বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের অভিজ্ঞতা থেকে উপকৃত হচ্ছে ভারতও

আইটেক দিবসের বক্তৃতায় ভারতীয় হাইকমিশনার

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  ইত্তেফাক রিপোর্ট

গতকাল ভারতীয় হাইকমিশনের মিলনায়তনে আইটেক দিবসের অনুষ্ঠানে নৃত্যের মাধ্যমে দুই দেশের সংস্কৃতি তুলে ধরেন শিল্পীরা -ইত্তেফাক

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাশ বলেছেন, বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের অভিজ্ঞতা থেকে সমানভাবে উপকৃত হচ্ছে ভারতও। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ভারতীয় হাইকমিশনের মিলনায়তনে আইটেক দিবসের বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ খাত বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল মালেক উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আইটেক কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণ নেওয়া কয়েকজন কর্মকর্তা তাদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। এরপর দুই দেশের সংস্কৃতি তুলে ধরা হয় নৃত্যের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ-ভারতের মানুষের মেলবন্ধন দুই দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দুই দেশের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মধ্যে যোগাযোগ সেতুবন্ধ আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে।

ভারতের আইটেক কর্মসূচির আওতায় আগামী নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভারতের বেঙ্গালুরুতে মাসব্যাপী ইয়োগা প্রশিক্ষণার্থীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেবে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনার রীভা গাঙ্গুলী দাশ। তিনি বলেন, প্রতিবছর ভারত জুড়ে ৬০টিরও বেশি তালিকাভুক্ত সেরা প্রতিষ্ঠান আইটেক কর্মসূচির অধীনে প্রায় ৩০০টি স্বল্প মেয়াদী, মধ্যম মেয়াদী এবং দীর্ঘ মেয়াদী কোর্স পরিচালনা করে থাকে। এ কোর্সগুলো সম্পূর্ণ ভারত সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত হয়। তিনি জানান, এ বছরের নভেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের ইয়োগা (যোগ ব্যায়াম) অনুশীলনে আগ্রহীদের জন্য স্পেশাল ট্রেনিং ফর ইয়োগা ট্রেনার্স নামে একটি বিশেষ কোর্সের আয়োজন করা হয়েছে। এক মাস ব্যাপী এই কোর্সটি বেঙ্গালুরুর বিবেকানন্দ ইয়োগা অনুসন্ধানা সামাসথানাতে অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য, ইন্ডিয়ান টেকনিক্যাল এন্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (আইটেক) হল ভারত সরকারের ডেভলপমেন্ট পার্টনারশীপ এডমিস্ট্রেশনের একটি কর্মসূচি। ১৯৬৪ সালে এই প্রোগ্রামটি চালু হয়।