ঢাকা শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬
৩৪ °সে


লাইসেন্সবিহীন ওষুধের দোকানে সয়লাব আশুলিয়া

লাইসেন্সবিহীন ওষুধের  দোকানে সয়লাব  আশুলিয়া

আশুলিয়া থানা সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বাজার, জনপদে গড়ে উঠেছে শত শত ওষুধের দোকান। রাস্তার পাশে কিংবা অলিগলির মোড়ে গড়ে ওঠা এসব দোকানের অধিকাংশেরই নেই ড্রাগ লাইসেন্স ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন। এমনকি ওষুধের ব্যবসার আড়ালে অনেক ফার্মেসিতে নেশার নিষিদ্ধ ট্যাবলেট, সিরাপ বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে। অনেক ফার্মেসিতে পর্দার আড়ালে ছোট কক্ষে বসে রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করছেন দোকানদার নিজেই। নিরীহ দরিদ্র ও অজ্ঞ মানুষদের বিশ্বাস ও আস্থাকে পুঁজি করে তাদের সাথে দীর্ঘদিন যাবত্ প্রতারণা করে আসছে এসব অর্থলোভী দোকানদারেরা।

আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলটি বিভিন্ন কারখানা ও শ্রমিক অধ্যুষিত হওয়ায় এখানে লাখ লাখ ভাসমান লোকের বসবাস। কল-কারখানায় কাজ করার ফলে তাদের স্বাস্থ্য ঝুঁকিও বেশি। প্রায়ই বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েন তারা। আর অসুস্থ হলেই আর্থিক সঙ্গতির অভাবে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সকের কাছে না গিয়ে প্রথমেই তারা ছুটে যান স্থানীয় এসব ওষুধের দোকান ও হাতুড়ে ডাক্তারদের কাছে। ওই সমস্ত ওষুধের দোকানিরা রোগীদের সমস্যা শুনে আন্দাজের ওপর ভিত্তি করে দিয়ে থাকে ওষুধ। এতে প্রায়ই রোগীরা সুস্থ হওয়ার পরিবর্তে আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

আশুলিয়া থানার ইয়ারপুর, ধামসোনা, শিমুলিয়া, পাথালিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার ওষুধের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, দোকান মালিকরা নিজেরাই ডাক্তার সেজে রোগীদের ব্যবস্থাপত্র দিচ্ছে, আবার ওষুধও বিক্রি করছে। ওষুধের মূল্য সম্পর্কে সাধারণ মানুষের সঠিক ধারণা না থাকায় তারা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ওষুধ বিক্রি করছে।

গ্রামের লোকজনের সরলতার সুযোগে কিছু মুনাফালোভী অসাধু ব্যবসায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ ও সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ওষুধ দেদার বিক্রি করছে। ফলে এসব ওষুধ সেবন করে রোগ মুক্তির বদলে রোগী আরো অসুস্থ হয়ে পড়ছে। অপর দিকে, ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ঘুমের ওষুধ কিংবা নিষিদ্ধ নেশার ট্যাবলেট ও সিরাপ বিক্রি হচ্ছে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৯ জুলাই, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন