ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪ ফাল্গুন ১৪২৬
২১ °সে

শেষ হলো ‘সৈকত সাংস্কৃতিক উত্সব’

শেষ হলো ‘সৈকত সাংস্কৃতিক উত্সব’
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে গতকাল সৈকত সাংস্কৃতিক উত্সবের শেষ দিনে নৃত্য পরিবেশন করে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমির নৃত্য দল—ইত্তেফাক

পর্যটন শহর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ‘সৈকত সাংস্কৃতিক উত্সব ২০২০’-এ গতকাল সমাপনী দিনেও মানুষের ঢল নেমেছিল। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় গত শুক্রবার থেকে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্টে শুরু হয়েছে এ উত্সব। শেষ দিনের বিশেষ আকর্ষণ ছিল প্রয়াত ফিরোজ সাঁই প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম ব্যান্ডদল স্পন্দনের পরিবেশনায় ব্যান্ড সংগীত। ফিরোজ সাঁইয়ের তিন সন্তান এখন ব্যান্ড দলকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পাঁচ শতাধিক শিল্পী অংশগ্রহণ করেছেন।

শনিবার দিনের আয়োজন শুরু হয় অ্যাক্রোবেটিক শিল্পীদের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে। একাডেমির অ্যাক্রোবেটিক শিল্পীরা পরিবেশন করে পাইপ ব্যালেন্স, দিয়াবো ব্যালেন্স, রোপ রাউন্ড, রোলার বালেন্স, মার্শাল আর্ট, হাই সাইকেল ও রিং ডান্স। সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে কক্সবাজার জেলা শিল্পকলা একাডেমি, চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমি। ‘দুঃখিনী বাংলা, জননী বাংলা’, ‘মঙ্গল হোক এই শতকে’ ও ‘বুকের ভিতর আকাশ’ গানটির সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীরা। একক সংগীত পরিবেশন করেন একাডেমির সংগীত শিল্পী সুচিত্রা, সেতু ও রূপসা। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল চট্টগ্রামের মাইজভাণ্ডারি গান। বান্দরবানের পাঁচটি সম্প্রদায়ের নৃত্য পরিবেশিত হয়। পাংখুয়া সম্প্রদায়ের পুষ্পনৃত্য, খেয়াং সম্প্রদায়ের মাছ ধরা নৃত্য, তনচঙ্গা সম্প্রদায়ের যুগলনৃত্য, লুসাই সম্প্রদায়ের জীবনধারা নৃত্য এবং চাক সম্প্রদায়ের জুম নৃত্য পরিবেশিত হয়। স্পন্দন তার ব্যান্ড পরিবেশনা শুরু করে ‘জয় বাংলা, বাংলার জয়’ গান দিয়ে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন