ঢাকা শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬
২৮ °সে


তিন কিস্তিতে চামড়ার বকেয়া টাকা দেবেন ট্যানারি মালিকরা

আড়তদারদের সঙ্গে বৈঠক
তিন কিস্তিতে চামড়ার  বকেয়া টাকা দেবেন ট্যানারি মালিকরা

আড়তদার ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের চামড়ার বকেয়া টাকা শোধ করতে সম্মত হয়েছেন ট্যানারি মালিকরা। তিন কিস্তিতে এ টাকা পরিশোধ করা হবে। গত তিন দশকের বকেয়ার মধ্যে ১৯৯০ সাল থেকে ২০১০ সালের বকেয়া এক ভাগে, পরে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এক ভাগে ও এর পরবর্তী সময়ের বকেয়া অর্থ আলাদা কিস্তিতে পরিশোধ করা হবে। চামড়া ব্যবসায়ী ও ট্যানারি মালিকদের মধ্যে বকেয়া অর্থ পরিশোধের উপায় নিয়ে গতকাল মতিঝিলে এফবিসিসিআইয়ের উদ্যোগে আয়োজিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।

তবে কত দিনের মধ্যে ওই অর্থ পরিশোধ করা হবে, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামী রবিবার ট্যানারি মালিক ও কাঁচা চামড়ার ব্যবসায়ীরা বৈঠক করে এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাবেন। এর পর ৩১ আগস্ট ফের এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। বৈঠকে উপস্থিত সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

এ বছর কোরবানির পশুর চামড়ার নজিরবিহীন দরপতনের পর বকেয়া অর্থ পরিশোধের সমস্যাটি সামনে আসে। এক পর্যায়ে চামড়া রপ্তানির সিদ্ধান্ত দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত ওই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সরকার। আড়তদাররা রপ্তানির সিদ্ধান্তে অনড় থাকার দাবি জানালেও শেষ পর্যন্ত দেশীয় শিল্পের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে সরকার কাঁচা চামড়া রপ্তানি না করার সিদ্ধান্ত নেয়। তবে আড়তদারদের বকেয়া অর্থ পরিশোধের উদ্যোগ নেয়। এ বিষয়টি সুরাহা করতে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর অংশ হিসেবে গতকাল ওই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিমের সভাপতিত্বে বৈঠকে সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে এফবিসিসিআই সভাপতি জানান, বকেয়ার বিষয়ে ট্যানারি মালিক ও আড়তদাররা হিসাব করবেন। উভয় পক্ষ মিলে আগামী রবিবার বৈঠক করবেন। বকেয়া পাওনা পরিশোধ হবে তিন ধাপে। এখনো সবার হিসাব পাওয়া যায়নি। মাত্র ৮ জেলার বকেয়া তালিকা পাওয়া গেছে।

আড়তদারদের দাবি ট্যানারি মালিকদের কাছে সারা দেশের চামড়া ব্যবসায়ীদের ৪০০ কোটি টাকা বকেয়া পড়ে আছে। গত তিন দশক ধরে এসব বকেয়া অর্থ জমেছে। আড়তদারদের সংগঠন বাংলাদেশ হাইড এন্ড স্কিন মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হাজী দেলোয়ার হোসেন ইত্তেফাককে জানান, কেবল ঢাকার আড়তদারদেরই বকেয়া পড়ে আছে ১০০ কোটি টাকা।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন