ঢাকা শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৬
২১ °সে

চট্টগ্রামে হবে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

মিলেছে সিডিএ ছাড়পত্র, অপেক্ষা স্থাপত্য বিভাগের মতামতের
চট্টগ্রামে হবে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

চট্টগ্রামে নির্মিত হবে ২০০ শয্যার বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ৩০ কোটি টাকার এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। ইতিমধ্যে প্রকল্পে জমির বিষয়ে সিডিএর (চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ) অনুমতি মিলেছে। যদিও প্রত্যাশিত দুই একরের স্থলে কাটছাঁট করে দেড় একর জমিতে হাসপাতাল স্থাপনের ছাড়পত্র দিয়েছে সিডিএ। ছাড়পত্র পাওয়ার পর হাসপাতাল স্থাপনের বিষয়ে স্থাপত্য বিভাগের কাছে চিঠি দিয়ে মতামত চেয়েছে সিভিল সার্জন কার্যালয় ও গণপূর্ত বিভাগ।

গণপূর্ত বিভাগ-১ (চট্টগ্রাম) এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ শাহজাহান এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ছাড়পত্র পাওয়া ঐ জমিতে হাসপাতালটি স্থাপন সম্ভব কি না, সম্ভব হলে নকশা প্রণয়নসহ সার্বিক মতামত চেয়ে স্থাপত্য বিভাগে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তাদের মতামত পেলে পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামে ২০০ শয্যার একটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল স্থাপনে ২০১৭ সালের মে মাসে প্রশাসনিক অনুমোদন দেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুবিভাগ। ফিজিক্যাল ফ্যাসিলিটিজ ডেভেলপমেন্ট (পিএফডি) শীর্ষক অপারেশন প্ল্যানের আওতায় এ হাসপাতাল স্থাপনে ৩০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরপর প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণের জন্য চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও সিভিল সার্জনকে চিঠি দেয় মন্ত্রণালয়ের নির্মাণ অধিশাখা। এর প্রায় দেড় বছর পর ২০১৮ সালের শেষ দিকে বাকলিয়া মৌজায় দুই একর জমি চিহ্নিত করে জেলা প্রশাসন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে ঐ জায়গায় হাসপাতাল স্থাপনে সম্মতি দেওয়ার পর সিডিএর অনুমোদনের জন্য চিঠি দিয়েছিল চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়।

এরপর গত ৬ নভেম্বর নগর পরিকল্পনাবিদ-২ মো. আবু ঈসা আনছারী স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে চিহ্নিত জমি ব্যবহারের (অধিগ্রহণের) ক্ষেত্রে অনাপত্তির কথা জানায় সিডিএ। যদিও প্রস্তাবিত জমির কিছু অংশ বাদ দিয়ে অধিগ্রহণের পক্ষে ছাড়পত্র দেয় সংস্থাটি। সিডিএর অনাপত্তি সংক্রান্ত এ চিঠি পাওয়ার পর ৭ নভেম্বর গণপূর্ত বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলীকে চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি অবহিত করে সিভিল সার্জন কার্যালয়। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ঐ চিঠির প্রেক্ষিতে প্রস্তাবিত ঐ জমিতে হাসপাতাল স্থাপন সংক্রান্ত মতামত চেয়ে স্থাপত্য বিভাগকে চিঠি দিয়েছে গণপূর্ত বিভাগ।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি এ বিষয়ে জানিয়েছেন, স্থাপত্য বিভাগের মতামত জানার পর হাসপাতাল স্থাপনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে অগ্রসর হতে পারবে। ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময় ধরা হয়েছে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন