ঢাকা সোমবার, ২৫ মে ২০২০, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
২৯ °সে

আর্থিক সেবার নিরন্তর বিকাশ

আর্থিক সেবার নিরন্তর বিকাশ

মো বা ই ল ব্যা ং কি ং

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে এবং পর্যবেক্ষণে সুনির্দিষ্ট নীতিমালায় পরিচালিত এই আর্থিক সেবা খাত সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের অর্থ ব্যবহারে আরো বেশি সক্ষমতা দিয়েছে। দেশের ভেতরে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় কাজের সন্ধানে আসা মানুষগুলোর অর্জিত অর্থ পরিবারের কাছে পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জ মুহূর্তেই সমাধান হয়েছে বিকাশ সেবার কারণে, যার ফলে টাকা পাঠানোর সমার্থক শব্দ হয়ে উঠেছে ‘বিকাশ করা’। ২০১১ সালে টাকা পাঠানো, ক্যাশইন, ক্যাশআউটের মতো সেবাগুলো নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও সময়ের ব্যবধানে বহুমাত্রিকতা এসেছে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস সেবায়

শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম

৩ কোটি ৭০ লাখ গ্রাহকের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনকে সহজ, নিরাপদ, দ্রুততম, সাশ্রয়ী করা প্রতিষ্ঠান ‘বিকাশ’ বাংলাদেশের সেরা ব্র্যান্ডগুলোর একটি। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রায় ৪ হাজার ভোক্তার ওপর পরিচালিত জরিপের ভিত্তিতে ২০১৯ সালে বিকাশকে শ্রেষ্ঠ ব্র্যান্ড হিসেবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম।

৮ বছর আগেও বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য আনুষ্ঠানিক আর্থিক সেবা পাওয়ার বিষয়টি ছিল দুরূহ। মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বা মোবাইল ব্যাংকিং নামে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা বিকাশের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে ভূমিকা রেখে কেবল বাংলাদেশে নয়, বিশ্বব্যাপী নজির সৃষ্টি করেছে, যার ধারাবাহিকতায় ব্র্যান্ড ফোরামের জরিপে ভোক্তা সন্তুষ্টির এই স্বীকৃতি মিলেছে।

এ বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচালিত ‘ইম্প্যাক্ট অ্যানালাইসিস অব অ্যাকসেস টু ফিন্যান্স ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক জরিপ অনুসারে সবচেয়ে কম সময়ে এবং কম খরচে আর্থিক সেবা মেলে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে। এই জরিপের তথ্যানুসারে মাত্র সাড়ে আট মিনিট সময় এবং ৫ টাকা ব্যয় করেই একজন গ্রাহক মোবাইল ব্যাংকিং সেবা নিতে পারেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে এবং পর্যবেক্ষণে সুনির্দিষ্ট নীতিমালায় পরিচালিত এই আর্থিক সেবা খাত সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশের মানুষকে তাদের অর্থ ব্যবহারে আরো বেশি সক্ষমতা দিয়েছে। দেশের ভেতরে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় কাজের সন্ধানে আসা মানুষগুলোর অর্জিত অর্থ পরিবারের কাছে পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জ মুহূর্তেই সমাধান হয়েছে বিকাশ সেবার কারণে, যার ফলে টাকা পাঠানোর সমার্থক শব্দ হয়ে উঠেছে ‘বিকাশ করা’।

২০১১ সালে টাকা পাঠানো, ক্যাশইন, ক্যাশআউটের মতো সেবাগুলো নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও সময়ের ব্যবধানে বহুমাত্রিকতা এসেছে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বা এমএফএস সেবায়। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে গ্রাহকের জন্য আর্থিক সেবাকে আরো সহজ, নিরাপদ এবং দ্রুত করে চলেছে বিকাশ।

ব্র্যাক ব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মানি ইন মোশনের যৌথ উদ্যোগে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীসময়ে বিশ্বব্যাংকের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন, বিল মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এবং সর্বশেষ চীনা প্রতিষ্ঠান অ্যান্ট ফিন্যান্সিয়াল (আলীবাবা) বিকাশের মালিকানায় এসেছে। বিশ্বখ্যাত ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এসব প্রতিষ্ঠানের যৌথ দিকনির্দেশনায় এবং প্রযুক্তিগত সহায়তায় আর্থিক লেনদেনের ধরন প্রতিনিয়ত সমৃদ্ধ করে চলেছে বিকাশ। এখন একজন গ্রাহক তার দৈনন্দিন প্রয়োজনের বহু আর্থিক লেনদেন অনায়াসে সম্পন্ন করতে পারেন বিকাশ দিয়েই। যখনই প্রয়োজন যেকোনো মোবাইল নম্বরে যেকোনো অঙ্কের টাকা রিচার্জ করার সুবিধা দিচ্ছে বিকাশ। বাংলাদেশে মোবাইল ব্যবহারকারী মোট গ্রাহকের প্রায় ২৫ শতাংশ গ্রাহক তাদের মোবাইল রিচার্জ এখন বিকাশের মাধ্যমে করেন।

গত কয়েক বছরে আর্থিক লেনদেনে যত ধরনের পরিবর্তন এসেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য স্থান দখল করে আছে মোবাইল থেকে পেমেন্ট করার সেবা। সারাদেশের প্রায় ১ লাখ মার্চেন্টের কাছ থেকে পণ্য বা সেবা নিয়ে বিকাশের মাধ্যমে এখন পেমেন্ট করতে পারেন ক্রেতা। বড়ো দেশি ফ্যাশন প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে গলির ছোট্ট দোকানগুলোতেও এখন বিকাশে পেমেন্ট করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন ক্রেতা। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন, গ্রাহকবান্ধব বিকাশ অ্যাপ দিয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করে খুব সহজেই পেমেন্ট করা যায় বিধায় অনলাইন এবং অফলাইন কেনাকাটায় বিকাশ পেমেন্ট এখন দৈনন্দিন।

ছোট অঙ্কের টাকা, কিন্তু বড়ো ঝামেলা পোহাতে হয় ইউটিলিটি সেবার বিল দেওয়ার ক্ষেত্রে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ব্যাংকিং, বাড়তি টাকা খরচ করে গিয়ে গ্যাস, বিদ্যুত্, পানির বিল পরিশোধের অভিজ্ঞতা খুব পুরনো নয়। আর এসব সেবাপ্রদানকারী সংস্থাগুলোর জন্যই বিল সংগ্রহ মানে আলাদা এক কর্মযজ্ঞ—এমনটাই ছিল একটা সময় পর্যন্ত স্বাভাবিক ঘটনা। তবে বিকাশের কারণে ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করা এখন আর সময় ও খরচসাপেক্ষ নয়। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যেকোনো সময় পল্লী বিদ্যুত্, ডেসকো, নেসকো, পিডিবি, ডিপিডিসি, জালালাবাদ গ্যাস-সহ নানান ইউটিলিটি বিল তাত্ক্ষণিক পরিশোধের সুযোগ রয়েছে। বিকাশ ব্যবহার করে বিল পরিশোধের অভিজ্ঞতা বদলে ফেলছেন শহরের গ্রামের সাধারণ ব্যবহারকারীরা। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-সহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার নিবন্ধন ফি, প্রবাসী শ্রমিক হিসেবে বিদেশ যেতে আগ্রহীদের নিবন্ধন ফি, এমনকি ছোট বা বড়ো পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের নিবন্ধন ফি বিকাশের মাধ্যমে পরিশোধের সেবা নিয়ে সময় ও খরচ বাঁচাচ্ছেন অনেকেই।

ট্রেন, বাস, প্লেন এমনকি রাইড শেয়ারিং সেবাগুলোর পেমেন্ট এখন নগদ টাকা ছাড়াই দেওয়া সম্ভব। এমনকি সিনেমার টিকেটও মিলছে বিকাশ পেমেন্টেই।

ব্যাংকের সঙ্গে যেসকল লেনদেন সেখানেও স্বাচ্ছন্দ্য নিয়ে এসেছে বিকাশ। এখন অনলাইন ব্যাংক অথবা কার্ড থেকে গ্রাহক নিজেই বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করে নিয়ে আসতে পারছেন। সময় মেনে ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধের চ্যালেঞ্জও এখন বিকাশ সেবাতে মোকাবেলা করা সম্ভব। কারণ ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধের সেবাও যুক্ত হয়েছে এমএফএস অ্যাকাউন্টে। গ্রাহকদের আর্থিক লেনদেনের এই বৈপ্লবিক পরিবর্তন এখন আমাদের চারপাশেই বিদ্যমান। ফলে ক্যাশলেস বাংলাদেশের চিত্র খুব স্পষ্ট না হলেও লেস-ক্যাশ বাংলাদেশের চিত্রটা এখন বাস্তব। গ্রাহক থেকে একটু নজর সরিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে দৃষ্টিপাত করা যাক। সেখানেও বিকাশের সাফল্য নজরকাড়া। সারাদেশের প্রায় ২ লক্ষ ২০ হাজার বিকাশ এজেন্ট গ্রাহকসেবা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ২ লক্ষ ২০ হাজার মানুষকে তথা পরিবারকে আর্থিক সচ্ছলতা এনে দিয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে বড়ো শিল্প প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় গতিশীলতা এনেছে এই সেবা। কারওয়ান বাজারে গ্রাম থেকে সবজি বিক্রি করতে আসা একজন কৃষক বা ব্যবসায়ী, গলির মুদি দোকানি, বুটিক শপের উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে দেশব্যাপী বিস্তৃত বড়ো শিল্প প্রতিষ্ঠান—সকলের

জন্যই বিকাশের সেবা নিঃসন্দেহে গতিশীলতা এনেছে।

সারাদেশে ২২০টি ডিস্ট্রিবিউটর প্রতিষ্ঠান এবং ১৪টি ব্যাংকের সঙ্গে পার্টনারশিপের ভিত্তিতে বিকাশ এমন এক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে যার কল্যাণে ৫৩ শতাংশ ব্যবহারকারী কোনো ধরনের টাকা খরচ না করেই একজন বিকাশ এজেন্ট থেকে সেবা নিতে পারেন, প্রথাগত ব্যাংকিং সেবার ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ২৩ শতাংশ। ৭১ শতাংশ ব্যবহারকারী ১ কিলোমিটারের মধ্যে একজন বিকাশ এজেন্ট পেয়ে যান। ৮৭ শতাংশ ব্যবহারকারী আধঘণ্টারও কম সময়ে একজন এজেন্ট থেকে সেবা নিতে পারেন।

শক্তিশালী এই নেটওয়ার্কের সফলতায় আরো বৈচিত্র্য এনেছে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিল্প তৈরিপোশাক খাতে এমএফএসের মাধ্যমে বেতন বিতরণ। আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে নারীর অংশগ্রহণ এখনো তুলনামূলক কম।

বিশ্বব্যাংকের অন্তর্ভুক্ত ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি) পরিচালিত ‘ক্লোজিং দ্য জেন্ডার গ্যাপ : অপরচুনিটিস ফর দি উইমেন’স মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস মার্কেট ইন বাংলাদেশে’ শীর্ষক এক গবেষণায় বাংলাদেশে মোবাইল আর্থিক সেবায় নারীদের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। ২০১৫ সালে নারী এমএফএস গ্রাহকসংখ্যা ছিল মাত্র ৬ শতাংশ, ২০১৯ সালে যা বেড়ে হয় ২১ শতাংশ। অর্থাত্ ২০১৯-এ এসে নারী এমএফএস গ্রাহকসংখ্যা দাঁড়ায় ১২.৭ মিলিয়ন। আশার কথা হলো, এমএফএস-এ নারীর অন্তর্ভুক্তির হার ৫২ শতাংশ। ফলে ধারণা করা হচ্ছে ২০২০ সাল নাগাদ ৩৩ শতাংশ নারীর এমএফএস অ্যাকাউন্ট থাকবে। তখন নারী এমএফএস গ্রাহকের সংখ্যা দাঁড়াবে ১৯.৬ মিলিয়ন বা প্রায় ২ কোটি।

২০১৫ সাল থেকে নারীর আর্থিক অন্তর্ভুক্তির এই চিত্র বদলে যাওয়ার পেছনে গার্মেন্টস কর্মীদের বেতন এমএফএস-এ বিতরণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এখন ১৮০টি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের প্রায় সাড়ে তিন লাখ গার্মেন্টস কর্মী বিকাশে বেতন পাচ্ছেন যা তাদের অর্থ প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহারে আরো বেশি সক্ষম করে তুলেছে।

সারাদেশের ৩৫ লাখ শিক্ষার্থীর অভিভাবক সরকারপ্রদত্ত উপবৃত্তি পাচ্ছেন তাদের মোবাইলে। প্রযুক্তির আশীর্বাদে সামাজিক নিরাপত্তার বিভিন্ন ভাতা বিতরণ ও ব্যবস্থাপনায় এসেছে স্বচ্ছতা, সহজতা এবং যথাযথ ব্যবস্থাপনা যা সার্বিকভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানে পরিবর্তন এনেছে।

২০১৫ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক, বিশ্বব্যাংক, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি এবং ইউএস ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড কমিশন পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা যায়, কাজের খোঁজে শহরে আসা জনগোষ্ঠী যারা গ্রামে বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠায় তাদের পরিবারের স্বাস্থ্যসেবা এবং সন্তানের শিক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব রয়েছে।

বিশ্বের ১৬৫ দেশে ১ কোটির বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত। প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ তাদের স্বজনদের কাছে মুহূর্তেই পৌঁছে দিচ্ছে বিকাশ। এখন বাংলাদেশের ৬টি প্রাইভেট ব্যাংকে পৃথিবীর যেকোনো দেশ থেকে ৩০টি শীর্ষস্থানীয় রেমিটেন্স কোম্পানির মাধ্যমে টাকা পাঠাতে পারেন প্রবাসীরা, যেখানে ‘লাস্ট মাইল সল্যুসন্স প্রোভাইডার’ হিসেবে প্রবাসীদের স্বজনরা তাদের বিকাশ অ্যাকাউন্টে টাকা পেয়ে যান। বৈধপথে প্রবাসের রেমিটেন্স কোম্পানি-বাংলাদেশ ব্যাংক-প্রাইভেট ব্যাংক-বিকাশে টাকা পাঠানোর এই ধাপগুলো সম্পন্ন হয় সাথে সাথেই। তাছাড়া স্বজনরা যে রেমিটেন্স পান তা তাদের সুবিধামতো সময়ে ক্যাশআউট করতে পারেন। এসব সুবিধার কারণে এখন মালেশিয়া, সাউথ আফ্রিকা, ইউএই, কোরিয়া, ইউকে, ইতালি-সহ বিভিন্ন দেশে প্রবাসীদের রেমিটেন্স পাঠানোর মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিকাশ।

বিশ্বখ্যাত ফরচুন ম্যাগাজিনের ২০১৭ সালের বিশ্বসেরা ৫০ ‘চেঞ্জ দি ওয়ার্ল্ড লিস্ট’-এ ২৩তম স্থান অর্জন করে বিকাশ। পরিমাপযোগ্য সামাজিক প্রভাব, ব্যবসায়িক ফলাফল এবং উদ্ভাবনের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে এই পুরস্কারের তালিকা তৈরি করে ফরচুন। বিকাশের বৈচিত্র্যময় এসব সেবার মাধ্যমে সামাজিক, অর্থনৈতিক জীবনে টেকসই পরিবর্তন আনার এই বিশ্বস্বীকৃতিও আগামীর আর্থিক লেনদেনকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেছে বিকাশকে এবং সে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।

লেখক :হেড অব কর্পোরেট কমিউনিকেশন্স, বিকাশ

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৫ মে, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন