ঢাকা রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৯, ৮ বৈশাখ ১৪২৬
২৭ °সে

উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে হেমী

উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে হেমী

>> বেনজির আবরার

বাংলাদেশি, কিন্তু বিগত ২০ বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় থাকছেন হেমী হোসাইন। আন্তর্জাতিক ছাত্র হিসেবে অস্ট্রেলিয়ায় যাত্রা করেছিলেন। পরে সেখানে বিভিন্ন নামকরা কর্পোরেট কোম্পানির উচ্চপদে প্রায় ১৩ বছর কাজ করেছেন। গত ৫ বছর ধরে নিজের ব্যবসায় ব্যস্ত আছেন। বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় তার ছয়টি কোম্পানি রয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশে তরুণ প্রজন্মের ব্যবসায়ীদের এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ‘ক্যারিয়ার্স হাব বাংলাদেশ’ নামক প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন।

হেমী হোসাইন অস্ট্রেলিয়ায় পাঁচ বছর ধরে সফলভাবে উদ্যোক্তা তৈরি করছেন। এটা নিজের দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই করছেন বলে জানিয়ে হেমী বলেন, ‘সফল উদ্যেক্তা হয়ে ওঠার পিছনে মূলমন্ত্র হিসেবে আমার অনুসরণ করা পদক্ষেপগুলোই আমি এদেশের ভবিষ্যত্ উদ্যোক্তাদের উপহার দেওয়ার চেষ্টা করছি।’

মূলত হেমী হোসাইন অস্ট্রেলিয়ায় লাইফ কোচিং, কলসালটেন্সি ও বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। ক্যারিয়ার্স হাব বাংলাদেশকে দেশের শীর্ষ এডুকেশন ও ট্রেনিং কোম্পানি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষাব্যবস্থার আদলে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াসেই ক্যারিয়ার্স হাবের যাত্রা শুরু। ক্যারিয়ার্স হাব পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন ডিপ্লোমা ইন হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট এবং সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট—এই দুটি আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেট বড় আঙ্গিকে নিয়ে এসেছে। ক্যারিয়ার্স হাবের আরেকটি আন্তর্জাতিক প্রোগ্রাম AUPP (Abroad unified certification Program)। যেখানে আমাদের তরুণেরা প্রথম বছর দেশে এবং পরের দুই বছর অস্ট্রেলিয়ার পড়ার সুযোগ পাবে। মূলত ইউনিভার্সিটির সমপরিমাণের টাকা দিয়ে দেশে বসে একবছর শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ান সংস্কৃৃতি এবং সমমানের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে এবং পরের দুই বছর অস্ট্রেলিয়ায় পড়ার সুযোগ পাবে। এক্ষেত্রে খরচের মাত্রা অর্ধেকেরও কম হবে।

হেমী হোসাইন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মাননা ও পুরস্কারও পেয়েছেন তার কাজের জন্য। Grow with hemi Bangladesh team নামে তার একটি ফ্যানগ্রুপ রয়েছে, যেখানে তরুণদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ প্রসঙ্গে হেমী বলেন, ‘আমি মন থেকে কৃতজ্ঞ তাদের কাছে, যারা তাদের মেন্টর হিসেবে আমাকে গ্রহণ করেছেন। আমার অনেক ফ্যান অস্ট্রেলিয়ায় আছেন। কিন্তু প্রায় বিশ বছর পর নিজ দেশে ফিরে এসে দেশের মানুষের আমার প্রতি আস্থা আর বিশ্বাস দেখে আমি আসলেই মুগ্ধ।’

নিজের ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা সম্পর্কে হেমী বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় সমমানের শিক্ষা এই দেশের তরুণপ্রজন্মকে উপহার দেওয়াই আমার লক্ষ্য। আমি অস্ট্রেলিয়ায় যে সকল প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছি আমার দেশের ভাইবোনদের যেন সেই পরিস্থিতিতে পড়তে না হয় আর অস্ট্রেলিয়ার মানসম্পন্ন সমমানের কর্মমুখী শিক্ষায় এদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে উন্নত করাই আমার লক্ষ্য। ২০১৯ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ১ হাজার উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে চাই।’

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২১ এপ্রিল, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন