ঢাকা মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
২১ °সে


দলগুলোতে কাউন্সিলের প্রস্তুতি

২০-২১ ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের সম্মেলন, সপ্তম কাউন্সিলের তোড়জোড় বিএনপিতে, জাপার সম্মেলন ২৮ ডিসেম্বর, জেপির কাউন্সিল ৩০ নভেম্বর, বিভিন্ন উপকমিটির গঠন
দলগুলোতে কাউন্সিলের প্রস্তুতি

প্রধান ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোতে চলছে কাউন্সিলের প্রস্তুতি। জাতীয় কাউন্সিল সামনে রেখে তৃণমূলে দলের সম্মেলন ও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে তোড়জোড় শুরু হয়েছে দলগুলোতে। কাউন্সিলের মাধ্যমে ঘর গোছানোর লক্ষ্য ছাড়াও রয়েছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধন রক্ষার বিষয়টিও। মূলত নিবন্ধন রক্ষায় গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) শর্ত মানার বাধ্যবাধকতা থেকেই কাউন্সিল আয়োজনের এই প্রস্তুতি। ইসির নিবন্ধন শর্ত মোতাবেক নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্ধারিত মেয়াদ শেষে জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

জানা গেছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন হতে যাচ্ছে আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর। ক্যাসিনো, জুয়া, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এবং দলের ভেতরে চলমান শুদ্ধি অভিযানের মধ্যেই হতে যাওয়া সরকারি দলের এবারের কাউন্সিলের দিকে দলীয় নেতাকর্মী-সমর্থক ও রাজনৈতিক অঙ্গনের রয়েছে বিশেষ দৃষ্টি। তবে বরাবরের মতো এবারও কাউন্সিলের মূল আকর্ষণ থাকছে দলটির সাধারণ সম্পাদক পদ ঘিরে।

বিএনপি এখনো জাতীয় কাউন্সিলের তারিখ নির্ধারণ না করলেও দলের দায়িত্বশীল নেতারা জানিয়েছেন, ডিসেম্বর কিংবা এর পরপরই দলের সপ্তম কাউন্সিল অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে জেলে রেখেই কাউন্সিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে দলটি। কারাবন্দি খালেদা জিয়া ও লন্ডনে অবস্থানরত তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে হতে যাওয়া বিএনপির কাউন্সিলও এবার বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে দলের নেতাকর্মী-সমর্থকদের কাছে। জানা গেছে, খালেদা জিয়াকে কারামুক্ত করতে ও সরকারবিরোধী আন্দোলন কর্মসূচির পরিকল্পনাকে প্রাধান্য দিয়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে তরুণ নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি।

অন্যদিকে সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির (জাপা) এবারের কাউন্সিল অন্য রকম আবহে উপস্থিত হয়েছে দলের নেতাকর্মীদের সামনে। দলের প্রতিষ্ঠাতা এইচ এম এরশাদের মৃত্যুতে তার অনুপস্থিতিতে এই প্রথমবারের মতো আগামী ২৮ ডিসেম্বর কাউন্সিল করতে যাচ্ছে জাপা। জাতীয় পার্টি-জেপির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ৩০ নভেম্বর। সম্মেলনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এরই মধ্যে গঠন করা হয়েছে বেশ কয়েকটি উপকমিটি। এছাড়া নিবন্ধিত আরো কয়েকটি দল এ বছরের মধ্যেই দলের কাউন্সিল অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আওয়ামী লীগের কাউন্সিলের মূল আকর্ষণ সাধারণ সম্পাদক : উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলনের আগে ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে সারাদেশে জেলা, মহানগর ও উপজেলা কমিটি গঠন হবে। কমিটিগুলো থেকে নির্বাচিত কাউন্সিলরা জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব বেছে নেবেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে ছাড়া অন্য কাউকে সভানেত্রী পদে কাউন্সিলররা মেনে নেবেন না, এটা সর্বজনবিদিত। তবে সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদ ঘিরেই নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে থাকে মূল আকর্ষণ। আসন্ন কাউন্সিলেও এর ব্যতিক্রম ঘটছে না। কে হচ্ছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তা নিয়ে এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে নানা জল্পনা। সাধারণ সম্পাদক পদে ওবায়দুল কাদেরই থাকছেন নাকি নতুন কেউ আসছেন—এ নিয়েই এখন দলের ভেতরে আলোচনা চলছে।

৭৮টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে তিন বছরে মাত্র একটি জেলায় সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি হওয়ায় পদ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন দলের যুগ্ম ও সাংগঠনিক সম্পাদকরা। অন্য পদগুলোতে কে পদ হারাবেন, কে পদোন্নতি পাবেন, আবার নতুন কে কে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে আসছেন—এসব নিয়ে সারাদেশেই আলোচনা, গুঞ্জনের কমতি নেই। সম্মেলন সামনে রেখে সারাদেশেই দলটির মধ্যে একদিকে যেমন ব্যাপক উত্সাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে, তেমনি পদপ্রত্যাশী ও পদে থাকা নেতাদের টেনশনের পারদও ততই যেন উঠছে। সবাই তাকিয়ে আছেন দলটির সভানেত্রী শেখ হাসিনার দিকে।

জানা গেছে, কেন্দ্রীয় অনেক নেতার বিরুদ্ধে একাধিক গোয়েন্দা রিপোর্ট শেখ হাসিনার কাছে রয়েছে। সবার আমলনামা পর্যবেক্ষণ করছেন প্রধানমন্ত্রী। অনেকের বিরুদ্ধে প্রমাণ পেলেও কঠোর ভাষায় কাউকে কিছু বলছেন না। মাত্রাতিরিক্ত বিতর্কিতদের আগামী জাতীয় সম্মেলনে তিনি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর নতুন যাদের নিয়ে আসবেন তাদের ব্যাপারেও গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। জাতীয় সম্মেলনে যতটুকু সম্ভব দলকে সরকার থেকে পৃথক করার চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সম্প্রতি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, ‘আমাদের পার্টির সভানেত্রী শেখ হাসিনা। নেত্রীর ইচ্ছার বাইরে আসলে কিছু হয় না। নেত্রী জেনারেল সেক্রেটারি হিসেবে যাকেই চয়েজ করেন আওয়ামী লীগের কর্মী-কাউন্সিলররা সবাই তার প্রতি ঝুঁকে পড়েন। আরেকবার আমি থাকব কি না এটা নির্ভর করে নেত্রীর ওপর। তিনি নতুন কিছুও ভাবতে পারেন। নতুন মুখও চাইতে পারেন। তিনি যদি বলেন থাকতে, থাকব। তিনি যদি বলেন দায়িত্বের পরিবর্তন হবে, আমার কোনো আপত্তি নেই। তবে এই পদে যে-ই আসুক, আমি তাকে স্বাগত জানাই।’

আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল নেতারা মনে করছেন, এবার দলের মধ্যে বড়ো ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে দলীয় সভানেত্রীর কঠোর মনোভাবের কারণে অনেকে মনে করছেন, এবার শুধু জেলা উপজেলা নয়, কেন্দ্রীয় কমিটিতেও বড়ো ধরনের পরিবর্তন আনতে পারেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনাকে আহ্বায়ক ও সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে সদস্য সচিব এবং কেন্দ্রীয় সব নেতাকে সদস্য করে জাতীয় সম্মেলনের কমিটি গঠন করা হয়। সম্মেলন সম্পন্ন করতে ১১টি উপকমিটি গঠনের কাজ চলছে। এসব উপকমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব পর্যায়ক্রমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবেন। সম্মেলনকে জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে বড়ো রকমের পরিকল্পনা করেছেন দলটির নেতারা।

খালেদা জিয়াকে ছাড়াই বিএনপির কাউন্সিল :দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখেই সপ্তম জাতীয় কাউন্সিলের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা দলের জাতীয় কাউন্সিলের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ইতিমধ্যে আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম, পুনর্গঠনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে জেলা ও অঙ্গসংগঠনগুলোতে। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ সর্বশেষ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে চলতি বছরের মার্চে।

প্রতিষ্ঠার ৪০ বছরের মধ্যে প্রায় ৩৬ বছর ধরে বিএনপির সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বে রয়েছেন বর্তমান চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। কিন্তু দুর্নীতি মামলায় সাজা হওয়ায় গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে তিনি কারাগারে। তার অনুপস্থিতিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান হাল ধরলেও গত এক বছরে দলের রাজনৈতিক অর্জন নিয়ে জনমনে প্রশ্ন আছে। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি পুনর্গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় কাউন্সিল আয়োজনের দাবি উঠেছে দলের ভেতর থেকেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও কৌশলগত কারণে, বিশেষ করে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের অনুপস্থিতিতে ঠিক কবে কাউন্সিল করা সম্ভব হবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না দলের নেতারা।

এরশাদবিহীন জাপার প্রথম সম্মেলন :গত ১৪ জুলাই এইচএম এরশাদের মৃত্যুর পর জাপার প্রথম সম্মেলন হতে যাচ্ছে আগামী ২৮ ডিসেম্বর। এরশাদের অবর্তমানে কাউন্সিলকে সামনে রেখে জাপায় আবারও অভ্যন্তরীণ সংকটের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। দলের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব পদ ঘিরে নতুন করে সংকট দেখা দিতে পারে দলটিতে। জানা গেছে, দলের চেয়ারম্যান পদ ঘিরে দলটির ভেতরে সম্প্রতি সৃষ্ট দ্বন্দ্ব নিরসনে রওশন এরশাদ ও জি এম কাদেরকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা দুটি বলয়ের মধ্যে সমঝোতা হলেও কাউন্সিলের আগে আগে তা ভেস্তে যেতে পারে। সমঝোতার সময়ই রওশনপন্থিরা বলেছিলেন, কাউন্সিল পর্যন্ত জি এম কাদের দলের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

রওশন এরশাদ ও জি এম কাদের বলয়ের একাধিক দায়িত্বশীল নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রওশনপন্থিরা কাউন্সিলে রওশনকে দলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করার চেষ্টা করবেন। একই সঙ্গে চেয়ারম্যানের বদলে জি এম কাদেরকে সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান ও রওশনপুত্র সাদ এরশাদকে কো-চেয়ারম্যান করার কথা ভাবছেন রওশনের অনুসারীরা। তবে জি এম কাদেরকেই চেয়ারম্যান হিসেবে রাখতে এখন থেকেই তত্পর তার অনুসারী নেতা-কর্মীরা। অন্যদিকে দলের বর্তমান মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাকে স্বপদে রাখা না রাখা নিয়েও দলে একাধিক মত রয়েছে। কাউন্সিলের মাধ্যমে এই পদে পরিবর্তন আসতে পারে বলে রওশন ও কাদের উভয় বলয় থেকেই শোনা যাচ্ছে।

জেপির কাউন্সিল ৩০ নভেম্বর: জাতীয় পার্টি-জেপির ত্রিবার্ষিক কাউন্সিল আগামী ৩০ নভেম্বর শনিবার রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ-আইইবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে বলে গতকাল বৃহস্পতিবার দলের প্রেসিডিয়ামের এক সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে। রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এই প্রেসিডিয়াম সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টি-জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় যে, যেসব জেলায় দলের কাউন্সিল হয়নি, সেগুলোতে আগামী ২০ নভেম্বরের মধ্যে কাউন্সিল করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে আনোয়ার হোসেন মঞ্জু বলেন, ‘১৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে জেপি টিকে রয়েছে—এটা কম কথা নয়। নীতি-আদর্শের ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া জেপি সবসময়ই গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার পক্ষে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’

কয়েকটি উপকমিটি ও নির্বাচন কমিশন গঠন : জেপির নির্বাহী সম্পাদক সাদেক সিদ্দিকীকে আহ্বায়ক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য নাজমুন্নাহার বেবীকে সদস্য করে অভ্যর্থনা উপপরিষদ; প্রেসিডিয়াম সদস্য এজাজ আহমেদ মুক্তাকে আহ্বায়ক ও রুহুল আমিন এবং বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা) আবুল হোসেনকে সদস্য করে খাদ্য উপকমিটি, প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ সালাহ উদ্দিন মাহমুদকে আহ্বায়ক ও সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল খায়ের সিদ্দিকী আবুকে সদস্য করে প্রচার ও প্রকাশনা উপকমিটি, প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহিমকে আহ্বায়ক ও মফিজুল হক বেবুকে সদস্য করে অর্থ কমিটি, প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহিমকে আহ্বায়ক এবং প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ সালাহ উদ্দিন মাহমুদ ও আবু সাঈদ খান এবং নির্বাহী সম্পাদক সাদেক সিদ্দিকীকে সদস্য করে গঠনতন্ত্র সাবকমিটি, প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহিমকে আহ্বায়ক, শাহ মো. রফিকুল বারী চৌধুরী এবং কর্নেল (অব.) আবদুল লতিফ মল্লিককে সদস্য করে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়েছে। দলের চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক পদাধিকার বলে সব উপকমিটির সদস্য থাকবেন। দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় উপকমিটিসমূহকে পূর্ণাঙ্গ করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

জেপির প্রেসিডিয়াম সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন। আলোচনায় অংশ নেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য এ এইচ সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, মফিজুল হক বেবু, আবু সাঈদ খান, এজাজ আহমেদ মুক্তা, রুহুল আমিন, নাজমুন্নাহার বেবী, নির্বাহী সম্পাদক সাদেক সিদ্দিকী প্রমুখ।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৯ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন