ঢাকা সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬
২৯ °সে


যে সকল কারণে মিরপুর হতে পারে বিশ্ব ঐতিহ্যের এক বৈচিত্র্যময় নিদর্শন

যে সকল কারণে মিরপুর হতে পারে বিশ্ব ঐতিহ্যের এক বৈচিত্র্যময় নিদর্শন

বিশ্বের একমাত্র পোর্টেবল রিভার

সবচেয়ে বড় নদী, সবচেয়ে ছোট নদী, স্বচ্ছ পানির নদী এমন অনেক নদীর অস্তিত্ব পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গায় থাকলেও পৃথিবীর একমাত্র পোর্টেবল নদী এই মিরপুরেই অবস্থিত। মিরপুরের এই পোর্টেবল নদীর কথা চারপাশে ছড়িয়ে দিতে পারলে বিশ্বের নদী প্রেমি ও নদী বিশারদদের আনোগোনা বাড়তে শুরু করবে মিরপুরে। বিশ্বের বড় বড় কবিরাও মিরপুর নদীর ধারে বসে কবিতা লেখার জন্য মিরপুরে বসতি স্থাপন করতে পারে।

পানির নিচের একমাত্র জীবন্ত শহর

এর আগে পানির নিচে, মাটির নিচে, বালির নিচে অনেক পুরোনো শহর ও পুরোনো সভ্যতার অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও সেগুলো ছিল হাজার বছর আগের মৃত শহর। সেইসব কোনো শহরেই খুঁজে পাওয়া যায়নি প্রাণের অস্তিত্ব। সেই হিসেবে পানির নিচে পৃথিবীর একমাত্র জীবন্ত শহর হতে পারে মিরপুর। শুধু জীবন্ত না, রীতিমতো পানির নিচের এক কর্মব্যস্ত শহর আমাদের এই মিরপুর। মৃত শহরগুলো নিয়ে বেহুদা গবেষণার ইতি টেনে গবেষকরা চলে আসতে পারেন মিরপুর। গবেষণা করতে পারেন পানির নিচের একমাত্র জীবন্ত শহরের রহস্য নিয়ে।

শক্তিশালী ড্রেনেজ ব্যবস্থা

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আস্ত একটা নদী গিলে ফেলার মতো শক্তিশালী ড্রেনেজ ব্যবস্থা পৃথিবীর আর কোথাও নেই। মিথলজির কোনো শক্তিশালী চরিত্র ছাড়াই সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে এই ড্রেনেজ ব্যবস্থা কাজ করে যাচ্ছে। এই ড্রেনেজ ব্যবস্থা তো একটা ঐতিহ্যবাহী নিদর্শন হতেই পারে, পাশপাশি এই ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা হতে পারে বিশ্বব্যাপী।

টানেললেস আন্ডারওয়াটার রোড

পৃথিবীতে পানির নিচ দিয়ে অনেক জায়গায় গাড়ি চলে। কিন্তু সেখানে আগে টানেল বানিয়ে পানিকে আটকাতে হয়। মিরপুর নদীর নিচ দিয়ে গাড়ি চলার জন্য কোনো টানেল লাগে না। নদীর পানি কেটে কেটেই চলতে পারে এখানকার গাড়িগুলো। মেট্রোরেল হয়ে গেলে টানেল ছাড়াই পানির নিচ দিয়ে কিভাবে ট্রেন চলে তাও মিরপুরবাসী দেখাতে পারবে। এই টানেললেস আন্ডারওয়াটার রোড বিশ্ব ঐতিহ্য হতেই পারে। তাছাড়া মিরপুরবাসী বিশ্বকে দেখিয়ে দিতে পারে, পানির নিচে গাড়ি ও ট্রেন চলার জন্য টানেল বানিয়ে বেহুদা টাকা খরচ করার দরকার নেই।

মিরপুরের বৈচিত্র্যময়তা

মাত্র ২২ বর্গ মাইলের ছোট মিরপুরের বৈচিত্যময়তাও হতে পারে অন্যতম বৈশ্বিক নিদর্শন। প্রবেশ করার পর পরই পাহাড়ি রাস্তার অ্যাডভেঞ্চার, মরুভূমির বালুঝড়, বালুঝড়ের প্রকোপ শেষ না হতেই পোর্টেবল রিভারের আবির্ভাব, জ্যাম ট্যাম ঠেলে শেওড়াপাড়া থেকে কাজীপাড়া আসতেই আবার প্রকট রোদ। শেওড়াপাড়া থেকে কাজিপাড়া আসতেই এত এত বৈচিত্র্যময়তার মুখোমুখি হতে হলে ভাবুন পুরো মিরপুরে কী পরিমাণ বৈচিত্র্য লুকিয়ে আছে।

ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি লেখা এলাকার নাম

ফেসবুকে মিরপুরের বৈচিত্র্যময়তা নিয়ে দিনের পর দিন এত বেশি লেখা জমা হচ্ছে, শত বছর পর তা নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করবে তখনকার গবেষকেরা, কেউ কেউ মিরপুর নিয়ে গবেষণা করে হয়ে যাবে বিখ্যাত। আর বৈশ্বিক ঐতিহ্য নিয়েই তো শত শত বছর পর গবেষণা শুরু হয়। এখন আমরা যেমন পিরামিড নিয়ে নতুন কোনো তথ্য পেতে মরিয়া হয়ে উঠি, তেমনি শত বছর পরের মানুষেরা মিরপুর নিয়ে তথ্য পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠবে।

ঠিকানাবিহীন

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৯ আগস্ট, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন