ঢাকা সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০, ১৬ চৈত্র ১৪২৬
৩৫ °সে

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি

গুচ্ছ পদ্ধতিতে চার ধাপে পরীক্ষা

ঢাবি, জাবি, রাবি, চবি, বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা আগের মতোই
গুচ্ছ পদ্ধতিতে চার ধাপে পরীক্ষা

দেশের সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। এর পরিবর্তে একই ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে চারটি গুচ্ছে ভাগ করে এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। সাতটি কৃষিপ্রধান বিশ্ববিদ্যালয় মিলে একটি, ১১টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মিলে একটি, তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মিলে একটি এবং ৯টি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় মিলে একটি গুচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তিনটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় ও টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় কোন গ্রুপে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেবে তা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় সিদ্ধান্ত নেবে। এ ভর্তি প্রক্রিয়ায় দেশের ৩৪টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশগ্রহণ করবে। আগে দেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ভর্তির জন্য সবমিলিয়ে ৩৯টি পরীক্ষা হতো। গতকাল বুধবার বিকেলে এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। চলতি বছর থেকেই এই পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। সভায় ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, ২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণের মনোনীত প্রতিনিধি এবং ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম এবং প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর উপস্থিত ছিলেন। সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা উপস্থিত ছিলেন না। ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও বুয়েট— এই পাঁচটি বড়ো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আগেই সাফ জানিয়ে দিয়েছিল যে সমন্বিত বা কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষায় তারা অংশ নেবে না। এমন প্রেক্ষাপটে অনেকটা বাধ্য হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করেছে। এর আগে গত মাসে কমিশন জানিয়েছিল যে চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকে বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে একসঙ্গে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে।

ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, অনেকে গুচ্ছ পদ্ধতিকে সাধুবাদ জানালেও তাদের অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে যুক্ত হতে পারছে না বলে জানিয়েছে। তবে আমাদের দরজা খোলা থাকবে। কেউ এতে যুক্ত হতে চাইলে তাদের নেওয়া হবে। সভায় জানানো হয়, এই পরীক্ষার মাধ্যমেই একজন শিক্ষার্থী শাখা পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন। অর্থাত্ বিজ্ঞানের একজন শিক্ষার্থী চাইলে মানবিকের কোনো বিষয়েও ভর্তির সুযোগ পাবেন। আগামী মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে এই ভর্তি পরীক্ষার খুঁটিনাটি বিষয়গুলো চূড়ান্ত করা হবে। ইউজিসি চেয়ারম্যান আরো বলেন, ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগমের নেতৃত্বে পরীক্ষা বিষয়ক টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হবে। এ কমিটি ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের জন্য লিড বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারণ করবে। ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতিসহ নানা বিষয়ে কাজ করবে।

ইউজিসির সদস্য মো. আলামগীর বলেন, মার্চের প্রথম সপ্তাহে আবারো বৈঠক করে এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হবে। তারা উপকমিটি তৈরি করে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজন, প্রশ্ন পদ্ধতি প্রণয়ন, ফলাফল প্রকাশসহ সকল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
৩০ মার্চ, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন