ঢাকা রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬
২৮ °সে


যা কিছু প্রথম

যা কিছু প্রথম

যোগাযোগ: বাংলার প্রথম বিমান চলাচল

বাংলার প্রথম বিমান চলাচল শুরু হয় সামরিক কাজে। বৃটিশ রয়েল এয়ার ফোর্সের প্রয়োজনে ঢাকার তেজগাঁয়ে প্রথম বিমান বন্দর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ঠাকুরগাঁ, কুমিল্লা, সিলেট, চট্টগ্রামে কয়েকটি বিমানবন্দর যুদ্ধের প্রয়োজনে তৈরি করা হয়েছিল। তবে বেসামরিক বা বাণিজ্যিক কাজে বিমান পরিবহন ব্যবস্থা ইংরেজ সরকার এদেশে নির্মাণ করেনি। ১৯৪৭ সালে বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিমান চলাচলের সূচনা হয়। ইস্পাহানীদের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৭ সালে ওরিয়েন্ট এয়ার লাইনের উদ্যোগে চারটি রুটে বিমান যাতায়াত সেবা চালু হয়। রুট চারটি হলো-ঢাকা-চট্টগ্রাম ঢাকা-কলকাতা, ঢাকা-লাহোর এবং ঢাকা-করাচি। ১৯৫০ সালে পাকিস্তানের সরকারি বিমান সংস্থা পিআইএ একে সরকারি আয়ত্তে নিয়ে আসে। ১৯৭২ সালে পিআইএ-র সম্পদ নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ১৯৭২ সালের ৪ জানুয়ারি ডিসি-৩ বিমান নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়েছিলো।

মোটরগাড়ি

কোন ইংরেজ সাহেব বা স্থানীয় কোন বড় জমিদার বাংলাদেশে প্রথম মোটরগাড়ি আমদানি করেছিলো। তবে জানামতে বঙ্গভঙ্গের আগেই ঢাকার নবাব পরিবার প্রথম এদেশে মোটরগাড়ি এনেছিলো। ১৯০৪ সালে ভারতবর্ষের ইংরেজ গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় লর্ড কার্জন এর ঢাকায় আগমন উপলক্ষ্যে নবাব স্যার সলিমুল্লাহ কয়েকটি মোটরগাড়ি কিনেছিলেন। এদের মধ্যে ছিলো বেলজিয়ামে তৈরি ১৯০২ মডেলের ডিক্যাম্পস টোনিও মোটরগাড়ি।

রেলপথ

ভারতবর্ষে বৃটিশ সাম্রাজ্যের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থেই বৃটিশ সরকার এ অঞ্চলে রেলওয়ের বিকাশে ভূমিকা রাখতে শুরু করেছিলো। তার আগে অনেকগুলো বিদেশী রেল কোম্পানী বিভিন্ন জায়গায় বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে রেলওয়ের ছোট ছোট সেকশন চালু করেছিলো। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সেকশন হলো ১৯৬২ সালে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি কর্তৃক রানাঘাট থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত স্থাপিত রেলওয়ে সেকশন। বাংলাদেশে এর বিস্তৃতি ছিলো দর্শনা থেকে জগতি পর্যন্ত। এর দৈর্ঘ্য ছিলো ৫৩.১১ কিলোমিটার। এটি ছিলো বর্তমান বাংলাদেশ সীমানার মধ্যে অবস্থিত প্রথম রেল লাইন। এটি ছিলো ব্রডগেজ রেলওয়ে।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৮ আগস্ট, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন