ঢাকা মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬
৩১ °সে


সুবর্ণচরের আলোচিত গণধর্ষণ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

সুবর্ণচরের আলোচিত গণধর্ষণ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু

জেলার সুবর্ণচর উপজেলার বহুল আলোচিত চার সন্তানের জননীকে গণধর্ষণ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শুরু হয়েছে। গতকাল বুধবার নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক জেলা জজ মোহাম্মদ সামস্উদ্দিন খালেদের আদালত ধর্ষণের শিকার ঐ নারীর স্বামী ও মামলার বাদী সিরাজুল ইসলামের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন করে। এ সময় আসামির কাঠগড়ায় ধর্ষণের ঘটনার প্রধান ইন্ধনদাতা বহিষ্কৃত আওয়ামী লীগ নেতা রুহুল আমিনসহ গ্রেফতারকৃত ১৪ আসামি উপস্থিত ছিল।

সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরাকালে বাদী গত ৩০ ডিসেম্বর দিবাগত রাতের পুরো ঘটনার বর্ণনা দেন। বাদী উল্লেখ করেন, রাতের খাবার খেয়ে স্বামী-স্ত্রী ও চার ছেলে-মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে আসামিদের একজন ঘরের দরজায় এসে তার নাম ধরে ডাকাডাকি করলে ঘুম থেকে উঠে তার স্ত্রী ঘরের দরজা খুলে দেয়। এ সময় আসামিরা সবাই ঘরে ঢুকে পড়ে এবং কয়েক জন মিলে তাকে ও ছেলেমেয়েদের বেঁধে ফেলে। আরো কয়েক জন তার স্ত্রীকে জোর করে টেনে-হেঁচড়ে ঘর থেকে বের করে নিয়ে যায়। সেখানে তারা পালাক্রমে তার স্ত্রীকে ধর্ষণ এবং মারধর করে আহত করেন। পরে তিনি স্ত্রীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং পরদিন সদর হাসপাতালে ভর্তি করান।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে আইজীবী ছিলেন মামুনুর রশীদ লাভলু। তাকে সহায়তা করেন সিনিয়র আইনজীবী মোল্লা হাবিবুর রছুল মামুন, আব্দুর রহমান, রবিউল হাসান পলাশ প্রমুখ। আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন হারুনুর রশীদ হাওলাদার, আবুল হোসেন রাজু, বোরহান উদ্দিন মোহন ও আলী হোসেন রানা।

গত বছর ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রাতে স্বামী-সন্তানদের বেঁধে ঐ নারীকে মারধর ও গণধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় তদন্ত শেষে মার্চে ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। একই আদালত প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯ এর ৩ ধারায় গত ১৯ সেপ্টেম্বর চার্জ গঠন করে। এ মামলায় ১৬ আসামির মধ্যে ১৪ জন কারাগারে, অন্য দুই জন পলাতক রয়েছে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২২ অক্টোবর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন