ঢাকা মঙ্গলবার, ২১ মে ২০১৯, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬
৩৫ °সে


স্ব-পরাগায়নে প্রজাতির বিশুদ্ধতা রক্ষিত হয়

স্ব-পরাগায়নে প্রজাতির বিশুদ্ধতা রক্ষিত হয়

ঁবিজ্ঞান

মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সিনিয়র শিক্ষক

দুলালপুর এস.এম.এন্ড কে উচ্চ বিদ্যালয়

কুমিল্লা।

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আজকে চতুর্থ অধ্যায় অর্থাত্ ‘উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি’ থেকে অনুশীলনীর সৃজনশীল রচনামূলক প্রশ্ন তুলে ধরা হলো।

নিচের চিত্রটি লক্ষ্য করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

ক. পরাগায়ন কী?

খ. স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়নের ১টি করে সুবিধা লিখ।

গ. চিত্রে নির্দেশিত পরাগায়নগুলোর পার্থক্য লেখ।

ঘ. পরাগায়ন বীজ সৃষ্টির পূর্বশর্ত বিশ্লেষণ করো।

উত্তর: ক. পরাগায়ন: ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণুর একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে।

খ. স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়নের ১টি করে সুবিধা নিচে উল্লেখ করা হলো-

স্ব-পরাগায়নের সুবিধা: স্ব-পরাগায়নে প্রজাতির বিশুদ্ধতা রক্ষিত হয়।

পর-পরাগায়নের সুবিধা: পর-পরাগায়নে নতুন চরিত্রের সংমিশ্রণ হয়।

গ. উদ্দীপকের চিত্রে স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়ন নির্দেশিত আছে। নিচে স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়নের পার্থক্য উল্লেখ করা হলো।

স্ব-পরাগায়ন

পর-পরাগায়ন

i. একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে।

i.একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগরেণু ঘটে।

ii. সাধারণত ফুল ফোটার আগেই পরাগায়ন ঘটে।

ii. ফুল ফোটার পর পরাগায়ন ঘটে।

iii. কাছাকাছি একই প্রজাতির অন্য উদ্ভিদের প্রয়োজন হয় না।

iii. কাছাকাছি একই প্রজাতির অন্য উদ্ভিদের প্রয়োজন হয়।

iv. বাহকের উপর কম নির্ভরশীল।

iv. বাহকের উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল।

v. প্রজাতির বিশুদ্ধতা রক্ষিত হয়।

v. প্রজাতির বিশুদ্ধতা নষ্ট হয়।

vi. নতুন প্রকরণ সৃষ্টি হয় না।

vi. নতুন প্রকরণ সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে।

ঘ. পরাগায়ন বীজ সৃষ্টির পূর্বশর্ত: ফলের প্রত্যেকটি স্তবক প্রজননে সহায়তা করে। ফলের পাঁচটি অংশের মধ্যে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ফুলের এ দুটি অংশ পরাগায়নে সরাসরি অংশ নেয়। পুংস্তবকের পরাগধানী হতে পরাগরেণু স্থানান্তরিত হয়ে স্ত্রীস্তবকের গর্ভমুণ্ডে পতিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে। আর পরাগায়নের ফলে পুংজনন কোষের সাথে স্ত্রীজনন কোষের মিলনের ফলে জাইগোট উত্পন্ন হয়। জাইগোট হতে পরবর্তী সময়ে ফল ও বীজ উত্পন্ন হয়। বীজ উদ্ভিদের বংশ রক্ষা করে। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, বীজ সৃষ্টিতে প্রধান ভূমিকা রাখে পরাগায়ন ও নিষেক। বীজ সৃষ্টি হতে গেলে প্রথমে পরাগায়ন ঘটতে হবে এবং পরে নিষেক হতে হবে। পরিশেষে বলা যায় পরাগায়ন বীজ সৃষ্টির অন্যতম পূর্বশর্ত।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২১ মে, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন