ঢাকা বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬
২৮ °সে


গৃহায়ন ও গণপূর্তে দুর্নীতির ১০ ক্ষেত্র চিহ্নিত

মন্ত্রীর কাছে দুদকের প্রতিবেদন
গৃহায়ন ও গণপূর্তে দুর্নীতির ১০ ক্ষেত্র চিহ্নিত

গৃহায়ন ও গণপূর্তে দুর্নীতির ১০টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর মধ্যে গণপূর্ত অধিদপ্তরে টেন্ডার প্রক্রিয়ার শুরু থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরেই দুর্নীতি হচ্ছে বলে দুদকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। গতকাল বুধবার দুদকের কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিমের কাছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত দুদকের প্রাতিষ্ঠানিক টিমের রিপোর্ট প্রদান করেন।

এ প্রতিবেদনে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সম্ভাব্য দুর্নীতর খাত চিহ্নিত করা হয়েছে। চিহ্নিত এসব খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে, টেন্ডার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন স্তরে দুর্নীতি, যথাযথ প্রক্রিয়ায় টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করা, অপছন্দের ঠিকাদারকে নন রেসপনসিভ করা, অস্বাভাবিক মূল্যে প্রাক্কলন তৈরি, ছোটো ছোটো প্যাকেজে প্রকল্প প্রণয়ন, টেন্ডারের শর্তানুসারে কাজ বাস্তবায়ন না করা, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং প্রকল্প প্রণয়ন, তদারকি, বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণ কাজে ধীরগতি। এছাড়া প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম, অনাবশ্যক প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি, স্থাপত্য ও কাঠামোগত নকশা চূড়ান্তকরণে বিলম্ব, প্রত্যাশী সংস্থার প্রয়োজনমতো জরুরিভিত্তিতে কার্য সম্পাদন না করা, সেবা প্রদানের বিভিন্ন স্তরে কর্মকর্তা কর্মচারীদের অসহযোগিতা, সময়মতো ঠিকাদারদের বিল পরিশোধ না করা, বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও ঠিকাদারদের আংশিক বিল পরিশোধ করা।

প্রতিবেদন প্রদান কালে দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় প্রাক্কলন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত প্রতিটি স্তরেই নিবিড় মনিটরিংয়ের প্রয়োজন। কারণ এসব ক্ষেত্রে দুর্নীতির ব্যাপকতা রয়েছে। এমনকি ইজিপি প্রক্রিয়ায়ও ঠিকাদার-কর্মকর্তার যোগসাজশের ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন, যেসব কর্মকর্তার নৈতিকতার বিষয়ে বিতর্ক রয়েছে, তাদেরকে বড়ো বড়ো প্রকল্পে নিয়াগ না দেওয়াই সমীচীন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে দুদক কমিশনার বলেন, ছোটো-বড়ো বুঝি না দুর্নীতি করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ.ম. রেজাউল করিম কমিশনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, কমিশনের এই প্রতিবেদন আমাদেরকে গাইডলাইন প্রদান করবে—যা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে কাজ করবে। তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতার নীতি অনুসরণ করছেন। আমি তার কেবিনেটের একজন সদস্য হিসেবে দুর্নীতিকে ন্যূনতম সহ্য করব না। আমি তার এই নীতিকে শতভাগ ধারণ করি। এবং তা বাস্তবায়নের জন্য নিবেদিত থাকব।

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৬ অক্টোবর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন