ড। কলকতার দিকে দেখেন, সেখানে একসাথে ৩০০ হলে সিনেমা মুক্তি দেওয়া যাচ্ছে। এতে তাদের লগ্নিও উঠে আসছে। লগ্নি উঠে এলেই নির্মাতারা পরবর্তী সিনেমার চিন্তা করতে পারেন। সেই সুযোগটা আমাদের কম।

‘চেহারা ছবি’ পরিবর্তন করে ‘মায়াবতি’ নামটি নির্বাচনের কারণ?

সিনেমাটির গল্প মায়াকে নিয়ে। আমার ছেলে মেয়ে বললো এমন একটি নাম নির্বাচন করতে যেটি দর্শকরা সহজে কানেক্ট করতে পারবে। এরপরই নাম পরিবর্তন করা।

দেশে বাইরে ‘মায়াবতি’ মুক্তির কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কিনা?

সেই পরিকল্পনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়াতে প্রাথমিকভাবে মুক্তি পাবে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন