ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯, ৩০ কার্তিক ১৪২৬
২৫ °সে


এসএসসি পরীক্ষার ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং

এসএসসি পরীক্ষার ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং

নির্মল ইন্দু সরকার, প্রভাষক

সেন্ট গ্রেগরী হাই স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা

২০২০ সালের প্রিয় এসএসসি পরীক্ষার্থীবৃন্দ, তোমাদের জন্য ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিষয়ের ওপর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তরসহ আলোচনা করা হলো। মনোযোগ দিয়ে দেখো।

১। জনাব সফিক একটি কোম্পানির শেয়ারে কিছু টাকা বিনিয়োগ করলেন। কোম্পানিটি প্রতিবছর ভালই মুনাফা অর্জন করে। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কোম্পানিটি এই বছর পর্যাপ্ত

মুনাফা অর্জন করতে পারেনি। যার ফলে শেয়ারহোল্ডাররা তাদের কাঙ্খিত মুনাফা লাভে ব্যর্থ হয়। শেয়ার হোল্ডাররা যাতে নিয়মিত লভ্যাংশ পায়

এজন্য কোম্পানি পূর্বেই পদক্ষেপ নিয়েছিল।

ক. অর্থ আদান-প্রদানের দ্রুততম ও সরল প্রক্রিয়া কোনটি?

খ. বহিস্থ তহবিল বলতে কী বোঝায়?

গ. শেয়ারহোল্ডারদের নিয়মিত লভ্যাংশ প্রদানের জন্য কোম্পানি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. “জনাব সফিকের কোম্পানির উচিত অর্জিত মুনাফার সবটাই শেয়ার মালিকদের মধ্যে বণ্টন করা”। তুমি কি এই বক্তব্যের সাথে একমত? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।

ক. অর্থ আদান-প্রদানের সবচেয়ে দ্রুততম ও সরল প্রক্রিয়া হলো স্বল্পমেয়াদি প্রক্রিয়া।

খ. ব্যবসায়ের বাইরের কোনো উত্স থেকে অর্থসংস্থান করা হলে তাকে বহিস্থ তহবিল বলে।

যেকোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তহবিলের দুটি ভিন্ন উত্স থাকে। একটি মালিকপক্ষ অন্যটি ঋণদাতা, আর ঋণদাতা প্রদত্ত তহবিলকে বহিস্থ তহবিল বলা হয়। মেয়াদের ভিত্তিতে বহিস্থ তহবিলের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উত্স হচ্ছে স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি উত্স।

গ. উদ্দীপকের কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের নিয়মিত লভ্যাংশ প্রদানের জন্য লভ্যাংশ সমতাকরণ তহবিল গঠন করেছিল। কোনো কোম্পানি প্রতিবছরই শেয়ারহোল্ডারদের লভাংশ প্রদান করতে পারে না বা লভ্যাংশ প্রদান করলেও একই হারে লভ্যাংশ প্রদান করতে পারে না, তাই প্রতি বছর সামঞ্জস্যপূর্ণ লভ্যাংশ প্রদানের লক্ষ্যে মুনাফার একটি অংশ নিয়ে যে তহবিল গঠন করা হয় তাকে লভ্যাংশ সমতাকরণ তহবিল বলে। উদ্দীপকের সফিক সাহেব যে কোম্পানির শেয়ার ক্রয় করেছিলেন সেই কোম্পানিটি বিগত বছর গুলোতে ভালোই মুনাফা অর্জন করে আসছিল।

যার দরুন শেয়ার হোল্ডাররাও নিয়মিত লভ্যাংশ পেয়ে আসছিল। কিন্তু ২০১৩ সালে কোম্পানিটি ভালো মুনাফা অর্জন করতে পারেনি। তাই ২০১৩ সালে শেয়ার হোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদানের ব্যাপারে সংশয় ছিল। কোম্পানির শেয়ার হোল্ডাররা কোম্পানি থেকে সাধারণত নিয়মিতভাবে লভ্যাংশ প্রত্যাশা করে। এই লভ্যাংশ প্রদানের সাথে কোম্পানির সুনাম জড়িত। কোনো বছর মুনাফার পরিমাণ কম হলে সে বছর লভ্যাংশ ঘোষণা করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় কোম্পানির সুনামকে ক্ষুন্ন করতে পারে বলে উদ্দীপকের প্রতিষ্ঠানটি বিগত দিনের যে বছরগুলোতে মুনাফা বেশি হয়েছিল সে বছরগুলোর নিট মুনাফার একটা অংশ আলাদা তহবিলে সরিয়ে রেখেছিল যাতে পরবর্তীতে যখন মুনাফা কম হবে তখন শেয়ারহোল্ডারদের মুনাফা প্রদান করতে পারে। এই তহবিলকেই লভ্যাংশ সমতাকরণ তহবিল বলা হয়।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৪ নভেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন