ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২০, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
২৭ °সে

বেঙ্গালুরুর হারে কেঁদেছিলেন রিয়াদ

বেঙ্গালুরুর হারে কেঁদেছিলেন রিয়াদ

স্পোর্টস রিপোর্টার

বাংলাদেশের অলিতে-গলিতে বেদনার চোরাস্রোত বইয়ে দিয়েছিল সেই হার। ২০১৬ টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুতে ১ রানের হার কখনোই বিস্মৃত হবে না বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ক্ষণিকের ভুল কাঁদিয়েছিল বাংলাদেশকে। চার বছর পর মাহমুদউল্লাহ জানালেন, সেদিন দলের অবিশ্বাস্য হারের পর তার চোখেও অশ্রু ঝরেছিল। কেঁদেছিলেন মাহমুদউল্লাহ।

বেঙ্গালুরুতে সেদিন জয়ের সুবাস পাচ্ছিল বাংলাদেশ। হার্দিক পান্ডিয়ার বলে পরপর দুটি চার মারার পর চতুর্থ বলে ক্যাচ তুলে ফিরেন মুশফিক। তখন সেট ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহর দায়িত্ব ছিল ম্যাচ শেষ করে আসা। কিন্তু পঞ্চম বলে পান্ডিয়ার ফুল টসকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্যাচ দেন মাহমুদউল্লাহও। মুহূর্তের ঝড়ে ভেঙে যায় জয়ের মঞ্চ।

গত বৃহস্পতিবার রাতে এক ফেসবুক লাইভ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের টি-২০ অধিনায়ক বলেছেন, ব্যাঙ্গালুরুর হার এখনো তাকে পোড়ায়। নিজের ভুল বুঝতে পেরে অঝোরে কেঁদেছিলেন মাহমুদউল্লাহ।

এখন এমন সময়ের মুখে পড়লে ছক্কা মারার চেষ্টা না করে গ্যাপে ফেলে ২ রান নিতেন তিনি। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার বলেছেন, ‘আমি চেষ্টা করব গ্যাপ বের করে দুই রান নেওয়ার। কারণ আমি জীবনের অন্যতম বড়ো শিক্ষা সেই ম্যাচ থেকেই নিয়েছি। আমি ভয়ংকর রকমের ভুল করেছিলাম সেদিন। যখনই মনে হয় সব সময়ই এই জিনিসটা আমাকে পোড়ায়।’

পরপর দুই বলে মুশফিক-মাহমুদউল্লাহ আত্মাহুতির পর হেরে যায় বাংলাদেশ। ড্রেসিংরুমে ফিরে কেঁদেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। তিনি বলেন, ‘অনেক কিছু শিখছি এই জিনিসটা থেকে। একটা কথা শুনেছিলাম ইউ বার্ন, ইউ লার্ন, আমি পুড়ে গেছিলাম সেদিন। হ্যাঁ আমি কেঁদেছিলাম, সবাই কেঁদেছিল ড্রেসিং রুমে ফিরে।’

২০০৭ সালে টেস্ট অভিষেক হয় মাহমুদউল্লাহর। এক বছর পরই ঘরের মাঠে ভারতের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরিও করেছিলেন। তখনই চোখে পড়েছিলেন লিটল মাস্টার শচীন টেন্ডুলকারের। পরে ভারতীয় কিংবদন্তির সুপারিশেই তাকে প্রথম স্পনসরশিপের প্রস্তাব দেয় বিখ্যাত কোম্পানি অ্যাডিডাস। স্পনসরের ব্যবস্থা করে দেওয়ায় শচীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান বাংলাদেশের টি-২০ অধিনায়ক।

ফেসবুক লাইভে মাহমুদউল্লাহ বলেছেন, ‘উনার (শচীন) সঙ্গে খেলেছি ২০০৮ সালে। হোম সিরিজ ছিল আমাদের। আমার অভিষেক হয়েছিল ২০০৭ সালের জুলাইয়ে। ঐ সিরিজটাতে আমি মোটামুটি ভালোই করেছিলাম। একদিন আমি অনুশীলন থেকে বাসায় ফিরছিলাম। তখন গাড়িতে একজন আমাকে ফোন দেয়। তখন অ্যাডিডাসের স্পনসর ছিল সম্ভবত শচীন স্যার। যেহেতু আমি তরুণ ক্রিকেটার, তখন আমার কোনো স্পনসর ছিল না। উনি আমাকে বললেন যে, শচীন স্যার রিকমেন্ড করেছে আপনাকে স্পনসরের জন্য।’

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
০৪ জুন, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন