ঢাকা রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬
৩০ °সে


হিরুর বিশ্বকাপ প্রস্তুতি

হিরুর বিশ্বকাপ প্রস্তুতি

বি

শ্বকাপ দোরগোড়ায়। অথচ হিরুর মাঝে কোনো ভাবান্তর নাই। এই নিয়ে হিরুর চ্যালাদের মধ্যে টেনশনের অন্ত নাই। তবে কি হিরু বিশ্বকাপ দেখবে না? তাই বা কী করে হয়! হিরু যদি বিশ্বকাপ না দেখে, তাহলে মজা তো সেখানেই শেষ!

‘হিরু ভাই, তোমাকে এবার বিশ্বকাপ নিয়ে তেমন উত্তেজিত দেখাচ্ছে না। কারণটা কী?’ অবশেষে জানতে চাইল একজন।

‘পাড়ার কয়েকজন মুরব্বি বিশ্বকাপ বয়কট করেছেন। তাদের প্রতি সম্মান দেখাচ্ছি।’

‘ব্যাপারটা একটু ঝেড়ে কাশো তো।’

‘তাদের এক কথা, যে বিশ্বকাপে পেলে-ম্যারাডোনার দেশ নাই, সেই বিশ্বকাপ দেখে কী লাভ! রোনালদো-মেসি-নেইমারদের খেলা দেখতে না পারলে তো কোনো মজাই নেই!’

‘কিন্তু ভাই, এটা তো ক্রিকেট বিশ্বকাপ, এখানে মেসি-রোনালদোরা কী খেলবে?’

হিরু এবার সহাস্যে বলল, ‘এ কথটা তাদের বোঝাবে কে! তাদের ওই এক কথা, বিশ্বকাপ খেলা দেখবে না! ব্যস!’

‘তা তোমার এই বিশ্বকাপ মৌনব্রত কতদিন চলবে?’

‘দেখ, সমস্যা কিন্তু এখানেই শেষ নয়। বড়রা বিশ্বকাপ না দেখলে ঘরে ঘরে নতুন টিভিও আসবে না। আবারও সেই পুরোনো টিভিতেই খেলা দেখতে হবে! ওদিকে, টিভি বিক্রি না হলে টিভি কোম্পানিগুলোরও যে পথে বসার দশা হবে...’

‘তুমি এত কিছু চিন্তা করছ!’ হিরুর চ্যালারা অবাক।

হিরু ফের মুচকি হেসে বলল, ‘আসলে যেই গরম পড়ছে, তাতে এবার বিশ্বকাপ নিয়ে উত্তেজনা দেখানোর কোনো মানে নেই। প্রিয় দল ব্যাটিংয়ে থাকলে প্রায় প্রতি বলে বলেই চার বা ছয়ের জন্য উল্লাস করতে হবে। জানিসই তো, এবার ব্যাটিং উইকেটে খেলা হবে। পাঁচশ রান ওঠারও সম্ভাবনা আছে। আর প্রিয় দল বোলিংয়ে থাকলে প্রতি বলে বলে (চার-ছক্কা খেয়ে) ‘ইশ! ইশ!’ করতে হবে। আর আউট হলে তিড়িংবিড়িং করে লাফিয়ে উঠতে হবে। কত্ত ঝক্কির কাজ। অথচ, কী গরম...’ একেবারে ফুটো বেলুনের মতো চুপসে গেল সে।

হিরু আরেক চ্যালা বলল, ‘নতুন টিভি না হোক, বাসায় এসির জন্য বলতে পার। গরম তো সবারই লাগে, নাকি?’

‘এসির কথা বলিনি ভাবছিস! কিন্তু বাবার সংসদে এসি পাস হতে দেরি আছে!’

‘তাহলে কী করবে?’

‘ভাবছি ঢাকায় যাব।’

‘খেলা দেখতে তুমি ঢাকায় যাবা?’

‘হ্যাঁ।’

‘হিরু ভাই, খেলা তো বাংলাদেশে হচ্ছে না যে তুমি ঢাকায় গিয়ে শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখবা!’

‘ঢাকায় বড় বড় প্রজেক্টরে খেলা দেখাবে। তাছাড়া বড় বড় শপিংমলগুলোতে টিভিতেও খেলা দেখাবে তখন। আর জানিসই তো, আজকালকার মলগুলো সব অত্যাধুনিক। একেবারে সেন্ট্রাললি এয়ার কন্ডিশন্ড।’

‘আইডিয়া ভালো।’

‘তাহলে আমার সাথে তোরাও চল। তোদের আমি নিয়ে যাব।’

চ্যালারা অবাক! হিরু তাদের স্পন্সর করে ঢাকায় খেলা দেখাতে নিয়ে যাবে!

হিরু যেন ওদের মনের ভাষায় পড়ে নিল। বলল, ‘এখন সবাই নাড়ির টানে আছে। নারী বা নাড়ি দুটোর যেকোনোটার কারণেই হোক—সবাই ঢাকা ছাড়ায় ব্যস্ত। লঞ্চ-ট্রেন-বাস সবগুলোই ঢাকায় ফেরার ট্রিপে প্রায় খালিই যায়। তোদের বিনা খরচইে নিয়ে যাবে ওরা।’

একটু যেন হতাশ হলো চ্যালারা। একজন বলল, ‘কিন্তু আসার সময়? বিশ্বকাপ শেষ হতে হতে তো অনেক দেরি। তখন কিন্তু ওরা আমাদের মাগনা আনবে না। গাঁটের টাকা খরচা করেই গাঁয়ে ফিরতে হবে শেষে।’

‘এবারের বিশ্বকাপে তো আর তোদের ব্যানার, পতাকা বানাতে পয়সা লাগছে না। সেই টাকাটাই নাহয় ফেরার সময় ব্যয় করলি!’

হিরুর কথায় তবুও তার চ্যালারা আগ্রহ পাচ্ছে না। এত কষ্ট করার চেয়ে ঘরে বসে খেলা দেখাই ভালো। তাছাড়া, এখন তো মোবাইলেও খেলা দেখা যায়, শুধু শুধু ঝামেলা করার কী দরকার!

কথাগুলো তারা হিরুকেও বলল। তাদের বলা শেষ হতে না হতেই হিরু উঠে দাঁড়াল। যেতে যেতে বলল, ‘না, অনেক সময় নষ্ট করেছি। এবার তাহলে বিশ্বকাপ দেখার প্রস্তুতিটা নিতেই হয়। একেবারে স্টেডিয়ামে বসেই খেলা দেখব!’

‘তার মানে তুমি ইংল্যান্ডে যাচ্ছ?’ অবাক কণ্ঠে জানতে চাইল চ্যালারা।

হিরু রহস্যের হাসি হেসে বলল, ‘দেখা যাক।’

দুই

এরপরের কয়েকটা দিন সবাই শুধু হিরুকে কোমল পানীয় খেতে দেখল। যেই হিরু ভুঁড়ি বাড়বে বলে এতদিন এ জাতীয় পানীয় এড়িয়ে গেছে, সে-ই এখন দেদারসে গিলছে! চ্যালাদের সন্দেহ হলো, তাহলে কি হিরু খাওয়ানোর ডরে ‘কোমল পানীয় খাই না’ নাটক করেছে! অনেকে অবশ্য খেয়াল করছে, কাছে-পিঠে লোকজন না থাকলে হিরু বোতলের ভেতরের পানিটা ফেলে দিয়ে বোতলটা যত্ন করে পকেটে ভরে নেয়! তাছাড়া, ইদানীং ফোনেও ব্যস্ত সময় পার করছে সে। শুধু তাই নয়, এলাকার ভাঙ্গারি বিক্রেতার সঙ্গে হিরুর গোপন আঁতাত চলছে—এমন খবরও তার চ্যালাদের কানে এসেছে।

কাহিনি কী?

কেউ এমন প্রশ্ন করলে হিরু করুণ মুখে আওড়ায়, ‘গরম রে ভাই, হেব্বি গরম...’

কিছুদিনের মধ্যেই অবশ্য এই রহস্যেরও উন্মোচন হলো।

যেভাবে হঠাত্ করেই হিরুর পানীয় খাওয়ার পরিমাণ বেড়েছিল, সেভাবেই এখন আবার পানীয় না খাওয়ার পরিমাণ বেড়ে গেছে! হিরুর সেই উদ্যমও আর আগের মতো নেই! কেন?

বিশ্বকাপের আগে কয়েকটি কোমল পানীয় কোম্পানি তাদের পণ্যের প্রমোশনের জন্য একটা জমাটি অফার দিয়েছিল। তাদের পানীয় খেয়ে এসএমএস বা কল করে কয়েকটা প্রসিডিওর ফলো করলেই পেয়ে যেতে পারে ইংল্যান্ডে গিয়ে স্টেডিয়ামে বসে খেলা দেখার সুবর্ণ সুযোগ। হিরু সেই সুবর্ণ সুযোগটা নিতে চেয়েছিল। দেদারসে পানীয় গিলেছে। পরে অনীহা এসে যাওয়ায়, ভেতরের পানিটা না গিলে ফেলে দিয়েছে। শেষে পকেটে টান পড়ায়, ভাঙ্গারির দোকানের শরণাপন্ন হয়েছে। অনেকেই তো পানীয় খেয়ে বোতল ফেলে দেয়, খেয়াল করে দেখেও না, তাতে কোনো অফার আছে কি না! কিন্তু এখন তার স্বপ্ন বর্ণহীন হয়ে গেছে। উল্টো হিরুর সন্দেহ হয়, আসলেই কি কোম্পানিগুলো আমজনতাকে এমন কোনো পুরস্কার দেয়? নাকি এভাবে অফারের লোভে পড়া পাবলিককে ফাঁদে ফেলে প্রমোশন বাড়ায়, আর গোপনে নিজেদের আত্মীয়-স্বজনদের সেই পুরস্কারে বিজয়ী করে বিদেশ ঘুরিয়ে আনে!

তিন

এরপর একটানা অনেকগুলো দিন হিরু ফেসবুকে মুখ গুঁজে পড়ে রইল। তার চ্যালারা টেনশনে শেষ— হিরু তো ফেসবুক আসক্ত নয়! তাহলে কার সঙ্গে এভাবে রাত নেই দিন নেই খালি চ্যাটিংয়ের পরে চ্যাটিং চালিয়েই যাচ্ছে! এমনকি চ্যালারা ফেসবুকে কোনো ম্যাসেজ পাঠালেও তার রিপ্লাই দিচ্ছে না।

ক’দিন বাদে হিরুই এর ব্যাখ্যা দিল। গত কয়েক মাসে এদেশে ভিনদেশি প্রেমিকাদের আগমন বেড়ে গেছে। ব্রাজিল, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড—প্রেমিকা আমদানিতে কোনো দেশ বাদ যায়নি। কিন্তু এদেশ থেকে কোনো প্রেমিক-প্রেমিকা রপ্তানি হয়েছে বলে শেনা যায়নি। হিরু চেয়েছিল—নিজেকে দিয়েই এই রীতিটা চালু করবে সে। এতদিনে ফেসবুকে অনেক ব্রিটিশ মেয়ের সঙ্গে ভাব জমানোর চেষ্টা করেছে সে। উদ্দেশ্য ছিল একটাই—প্রেমের টানে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেবে সে। অর্থাত্ ব্রিটেন চলে যাবে। কিন্তু হিরুর প্রেমের জালে আটকাপড়া ইংরেজ কন্যাগণ বাংলাদেশে আসতে রাজি, কিন্তু ভুলক্রমেও তারা হিরুকে ইংল্যান্ডে যাওয়ার কথা বলেনি। অর্থাত্, হিরুর এই প্রজেক্টও ব্যর্থ। তার ইংল্যান্ড যাওয়া হচ্ছে না।

চার

‘ব্যাক টু দ্য প্যাভিলিয়ন’ বলে একটা কথাটা আছে; অবশেষে হিরু সেই পথই ধরল। বাসার টিভিটা মেকারের কাছে নিয়ে আরেকটু ক্লিয়ার করিয়ে আনল সে। ক্যাবল তারটাও পাল্টে নিয়েছে। একটা নতুন অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নিয়েছে। লোডশেডিং বা অন্য কোনো কারণে টিভিতে খেলা দেখা সম্ভব না হলে যাতে মোবাইলে ডাটা ব্যবহার করে যেন ‘ইমার্জেন্সি’ খেলা দেখতে পারে! যদিও তার আগের ফোনটাও অ্যান্ডয়েডই ছিল। কিন্তু সেটা ছিল হুয়াওয়ের। হুয়াওয়ের সঙ্গে গুগলের সম্পর্কছেদের কারণে যদি বিশ্বকাপকালীন কোনো সমস্যা হয়, তাই নতুন ফোন কেনা তার! ইয়াবড় একটা ফ্লাক্সও কিনেছে। খেলা শুরুর আগে আগে চা ভর্তি করে রাখবে। তারপর চায়ের কাপে বিশ্বকাপের ঝড় তুলবে সে। আর গরম থেকে বাঁচার জন্য ঠিক করেছে—মাথায় আইস দিয়ে রাখবে। মোদ্দাকথা হলো, বিশ্বকাপের ষোলআনা প্রস্তুতি সারা হিরুর।

হিরুর চ্যালারাও মোটামুটি ঠিক করে রেখেছে—বিশ্বকাপটা তারা হিরুদের বাসায় বসেই দেখবে। চা-টাও মিলবে।

এমন অবস্থায় একদিন হিরুদের বাসায় তার বাবার এক বন্ধু এলেন। হিরু তাঁকে চেনে—জাবেদ পাটোয়ারী নাম তাঁর।

তিনি করুণ মুখে জানালেন, তাঁর একমাত্র মেয়েটিকে নিয়ে বেশ বিপদে পড়েছেন। লেখাপড়ার জন্য বিদেশ পাঠিয়েছিলেন। মেয়েটা সেখানে একজনকে বিয়ে করে। পরে বাচ্চাও হয়। কিন্তু বেচারীর স্বামীটা বেশিদিন বাঁচেনি। এখন ছোট্ট বাচ্চাটাকে নিয়ে ভিনদেশে একাকী পড়ে আছে মেয়েটা।

হিরুর বাবা হিরুকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য বললে সে সহাস্যে বলল, ‘ওদের দেশে আসতে বলুন।’

‘ওরা আসবে না বোধহয়...।’

‘একজনকে ওখানে পাঠান। সে গিয়ে ওদের বুঝিয়ে-শুনিয়ে ঠিক ঠিক নিয়ে আসতে পারবে।’

‘আমার মনে হয় না ওরা আসবে...।’ আবারও দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেন তিনি। ‘ওর মৃত স্বামীর ব্যবসা-বাণিজ্য আছে। সেগুলো ফেলে রেখে আসবে কি?’ প্রশ্নটা হিরুকে নয়, যেন নিজেকেই করলেন তিনি।

‘তাহলে মেয়ের জন্য আবার পাত্র দেখেন। ভিনদেশি বর তো হলোই! এবার মেয়ের জন্য দেশি পাত্র খুঁজুন। ছেলেটা ওদেশে গিয়ে সেটেল্ড হোক।’

‘এমন পাত্র কোথায় পাব?’

‘পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন।’

‘এটা ভালো আইডিয়া।’

দুদিন পরের ঘটনা। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন বেরিয়েছে—ইংল্যান্ডে সিটিজেন এক বাংলাদেশি পাত্রীর জন্য (বিধবা, এক সন্তানের জননী) পাত্র আবশ্যক। যোগাযোগ...

‘ইংল্যান্ড... ইংল্যান্ড...’ নামটা বিড়বিড় করে বেশ ক’বার আওড়াল হিরু। তারপর কী জানি মনে করে সেই নম্বরে ফোন দিল সে।

তাকে অবাক করে দিয়ে ওপাশ থেকে ভেসে এল পরিচিত কণ্ঠস্বর, ‘হিরু!’

চমকে গিয়ে নম্বরটা একটিবার দেখে নিয়ে দ্বিধাভরা মন নিয়েই ফোনটা আবারও কানের কাছে নিল।

‘তোমার পরামর্শে কাজ হবে বোধহয়। এরমধ্যে অনেকগুলো ফোন এসেছে, বুঝলে। সবাইকে সিভি পাঠাতে বলে দিয়েছি। আশা করি, উপযুক্ত কাউকেই পেয়ে যাব।’

এতক্ষণে সে বুঝতে পারল—ফোনের ওপাশে তার বাবার বন্ধু ছিলেন।

হিরুর মনে আফসোস জাগল, আঙ্কেলের মেয়েটিকে বুঝিয়ে শুনিয়ে দেশে নিয়ে আসার কাজটা নিয়ে নিলে, নিশ্চিত সফলকাম হতো সে। সেই সুযোগ ইংল্যান্ড গিয়ে বিশ্বকাপও দেখে আসা যেত...। কেন যে সেদিন দেশের নামটা জানতে চাইল না সে!

হিরুর বাবা হিরুকে ডেকে নিয়ে বললেন, ‘পাটোয়ারী চেয়েছিল, মেয়েটিকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসবে। আমি ওকে আশ্বাস দিয়েছিলাম যে, তুই ইংল্যান্ডে গিয়ে ওকে ঠিকই ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারবি। কিন্তু, উল্টো তুই ওকে কী পরামর্শ দিলি? এদেশ থেকে ছেলে ইমপোর্ট করে ওদেশেই তার একমাত্র মেয়েটিকে সেটেল্ড করার ব্যবস্থা করতে বললি! বেচারা বুকে পাথর বেঁধে এখন মেয়ের সুখের জন্য পত্রিকায় পাত্র খুঁজে বেড়াচ্ছে!’

কথাটা শুনে হিরুর বুক চিরেও দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো। হিরু ঠিক করল, সেও পাটোয়ারী আঙ্কেলের মতো বুকে পাথর বাঁধবে!

পাঁচ

হিরুর চ্যালারা ভেবেছিল, এমন একটা ঘটনার পরে হিরু একেবারেই চুপসে যাবে। কিন্তু দেখা গেল, সে এখন ইংল্যান্ড যাওয়ার জোর তোড়জোর করছে! এরইমধ্যে পাসপোর্ট-ভিসা সবকিছুর ব্যবস্থা করে ফেলেছে!

হিরুর চ্যালারা অবাক! তবে কি হিরু তার পাটোয়ারী আঙ্কেলের মেয়েকেই বিয়ে করে ইংল্যান্ড সেটেল্ড হতে যাচ্ছে? নাকি সেইম তরিকা অন্যত্র অ্যাপ্ল্যাই করছে সে? অর্থাত্ অন্য কোনো ইংল্যান্ডে সিটিজেন বাংলাদেশি (বিধাব/ডিভোর্সি, এক/দুই সন্তানের জননী) পাত্রীর পাত্র হতে চলেছে সে?

নাকি হিরু আলাদিনের জাদুর চেরাগ হাতে পেয়েছে?

হিরু অবশ্য এবারে কোনো কিছুই খোলাসা করছে না। দেদারসে চলছে তার প্রস্তুতি। ইংল্যান্ডে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলা দেখবে সে।

অন্য কোনো ব্যাপারেও প্রস্তুতি নিচ্ছে কি না, সেই প্রসঙ্গটা আপাতত তোলাই থাক! g

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৮ আগস্ট, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন