ঢাকা মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৯ আশ্বিন ১৪২৬
২৭ °সে


বিজেপির মিছিলে স্তব্ধ কলকাতা

দুর্গাপুরের গ্রামে মিছিলে গুলি, আহত তিন
বিজেপির মিছিলে স্তব্ধ কলকাতা

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মিছিলে গুলিতে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। গুলির জন্য তৃণমূলকে দায়ী করেছে দলটি। সন্দেশখালিতে হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে গতকাল লালবাজার অভিযান চালিয়েছে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। গতকাল বিজেপির মিছিলে পুলিশের বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ সময় বিজেপি কর্মীরা ব্যারিকেড ভাঙ্গার চেষ্টা করেন। বিক্ষোভ দমনে পুলিশ জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। রণক্ষেত্রে পরিণত হয় মধ্য কলকাতা। সংঘাত চলমান থাকায় রাজ্যের বড় চারটি দলকে বৈঠকে ডেকেছেন রাজ্যপাল। এদিকে গতকাল চিকিত্সকদের ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়ে চিকিত্সাসেবা।

গতকাল সকালে দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের ধবনী গ্রামে বিজয় মিছিল বের করেন স্থানীয় বিজেপি সমর্থকরা। অভিযোগ, মিছিলটি যখন ধবনী গ্রামে বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে বিজেপি। টুইট করে ঘটনার নিন্দা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও আসানসোলের এমপি বাবুল সুপ্রিয়। তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তিওয়ারির অবশ্য দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বিজেপিতে এখন দুষ্কৃতীদের ভিড়। ওদেরই কাজ এটা। লালবাজার অভিযানে বিজেপির মিছিলে ছিলেন সদ্য জয়ী ১৮ এমপি। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গা থেকে মিছিল আসে। পুলিশকে লক্ষ্য করে বিজেপি কর্মীরা ইট ছোঁড়ে। পাল্টা লাঠি চালিয়ে, কাঁদানে গ্যাস, জলকামান দিয়ে জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। মিছিল থেকে স্লে­াগান ওঠে, ‘দ্যাখ বিজেপির ক্ষমতা, ভয় পেয়েছে মমতা’। গন্ডগোলের আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক ভবন নবান্নের গেটে তালা দেওয়া হয়েছে। বিজেপির এমপি লকেট চট্টোপাধ্যায় বলেন, পশ্চিমবঙ্গকে সামলাতে পারছেন না মমতা। ওর পদত্যাগ করা উচিত।

রাজনৈতিক দলের আজ বৈঠক রাজ্যপালের

সংঘাত নিরসনে রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠী তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র এবং প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি সোমেন মিত্র এই চারজনকে বুধবার চিঠি দিয়েছেন। আলোচনা করতে আজ বিকেল ৪টায় তাদের রাজভবনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

চিকিত্সকদের ধর্মঘট

চিকিত্সকদের ধর্মঘটে গতকাল রাজ্যজুড়ে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়। রাজ্যের প্রায় সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতালের আউটডোর পরিষেবা বন্ধ ছিল। অনেক জায়গায় বন্ধ ছিল জরুরি পরিষেবাও যার জেরে চূড়ান্ত সমস্যায় পড়েন হাজার হাজার মানুষ। নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জুনিয়র ডাক্তারদের উপর হামলার প্রতিবাদে বুধবার রাজ্যজুড়ে ১২ ঘণ্টার আউটডোর পরিষেবা বন্ধের ডাক দিয়েছিল চিকিত্সকদের যৌথ মঞ্চ।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন