ঢাকা সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ১৬ চৈত্র ১৪২৬
৩৫ °সে

বইমেলাকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হোক

বইমেলাকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হোক

এবারের অমর একুশে গ্রন্থমেলামুখী পরিবারের জোয়ার দেখে মুগ্ধ আমি। বিস্তৃত পরিসরে, সুন্দর পরিবেশে মেলার আয়োজনের জন্য কর্তৃপক্ষেকে ধন্যবাদ জানাতেই হয়। তবে নম্বরভিত্তিক স্টল-বিন্যাসে আরো পরিকল্পনার ছাপ থাকার প্রয়োজন ছিল। আশা করি, সামনের বছরগুলোতে বিষয়টির প্রতি নজর দেবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

স্বাধীনতা স্তম্ভের পাশের সরোবরের ব্যারিকেড খুলে দেওয়ায় পুরো বইমেলার চিত্র বদলে গেছে। শিশু-কিশোরেরা সহজে জানতে পারছে এ স্তম্ভের পেছনের মূলকথা। এটা একটা বাড়তি পাওয়া। ভাবতে অবাক লাগে, বাংলা একাডেমির সংকীর্ণ জায়গায় কীভাবে এত মানুষের ঢল সামাল দিত! নব্বইয়ের দশকেও একই গেট দিয়ে মানুষ ঢুকত, বের হতো। ভয়াবহ সব ঘটনা ঘটত। বিশেষ করে মেয়েরা নিপীড়নের শিকার হতো। অনেকে মুঠোফোনসহ নানা জিনিস হারিয়ে ফেলতেন। আমার নতুন কেনা ফোনসেট খুইয়ে একবার খুব মুষড়ে পড়েছিলাম। এখন মনে হয়, সেই সময়েই বইমেলার আলাদা একটা আবহ ছিল, যা সত্যিই আনন্দের। ঐ সংকীর্ণ পরিসরে বইও বিক্রি হতো প্রচুর। এ সময়ের সঙ্গে সেই সময়ের তুলনা চলে না। তবু বলা যায়, সেই সময়েই বোধ হয় আনন্দ বেশি পেতাম বই বিক্রি বেশি হওয়ার কারণে।

আমি মনে করি, মেলার স্টলগুলো সার্কুলার করে সাজাতে পারলে প্রত্যেক প্রকাশক সমানভাবে উপকৃত হতো। বইয়ের এ মেলা প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে রাত ৯টা-১০টা পর্যন্ত চললে সুবিধা বেশি। তার জন্য দরকার পূর্বপ্রস্তুতি, পরিকল্পনা, বাজেট বাড়ানো ও অতিরিক্ত কর্মিবাহিনী নিয়োগ। মেলাকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতেও আমাদের উদ্যোগী হওয়ার সময় এসেছে। ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে মেলাকে পুরো দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
৩০ মার্চ, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন