ঢাকা সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬
৩৫ °সে


বিলাতি ধনিয়াপাতা

বিলাতি ধনিয়াপাতা

দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানিও হচ্ছে

আবুল কাসেম ভূঁইয়া

খাবারে ধনিয়াপাতার বহুবিদ ব্যবহার হয়ে থাকে। রসনাবিলাসীদের কাছে এর ব্যাপক চাহিদা দুই ধরনের ধনিয়াপাতা আমাদের দেশে উত্পন্ন হয়। বিলাতি ধনিয়াপাতা এবং দেশি ধনিয়াপাতা। দেশি ধনিয়াপাতা সাধারণত শীতের মৌসুমে উত্পন্ন হয়ে থাকে। অপরদিকে বিলাতি ধনিয়াপাতা সারা বছর ধরে পাওয়া যায়। এর বাজার মূল্যও অনেক বেশি। ফলে চাষিও আগ্রহী হয়ে উঠছেন। বিলাতি ধনিয়াপাতা সারা দেশে বিক্ষিপ্তভাবে উত্পন্ন হলেও চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চলে বাণিজ্যিকভিত্তিতে চাষ হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা যায়, চট্টগ্রামের পার্বত্য অঞ্চল রাঙ্গামাটি, বান্দরবন, খাগড়াছড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় বিলাতি ধনিয়াপাতার চাষ হচ্ছে।

সব ধরনের মাটিতে এটি চাষ করা যায়। তবে ধনিয়াপাতা চাষের জন্য দোঁ-আশ বা এটেল দো-আঁশ মাটি উপযোগী। ছায়াযুক্ত স্থানে বিলাতি ধনিয়াপাতার উত্পাদন ভালো হয়। মান ভালো হওয়ার জন্য জমিতে মাচা ব্যবহার করা হয়। আমন মৌসুমের পর ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বীজ বপন করা যায়। বীজ বপনের তিন মাস পর থেকে ধনিয়াপাতা তোলা যায়। বর্তমানে পার্বত্য অঞ্চলে বিলাতি ধনিয়াপাতা লাভজনক ফসল হওয়ায় চাষিরা ধনিয়াপাতা চাষে এগিয়ে আসছেন। বিলাতি ধনিয়াপাতা চাষ একটু ব্যয়বহুল হলেও বাড়তি মুনাফা থাকে। প্রতি হেক্টর জমিতে বিলাতি ধনিয়াপাতা চাষে খরচ পড়ে দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা। আয় হয় ৬ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা।

প্রতিবিঘা জমি থেকে ছয় থেকে সাত টন ধনিয়াপাতা তোলা যায়। সারা বছরে জমি থেকে পাঁচবার পর্যন্ত ধনিয়াপাতা তোলা যায়। ধনিয়াপাতা তোলার পর বীজের জন্য কিছু গাছ জমিতে রেখে দেওয়া হয়। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। বিদেশে আমাদের দেশে উত্পাদিত বিলাতি ধনিয়াপাতার বেশ চাহিদা রয়েছে। উত্পাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদেরকে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া প্রয়োজন।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৯ আগস্ট, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন