ঢাকা শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৯ ফাল্গুন ১৪২৬
১৮ °সে

ঢাকা সিটি নির্বাচন

নৌকার টিকিট পেলেন তাপস-আতিক

কাউন্সিলর পদে ৫৫ নতুন মুখ
নৌকার টিকিট পেলেন তাপস-আতিক
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস ও আতিকুল ইসলামকে পরিচয় করিয়ে দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের —ইত্তেফাক

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহিদ শেখ ফজলুল হক মনির ছোটো ছেলে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। ফলে এবার বাদ পড়লেন দীর্ঘ পাঁচ বছর মেয়রের দায়িত্ব পালনকারী সাঈদ খোকন। অন্যদিকে ঢাকা উত্তর সিটিতে দ্বিতীয়বারের মতো মেয়র পদে মনোনয়ন পেয়েছেন ব্যবসায়ী নেতা মো. আতিকুল ইসলাম। গতকাল রবিবার সকালে ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দলীয় দুই মেয়র প্রার্থীর পাশাপাশি দল সমর্থিত ১২৯ কাউন্সিলর প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। এতে বর্তমান ৫৫ কাউন্সিলর বাদ পড়েছেন। প্রসঙ্গত, গত শনিবার ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ড। এতে সভাপতিত্ব করেন দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণাকালে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা ও জনপ্রিয়তাকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কোন প্রার্থী নির্বাচনে জেতার উপযোগী, সেটি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। মনোনয়ন বোর্ডের সবার সম্মতিতে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়ন দিয়েছেন।’

এমপি পদ ছাড়লেন তাপস

আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী হিসেবে চমক সৃষ্টিকারী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ঢাকা-১০ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কারণে তিনি সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর কাছে গতকাল দুপুরে তাপস পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরই মধ্যে তার পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে। আসনটি শূন্য ঘোষণা করে গতকালই গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

তাপস বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিবেরও দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারসহ আরো যাদের হত্যা করা হয়েছিল তাদের মধ্যে শেখ ফজলে নূর তাপসের বাবা শেখ ফজলুল হক মনি ও তার অন্তঃসত্ত্বা মা আরজু মনিও ছিলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগনে শেখ ফজলুল হক মনি। অর্থাত্ তাপসের ফুফু হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাপসের বড়ো ভাই শেখ ফজলে শামস পরশ গত মাসে যুবলীগের চেয়ারম্যান হয়েছেন।

শেখ ফজলে নূর তাপস পেশায় একজন আইনজীবী। ঢাকা-১০ আসনে তিন মেয়াদে সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালনে অত্যন্ত দক্ষতা ও যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন। অত্যন্ত সজ্জন, বিনয়ী ও স্বল্পভাষী তাপস প্রতিনিয়তই জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছেন। স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন ইমেজের এই নেতার মেয়র পদে বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এসব দিক বিবেচনায় নিয়েই শেষ পর্যন্ত মেয়র পদে আওয়ামী লীগ তাকে মনোনয়ন দিয়েছে।

দক্ষিণের মেয়র মো. সাঈদ খোকন যে এবার আর আওয়ামী লীগের টিকিট পাচ্ছেন না, সে আভাস গত ২৬ ডিসেম্বরই পাওয়া যায়। অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফের ছেলে খোকন সেদিন কাঁদতে কাঁদতে বলেছিলেন, রাজনৈতিক জীবনে তিনি ‘কঠিন সময়’ পার করছেন। আর আনিসুল হকের মৃত্যুর পর চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে উপনির্বাচনে জিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্বে আসেন বিজিএমইএ-এর সাবেক সভাপতি মো. আতিকুল ইসলাম।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি তাপস-আতিক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে আতিকুল ইসলাম এবং ফজলে নূর তাপসের প্রার্থিতা ঘোষণার পর তাদের হাত উঁচু করে ধরেন। পরে একই জায়গায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দুই মনোনীত মেয়রপ্রার্থী। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ ঢাকা গড়ে তুলতে মহাপরিকল্পনা গ্রহণের কথা বলেন ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। দলের ঐক্য আর বর্তমান মেয়র মো. সাঈদ খোকনের সমর্থনও চেয়েছেন তিনি। আর ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ সমন্বিতভাবে কাজের মাধ্যমে সুন্দর ঢাকা গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উত্তরের মেয়রপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম। গতকাল প্রার্থিতা ঘোষণা অনুষ্ঠানে তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তারা এসব কথা বলেন।

শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আমি ঢাকা দক্ষিণের মানুষের সহযোগিতা চাই। তারা আমাকে সমর্থন দিয়ে আমার প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করলে একটি সুন্দর নগরী উপহার দেবো। এক্ষেত্রে আমি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীর পাশাপাশি নগরবাসীর সহযোগিতা চাই।’ বর্তমান মেয়র সাঈদ খোকন আপনার পক্ষে কাজ করবেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তাপস বলেন, ‘আমি সবার সহযোগিতা চাই। আমি মনে করি, কেউ দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাবে না। সবার সহযোগিতা কামনা করছি।’ মেয়র সাঈদ খোকনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা সবাই এ নির্বাচনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তাপস। সাবেক মেয়র আনিসুল হকের কাজ থেকে অনুপ্রেরণা পাওয়ার কথা তুলে ধরে তাপস বলেন, ‘আমি স্মরণ করছি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হককে। যিনি অল্প সময়ে প্রমাণ করেছিলেন সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে মানুষের দরজায় কীভাবে পৌঁছানো সম্ভব, সেটাকে পুঁজি করে আমি কাজ করতে চাই।’

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণে শেখ ফজলে নূর তাপসকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আমরা নির্বাচিত হলে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করে আধুনিক ঢাকা গড়ে তুলব।’ মনোনয়ন পাওয়ায় তাপসকে তিনি অভিনন্দন জানান। উত্তরের ভোটারদের সহায়তা চেয়ে বর্তমান মেয়র আরো বলেন, ‘আসুন আমরা সবাই মিলে একটা সুন্দর ঢাকা শহর গড়ে তুলি। আমরা জানি আমাদের কী চ্যালেঞ্জ রয়েছে, এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে একসঙ্গে সবাই মিলে কাজ করতে হবে।’ সংবাদ সম্মেলনে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে সামস পরশ, আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা উত্তরের কাউন্সিলর প্রার্থী যারা

আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা থেকে এবার বাদ পড়েছেন ৫৫ জন কাউন্সিলর। এর মধ্যে উত্তরে ২৫ জন এবং দক্ষিণে ৩০ জন রয়েছে। সেখানে এসেছে নতুন মুখ। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৫৪টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক কাউন্সিলর প্রার্থীরা হলেন : ওয়ার্ড নম্বর ১ আফছার উদ্দিন খান, ওয়ার্ড নম্বর ২ কদম আলী মাদবর, ওয়ার্ড নম্বর ৩ জিন্নাত আলী মাদবর, ওয়ার্ড নম্বর ৪ মো. জামাল মোস্তফা, ওয়ার্ড নম্বর ৫ মো. আব্দুর রউফ নান্নু, ওয়ার্ড নম্বর ৬ সালাউদ্দিন রবিন, ওয়ার্ড নম্বর ৭ মো. তোফাজ্জল হোসেন, ওয়ার্ড নম্বর ৮ মো. আবুল কাশেম মোল্লা, ওয়ার্ড নম্বর ৯ মুজিব সারোয়ার মাসুম, ওয়ার্ড নম্বর ১০ আবু তাহের, ওয়ার্ড নম্বর ১১ দেওয়ান আবদুল মান্নান, ওয়ার্ড নম্বর ১২ মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন তিতু, ওয়ার্ড নম্বর ১৩ মো. হারুন-অর-রশিদ, ওয়ার্ড নম্বর ১৪ মো. মইজউদ্দীন, ওয়ার্ড নম্বর ১৫ সালেক মোল্লা, ওয়ার্ড নম্বর ১৬ মো. মতিউর রহমান, ওয়ার্ড নম্বর ১৭ মো. ইসহাক মিয়া, ওয়ার্ড নম্বর ১৮ মো. জাকির হোসেন, ওয়ার্ড নম্বর ১৯ মো. মফিজুর রহমান, ওয়ার্ড নম্বর ২০ মো. জাহিদুর রহমান, ওয়ার্ড নম্বর ২১ মাসুম গনি, ওয়ার্ড নম্বর ২২ মো. লিয়াকত আলি, ওয়ার্ড নম্বর ২৩ শাখাওয়াত হোসেন, ওয়ার্ড নম্বর ২৪ মো. শফিউল্লা, ওয়ার্ড নম্বর ২৫ আবদুল্লাহ আল মঞ্জুর, ওয়ার্ড নম্বর ২৬ শামীম হাসান, ওয়ার্ড নম্বর ২৭ ফরিদুর রহমান খান ইরান, ওয়ার্ড নম্বর ২৮ মো. ফোরকান হোসেন, ওয়ার্ড নম্বর ২৯ নুরুল ইসলাম রতন, ওয়ার্ড নম্বর ৩০ আবু হাসেম হাসু, ওয়ার্ড নম্বর ৩১ আলেয়া সারোয়ার ডেইজি, ওয়ার্ড নম্বর ৩২ সৈয়দ হাসান নুর ইসলাম, ওয়ার্ড নম্বর ৩৩ আসিফ আহমেদ, ওয়ার্ড নম্বর ৩৪ শেখ মোহাম্মদ হোসেন,ওয়ার্ড নম্বর ৩৫ মোক্তার সরদার, ওয়ার্ড নম্বর ৩৬ তৈমুর রেজা খোকন, ওয়ার্ড নম্বর ৩৭ মো. জাহাঙ্গীর আলম, ওয়ার্ড নম্বর ৩৮ শেখ সেলিম, ওয়ার্ড নম্বর ৩৯ মো. শফিকুল ইসলাম, ওয়ার্ড নম্বর ৪০ মো. নজরুল ইসলাম ঢালী, ওয়ার্ড নম্বর ৪১ আব্দুল মতিন, ওয়ার্ড নম্বর ৪২ মো. জাহাঙ্গীর আলম, ওয়ার্ড নম্বর ৪৩ শরিফুল ইসলাম ভূঞা, ওয়ার্ড নম্বর ৪৪ শফিকুল ইসলাম শফিক, ওয়ার্ড নম্বর ৪৫ জয়নাল আবেদীন, ওয়ার্ড নম্বর ৪৬ মো. সাইদুর রহমান সরকার, ওয়ার্ড নম্বর ৪৭ মোতালেব মিয়া, ওয়ার্ড নম্বর ৪৮ এ কে এম মাসুদুজ্জামান, ওয়ার্ড নম্বর ৪৯ মো. সফিউদ্দিন মোল্লা, ওয়ার্ড নম্বর ৫০ জি এম শামীম, ওয়ার্ড নম্বর ৫১ মোহাম্মদ শরীফুর রহমান, ওয়ার্ড নম্বর ৫২ মো. ফরিদ আহমেদ, ওয়ার্ড নম্বর ৫৩ মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন ও ওয়ার্ড নম্বর ৫৪ জাহাঙ্গীর হোসেন।

দক্ষিণে কাউন্সিলর প্রার্থী যারা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৭৫টি ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক কাউন্সিলর প্রার্থীরা হলেন: ওয়ার্ড নম্বর ১ মো. মাহবুবুল আলম, ওয়ার্ড নম্বর ২ মো. আনিসুর রহমান, ওয়ার্ড নম্বর ৩ মো. মাকসুদ হোসেন, ওয়ার্ড নম্বর ৪ মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, ওয়ার্ড নম্বর ৫ মো. আশ্রাফুজ্জামান, ওয়ার্ড নম্বর ৬ মো. সিরাজুল ইসলাম ভাট্টি, ওয়ার্ড নম্বর ৭ আব্দুল বাসিত খান, ওয়ার্ড নম্বর ৮ মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, ওয়ার্ড নম্বর ৯ মো. মোজাম্মেল হক, ওয়ার্ড নম্বর ১০ মারুফ আহমেদ মনসুর, ওয়ার্ড নম্বর ১১ মো. হামিদুল হক শামীম, ওয়ার্ড নম্বর ১২ গোলাম আশরাফ তালুকদার, ওয়ার্ড নম্বর ১৩ মো. এনামুল হক, ওয়ার্ড নম্বর ১৪ ইলিয়াছুর রহমান, ওয়ার্ড নম্বর ১৫ রফিকুল ইসলাম বাবলা, ওয়ার্ড নম্বর ১৬ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ওয়ার্ড নম্বর ১৭ মো. মাহবুবুর রহমান, ওয়ার্ড নম্বর ১৮ আ স ম ফেরদৌস আলম, ওয়ার্ড নম্বর ১৯ আবুল বাশার, ওয়ার্ড নম্বর ২০ ফরিদ উদ্দিন আহমেদ রতন, ওয়ার্ড নম্বর ২১ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, ওয়ার্ড নম্বর ২২ জিন্নাত আলী, ওয়ার্ড নম্বর ২৩ মো. মকবুল হোসেন, ওয়ার্ড নম্বর ২৪ মো. মোকাদ্দেস হোসেন জাহিদ, ওয়ার্ড নম্বর ২৫ মো. আনোয়ার ইকবাল, ওয়ার্ড নম্বর ২৬ হাসিবুর রহমান মানিক, ওয়ার্ড নম্বর ২৭ ওমর বিন আব্দুল আজিজ, ওয়ার্ড নম্বর ২৮ মো. সালেহীন, ওয়ার্ড নম্বর ২৯ জাহাঙ্গীর আলম বাবুল, ওয়ার্ড নম্বর ৩০ মো. হাসান, ওয়ার্ড নম্বর ৩১ শেখ মোহাম্মদ আলমগীর, ওয়ার্ড নম্বর ৩২ মো. আব্দুল মান্নান, ওয়ার্ড নম্বর ৩৩ মো. আউয়াল হোসেন ওয়ার্ড নম্বর ৩৪ মীর সমীর, ওয়ার্ড নম্বর ৩৫ মো. আবু সাঈদ, ওয়ার্ড নম্বর ৩৬ রঞ্জন বিশ্বাস, ওয়ার্ড নম্বর ৩৭ মো. আব্দুর রহমান মিয়াজী, ওয়ার্ড নম্বর ৩৮ আহমেদ ইমতিয়াজ মন্নাফি, ওয়ার্ড নম্বর ৩৯ রোকন উদ্দিন আহমেদ, ওয়ার্ড নম্বর ৪০ আবুল কালাম আজাদ, ওয়ার্ড নম্বর ৪১ সারওয়ার হাসান আলো, ওয়ার্ড নম্বর ৪২ মোহাম্মদ সেলিম, ওয়ার্ড নম্বর ৪৩ মো. আরিফ হোসেন, ওয়ার্ড নম্বর ৪৪ মো. নিজাম উদ্দিন, ওয়ার্ড নম্বর ৪৫ হেলেন আক্তার, ওয়ার্ড নম্বর ৪৬ মো. শহিদ উল্লাহ, ওয়ার্ড নম্বর ৪৭ নাসির আহমেদ ভূঁইয়া, ওয়ার্ড নম্বর ৪৮ মো. আবুল কালাম, ওয়ার্ড নম্বর ৪৯ আবুল কালাম আজাদ, ওয়ার্ড নম্বর ৫০ মাসুম মোল্লা, ওয়ার্ড নম্বর ৫১ কাজী হাবিবুর রহমান হাবু, ওয়ার্ড নম্বর ৫২ মোহাম্মদ নাছিম মিয়া, ওয়ার্ড নম্বর ৫৩ মোহাম্মদ নুর হোসেন, ওয়ার্ড নম্বর ৫৪ মো. মাসুদ, ওয়ার্ড নম্বর ৫৫ মো. নুরে আলম, ওয়ার্ড নম্বর ৫৬ মোহাম্মদ হোসেন, ওয়ার্ড নম্বর ৫৭ মো. সাইদুল ইসলাম, ওয়ার্ড নম্বর ৫৮ মো. শফিকুর রহমান, ওয়ার্ড নম্বর ৫৯ আকাশ কুমার ভৌমিক, ওয়ার্ড নম্বর ৬০ মোহাম্মদ লুত্ফর রহমান রতন, ওয়ার্ড নম্বর ৬১ মো. শাহে আলম, ওয়ার্ড নম্বর ৬২ মোহাম্মদ মোস্তাক আহমেদ, ওয়ার্ড নম্বর ৬৩ মো. শফিকুল ইসলাম খান, ওয়ার্ড নম্বর ৬৪ মো. মাসুদুর রহমান মোল্লা, ওয়ার্ড নম্বর ৬৫ মো. শামসুদ্দিন ভূঁইয়া, ওয়ার্ড নম্বর ৬৬ মো. হানিফ তালুকদার, ওয়ার্ড নম্বর ৬৭ মো. ফিরোজ আলম, ওয়ার্ড নম্বর ৬৮ মাহমুদুল হাসান, ওয়ার্ড নম্বর ৬৯ মো. হাবিবুর রহমান হাসু, ওয়ার্ড নম্বর ৭০ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ওয়ার্ড নম্বর ৭১ মো. খাইরুজ্জামান, ওয়ার্ড নম্বর ৭২ শফিকুল ইসলাম শামিম, ওয়ার্ড নম্বর ৭৩ মো. শফিকুল ইসলাম, ওয়ার্ড নম্বর ৭৪ মো. ফজর আলী ও ওয়ার্ড নম্বর ৭৫ সৈয়দ মো.তোফাজ্জল হোসেন।

বিদ্রোহী ঠেকাতে নতুন কৌশল

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের সমর্থনপ্রত্যাশী ছিলেন ১ হাজার ২৯৩ জন। গড়ে প্রতি ওয়ার্ডে ১০ জন। সেখান থেকে দল সমর্থিত একক প্রার্থী গতকাল ঘোষণা করা হয়েছে। কাউন্সিলর পদে বিদ্রোহী ঠেকাতে এবার নতুন কৌশল নিয়েছে আওয়ামী লীগ। আগেভাগেই আওয়ামী লীগ সমর্থক কাউন্সিলর প্রার্থীদের কাছ থেকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের এক ফরমে স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হয়েছে। নির্বাচনী আইন অনুসারে মেয়র পদে রাজনৈতিক দলগুলো মনোনয়ন দিতে পারলেও কাউন্সিলর পদে পারে না। ফলে দলীয় সমর্থন না পেলেও অনেক ওয়ার্ডে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে এক দলের একাধিক নেতাকে প্রার্থী হতে দেখা যায়, যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে পরিচিতি পান।

সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর

পদে ৩০ নতুন মুখ

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৩টি সংরক্ষিত (নারী) ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে দল সমর্থিত একক প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। গতকাল রাতে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এবার এই পদে ৩০ জন নতুন মুখ এসেছেন। এর মধ্যে উত্তরে ১৭ জন ও দক্ষিণে ১৩ জন নতুন মুখ।

ঢাকা উত্তর সিটির ১৮টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক প্রার্থীরা হলেন : হাছিনা বারী চৌধুরী (১, ১৭ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ড), সালমা কালাম (২, ৩ ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড), সাহিদা আক্তার শীলা (৪, ১৫ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড), শিখা চক্রবর্তী (৬, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড), রাজিয়া সুলতানা ইতি (৯, ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ড), সামসুন নাহার (১২, ১৩ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ড), আমেনা বেগম রানু (১৯, ২০ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ড), মিতু আক্তার (২২, ২৩ ও ৩৬ নম্বর ওয়ার্ড), নাজমুন নাহার হেলেন (২৪, ২৫ ও ৩৫ নম্বর ওয়ার্ড), হামিদা আক্তার মিতা (২৬, ২৭ ও ২৮ নম্বর ওয়ার্ড), শাহিন আক্তার সাথী (২৯, ৩০ ও ৩২ নম্বর ওয়ার্ড), রোকসানা আলম (৩১, ৩৩ ও ৩৪ নম্বর ওয়ার্ড), মাহমুদা বেগম (৩৮, ৩৯ ও ৪০ নম্বর ওয়ার্ড), কামরুন নাহার (৩৭, ৪১ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ড), সোনিয়া সুলতানা হেনা (৪৩, ৪৪ ও ৪৫ নম্বর ওয়ার্ড), মিনারা সুলতানা (৪৬, ৪৭ ও ৪৮ নম্বর ওয়ার্ড), আবেদা আক্তার (৪৯, ৫০ ও ৫১ নম্বর ওয়ার্ড) ও কমলা রানী মুক্তা (৫২, ৫৩ ও ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড)।

ঢাকা দক্ষিণ সিটির ২৫টি সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত একক প্রার্থীরা হলেন :ফারজানা ইসলাম বিপ্লবী (২, ৩ ও ৪ নম্বর ওয়ার্ড), মাকসুদা শমশের (৫, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড), মিনু রহমান (৮, ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ড), ফারাহানা ইসলাম ডলি (১, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড), সৈয়দা রোখসানা ইসলাম চামেলী (১৩, ১৯ ও ২০ নম্বর ওয়ার্ড), নারগীস মাহতাব (১৬, ১৭ ও ২১ নম্বর ওয়ার্ড), শিরিন গাফফার (১৪, ১৫ ও ১৮ নম্বর ওয়ার্ড), নিলুফার রহমান (২২, ২৩ ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ড), সাবিনা পারভীন (২৪, ২৫ ও ২৯ নম্বর ওয়ার্ড), মোসা. সেলিমা বেগম (২৭, ২৮ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ড), লুনা হুমায়ন পারভীন (৩১, ৩২ ও ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড), শেফালী বাণী মল্লিক (৩৫, ৩৬ ও ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড), শাহিনুর বেগম (৩৪, ৩৮ ও ৪১ নম্বর ওয়ার্ড), লাভলী চৌধুরী (৩৯, ৪০ ও ৪৯ নম্বর ওয়ার্ড), নাজমা বেগম (৪৮, ৫০ ও ৫১ নম্বর ওয়ার্ড), নাসিমা আহমেদ (৪২, ৪৩ ও ৪৪ নম্বর ওয়ার্ড), সাথী আক্তার (৪৫, ৪৬ ও ৪৭ নম্বর ওয়ার্ড), জোহুরা জবা (৫২, ৫৩ ও ৫৪ নম্বর ওয়ার্ড), শেফালি আক্তার (৫৫, ৫৬ ও ৫৭ নম্বর ওয়ার্ড), মোসা. সাহিদা বেগম (৫৮, ৫৯ ও ৬০ নম্বর ওয়ার্ড), ফারহানা ইয়াসমিন কুয়াশা (৬১, ৬২ ও ৬৩ নম্বর ওয়ার্ড), মনিরা চৌধুরী (৬৪, ৬৫ ও ৬৬ নম্বর ওয়ার্ড), শাহনাজ বেগম (৬৭, ৬৮ ও ৬৯ নম্বর ওয়ার্ড), সেলিনা খান (৭০, ৭১ ও ৭২ নম্বর ওয়ার্ড) ও নাছরিন আহমেদ (৭৩, ৭৪ ও ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড)।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন