আজকের পত্রিকা
ঢাকা সোমবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮সানোফি বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র
ইত্তেফাক রিপোর্ট
বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্স ভিত্তিক বিখ্যাত ওষুধ কোম্পানি সানোফি চলে যাওয়ার পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ কেমিক্যাল এনার্জি অ্যান্ড এলাইড ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট কুতুব উদ্দিন। তিনি বলেন, এর আগে আমাদের দেশ থেকে জার্মান ভিত্তিক ওষুধ কোম্পানি গ্ল্যাক্সো চলে গেছে। এবার সানোফি চলে যাচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র। গতকাল রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে সানোফি বাংলাদেশ লি. ওয়ার্কার্স-এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।
ওয়ার্কার্স রিসোর্স সেন্টারের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন বলেন, সানোফি বাংলাদেশে যে বিনিয়োগ করেছিল, তা এফডিআই। দীর্ঘ ৬৩ বছর ধরে তারা এদেশে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানের ওষুধ তৈরি করে আসছিল। এ কোম্পানি সব সময়ই লাভজনক। এখনো লাভজনক। তাদের চলে যাওয়ার কোনো কারণই নেই। কিন্তু তারা বাংলাদেশ থেকে চলে যাচ্ছে খোঁড়া যুক্তিতে। এদের ঠেকানোর দায়িত্ব সরকারের।
এদিকে এ বিষয়ে সানোফির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিষয়টি সাব জুডিস বা বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছে; তাই, আমরা এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে পারছি না। দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে সানোফি এর কর্মীদের স্বার্থ ও কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিবেচনা করে। গত জানুয়ারিতে, যখন সানোফি, সানোফি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সানোফি বাংলাদেশ) সকল শেয়ার বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের (বেক্সিমকো ফার্মা) কাছে বিক্রির সদিচ্ছা প্রকাশ করে, তখন আমরা ব্যাখ্যা করে জানিয়েছিলাম শেয়ার হস্তান্তরের পর, সানোফি বাংলাদেশ একটি পৃথক আইনি সত্ত্বা হিসেবে বিদ্যমান থাকবে। এবং আগেও প্রযোজ্য ছিল এমন নিয়ম ও শর্তাবলীর সাপেক্ষে সানোফি বাংলাদেশের কর্মীরা সেখানে তাদের চাকরি অব্যাহত রাখতে পারবেন। আমরা আবারও জানাচ্ছি যে, ব্যবসায়ের ক্রমবর্ধমান প্রকৃতিকে অব্যাহত রাখার জন্যই বেক্সিমকো ফার্মাকে নির্বাচিত করা হয়েছে, যাতে দেশজুড়ে আরো অধিক সংখ্যক রোগী সানোফির পণ্য ব্যবহার করতে পারেন।

