ঢাকা বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
১৮ °সে


মুসলিমদের টার্গেট করেই আসামে এনআরসি :যুক্তরাষ্ট্র

মুসলিমদের টার্গেট  করেই আসামে  এনআরসি :যুক্তরাষ্ট্র

নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) নামে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বেছে বেছে মুসলিমদের নিশানা করা হচ্ছে। তাদের রাষ্ট্রহীন করে দিতে এনআরসি তালিকাকে হাতিয়ার করছে ভারত সরকার। আসামে নাগরিকপঞ্জি তৈরি নিয়ে শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ তুলেছে আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক মার্কিন কমিশন (ইউএসসিআইআরএফ)। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার

চলতি বছরের ৩১ আগস্ট সরকার আসামে নাগরিকপঞ্জির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করলে দেখা যায়, ১৯ লাখের বেশি মানুষের নাম বাদ গিয়েছে তা থেকে। এ নিয়ে শুক্রবার ‘ইস্যু ব্রিফ : ইন্ডিয়া’ নামের একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে ইউএসসিআইআরএফ। এতে বলা হয়, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই দুশ্চিন্তা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন ভারতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংগঠন। তাদের মতে, আসামের বাঙালি মুসলিমদের বঞ্চিত করতে, একটা বড় অংশের মুসলিমকে রাষ্ট্রহীন করতে এবং ঘুরপথে ধর্মীয় পরিচয়কেই নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে অপরিহার্য করে তোলার কার্যসিদ্ধির জন্যই এনআরসিকে হাতিয়ার করা হয়েছে।

নীতি বিশ্লেষক হ্যারিসন একিন্সের তদারিকতে ওই রিপোর্টটি তৈরি করেছে ইউএসসিআইআরএফ। তাতে আরও বলা হয়, ‘ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার অধিকার যে ক্রমশ নিম্নমুখী হচ্ছে, সংখ্যালঘু মুসলিমদের বিতাড়ন করার এই প্রচেষ্টাই তার অন্যতম উদাহরণ। আগস্টে এনআরসি’র চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর বিজেপি সরকার এমন কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, তাতে তাদের মুসলিম বিরোধী মনোভাবই প্রতিফলিত হয়েছে। মুসলিমদের বাদ দিয়ে হিন্দু এবং বাছাই করা কিছু সংখ্যালঘুদের সুবিধা করে দিতেই যে নাগরিকত্ব পাওয়ার ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরীক্ষার আয়োজন, বিজেপির ইঙ্গিতেই তা স্পষ্ট।’ বিষয়টি নিয়ে সরকার এখনও কোনো মন্তব্য করেনি। তবে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই যাবতীয় কাজকর্ম হচ্ছে বলে একাধিকবার জানিয়েছে মোদি সরকার।

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল আনছে বিজেপি

ভারতের পার্লামেন্টে কাল সোমবার সরকার নাগরিকত্ব আইনে পরিবর্তন আনার জন্য আবারও একটি বিল পেশ করতে যাচ্ছে। বিল পাশ হলে নাগরিকত্ব আইনে পরিবর্তন এনে বাংলাদেশ, পাকিস্তান আর আফগানিস্তানের হিন্দু-বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান, জৈন আর পার্শি মানুষ, যারা কথিত ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতে চলে এসেছেন, তারা নাগরিকত্বের আবেদন করতে পারবেন। বিলটি আগেও একবার পেশ হয়েছিল, কিন্তু আসামসহ উত্তরপূর্বাঞ্চলজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হওয়ায় তখন সেটি পাশ করানো যায়নি।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১১ ডিসেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন