মসুলে ইরাক আইএস-এর জয়-পরাজয়
ড. আবদুল লতিফ মাসুম১৮ জুলাই, ২০১৭ ইং
মসুলে ইরাক আইএস-এর জয়-পরাজয়
আইএস-এর আক্রমণে ইরাক ছিল ধস্ত-বিধ্বস্ত। এ অবস্থার এখন অবসান হয়েছে। ইরাকের মসুল শহর জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামি স্টেটের  কাছ থেকে পুনর্দখলের পর ‘বিজয় ঘোষণা’ করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-আবাদী। গত ৯ জুলাই মুক্ত মসুলে এ ঘোষণা দেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী। এজন্য সরকারি ইরাকি বাহিনীকে দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করতে হয়েছে। ২০১৪ সালের ২৯ জুন আইএস যোদ্ধারা মসুল শহর ও তার চারপাশ থেকে ইরাকের সরকারি বাহিনীকে সম্পূর্ণভাবে বিতাড়িত করে সেখানে ‘খেলাফতের পতাকা’ উড়িয়েছিল। আইএস-এর মসুল বিজয় ছিল একটি চমক। তার কারণ, মাত্র হাজার দেড়েক আইএস যোদ্ধার আক্রমণের মুখে ইরাকি বাহিনী তছনছ হয়ে যায়। অথচ তাদের সংখ্যা ছিল ৫০ হাজার। তারা সেদিন অস্ত্রশস্ত্র ফেলে, ইউনিফর্ম খুলে শুধু মসুল ছেড়ে পালিয়েই যায়নি, বরং তাদের কেউ কেউ বিজয়ী বাহিনীর সাথে একাত্মতাও ঘোষণা করেছিল। অবশ্য আইএসরা পরবর্তীকালে অলৌকিক সাহায্যের কথা বলেছিল।

পর্যবেক্ষকরা ইরাকের মসুল বিজয়কে বড় ধরনের সাফল্য বলে বর্ণনা করছেন। আর অনিবার্যভাবে আইএস-এর জন্য এটি হলো সবচেয়ে বড় বিপর্যয়। আইএসদের বিজয়ের সূচনা এখান থেকেই শুরু হয়েছিল। আর এখন এখানেই তাদের পরাজয় নিশ্চিত হলো। ২০১৪ সালের জুন পরবর্তীকালে ইরাকের বেশির ভাগ এলাকা এবং সিরিয়ার একটি বড় অঞ্চল নিয়ে ‘খেলাফত’ ঘোষণা করে আইএস। এরা সিরিয়া ও ইরাকের রাষ্ট্রীয় সামরিক বাহিনী ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে উভয় দেশের অন্তত ১৫টি বড় শহর এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিজেদের খেলাফতের আওতায় নিয়ে এসেছিল। পর্যবেক্ষকরা হিসেব-নিকেশ করে বলেন যে, আইএস-এর দখলকৃত এলাকার পরিমাণ ছিল গ্রেট ব্রিটেনের আয়তনের সমান। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা স্বীকার করেন যে, রাষ্ট্র বলতে যে চারটি উপাদানের কথা বলা হয় অর্থাত্ ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, সরকার ও সার্বভৌমত্ব— সবই ছিল আইএস-এর। কিন্তু ছিল না স্বীকৃতি। কোনো রাষ্ট্রই আনুষ্ঠানিকভাবে এ রাষ্ট্রকে মেনে নেয়নি। তবে বহির্শক্তির সহায়তা ব্যতীত কিভাবে এত বড় সাফল্য অর্জিত হতে পারে তা অবশ্যই একটি বড় প্রশ্ন।

আইএস উত্থানের প্রাথমিক ঘটনাগুলো যদি আমরা প্রত্যক্ষ করি তাহলে আমরা বলতে বাধ্য যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রান্ত ইরাকনীতির অর্জন হচ্ছে আইএস। বুশ সিনিয়রের বাহিনী যখন মারাত্মক ‘রাসায়নিক অস্ত্র-শস্ত্র’ রাখার মিথ্যা অজুহাতে ইরাক আক্রমণ করে তখন সাদ্দাম বাহিনীকে তারা পুনর্গঠনের পরিবর্তে বিতাড়ন করে। বিতাড়িত হাজার হাজার সৈনিক যারা মূলত সুন্নী এবং প্রতিবাদে উন্মুখ, তখন আইএস-এর আহ্বানকে লুফে নেয় তারা। পর্যবেক্ষকরা অনুমান করেন, যেহেতু তারা সুন্নী এবং ইরান-বিরোধী, সেহেতু তারা সুন্নী আরব বিশ্বের সমর্থন পেয়েছে পরোক্ষ বা প্রত্যক্ষভাবে। উল্লেখ্য যে, মসুল পরাজয়ের পর ইরান ইরাকের ইবাদী সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের জটিল এবং কুটিল রাজনৈতিক সমীকরণে আইএস প্রাথমিকভাবে সৌদি আরব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পায়। স্মরণ করা যেতে পারে যে, তখন সৌদি মার্কিন সমর্থনপুষ্ট বিদ্রোহী বাহিনী আল-আসাদ সরকারের পতন ঘটানোর প্রত্যয়ে সিরিয়ায় যুদ্ধরত ছিল। সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র জোট আইএস-এর উত্থানে আসাদের পতন আশা করে। কিন্তু, আইএস যখন স্বরূপে আত্মপ্রকাশ করে তখন অর্থাত্ যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবকে খেলাফত প্রতিষ্ঠার পথে প্রতিবন্ধক মনে করে, তখন আইএস মার্কিন-সৌদি সম্পর্কের অবনতি ঘটে। পশ্চিমা রাষ্ট্রসমূহ তথা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মুসলিম বিশ্বের কোথাও ইসলামি মৌলবাদের উত্থানকে তাদের সভ্যতার প্রতি চ্যালেঞ্জ মনে করে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এসপি হান্টিংটন তাঁর সুবিখ্যাত গ্রন্থ: The Clash of Civilization and the Remaking of World Order গ্রন্থে এ তত্ত্বের ভিত্তিভূমি রচনা করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন পর্যবেক্ষণ করে যে আইএস তাদের উদ্দেশ্য সাধনের হাতিয়ার না হয়ে, ওসামা বিন লাদেনের আল-কায়েদার মতো ঘুরে দাঁড়াতে পারে, তখন মার্কিন প্রশাসন সিরিয়া পরিস্থিতিকে গৌণ জ্ঞান করে আইএস দমনকে মুখ্য কর্তব্য বলে নির্ধারণ করে। আইএস সম্পর্কে আর একটি বড় ধরনের গুজব যে, এটি আসলে ইসরাইলের গোপন সংস্থা মোসাদের সৃষ্টি। যারা কূটকৌশলের রাজনীতি সম্পর্কে অভিজ্ঞ তারা স্বীকার করেন যে, এটা অসম্ভব কিছু নয়। একসময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সোভিয়েত সমাজতন্ত্রকে মোকাবেলার জন্য: ‘A  red flag to oppose a red flag’ কৌশল অবলম্বন করেছিল। সমাজতন্ত্রকে পরাজিত করার জন্য বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের আরও জোরালো স্লোগান তুলে কোনো কোনো রাষ্ট্র ও সমাজকে বিভ্রান্ত করতে সক্ষম হয়েছিল। এক অসমর্থিত খবরে বলা হয় যে, আইএস-এর অস্ত্রের উত্স ছিল ইসরাইল। এ বক্তব্যের সমর্থনে আরও বলা যায় যে, আইএস ইসরাইলে কোনো হামলা পরিচালনা করেনি। ইসলামের নামে যে সমস্ত গ্রুপ অন্যান্য দেশে ক্রিয়াশীল— যেমন আফগানিস্তানের তালেবান গোষ্ঠীর সাথে তাদের সশস্ত্র বিরোধ রয়েছে। এমনকি আল-কায়েদার সাথে তাদের বাস্তব দ্বন্দ্ব রয়েছে। কেবলমাত্র বোকো হারামের মতো সশস্ত্র গোষ্ঠী তাদের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেছে। তবে এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, ‘খেলাফত’-এর ধারণা এবং এর জনপ্রিয়তা গোটা মুসলিম বিশ্বে বিস্তৃত। যারা এখনো ‘প্যান ইসলামিজম’ বা নিখিল মুসলিম বিশ্ব ধারণায় বিশ্বাস করেন, খেলাফতের আবেদন তাদের কাছে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাসের ছাত্র মাত্রই জানেন যে ১৯২০ এবং ১৯২১ সালে ভারতবর্ষে খেলাফত আন্দোলন বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে। আলী ভ্রাতৃদ্বয় নামে পরিচিত মাওলানা মোহাম্মদ আলী ও মাওলানা শওকত আলী এ আন্দোলনের নেতৃত্ব প্রদান করেন। মহাত্মা গান্ধী এ আন্দোলনের প্রতি তঁর সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন। গান্ধীজীর অহিংস অসহযোগ আন্দোলন এবং খেলাফত আন্দোলন একসাথে চলতে থাকে। ১৯২৩ সালে তুরস্কের নতুন নেতা মোস্তফা কামাল পাশা খেলাফতের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘোষণা করেন। সেইসাথে খেলাফত আন্দোলন স্তিমিত হয়ে পড়ে। কিন্তু, ‘মুসলিম উম্মাহ’ এ তত্ত্ব আজও ক্রিয়াশীল। অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) এর প্রমাণ। যাহোক উসমানীয় সালতানাতের পতনের পর শতধা বিভক্ত এবং পারস্পরিক দ্বন্দ্বে লিপ্ত মুসলিম বিশ্বে কোনো কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব না থাকার কারণে ইসলামের নামে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটানো সহজতর হয়েছে।

ক্রমবর্ধমান আইএস প্রতিরোধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাকি বাহিনী সম্মিলিতভাবে অভিযান শুরু করে। ২০১৬ সালের ১৭ অক্টোবর মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলার মাধ্যমে আইএসবিরোধী হামলা শুরু হয়। এ বছরের প্রথমদিকে, মসুলের পূর্বাঞ্চল পুনর্দখল করে তারা। ফেব্রুয়ারি মাসে যৌথবাহিনী মসুলের পশ্চিমাংশ মুক্ত করার যুদ্ধ শুরু করে। ইরাকি বাহিনী দজলা নদীর পশ্চিম তীরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পুরনো শহর অংশে প্রবেশ করলে যুদ্ধ তাদের অনুকূলে চলে যায়। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে আইএস যোদ্ধারা পলায়নপর বলে বার্তা সংস্থাগুলো খবর দিচ্ছে। তারা দজলা নদী অতিক্রম করে পালাবার চেষ্টা করছে বলে খবর বেরিয়েছে। মসুলকে নিয়ে আইএস বনাম সরকারি ইরাকি বাহিনীর যুদ্ধে প্রাণ হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ। সেখানে রীতিমতো মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাচীন শহরটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ইরাকি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, পুরনো অংশে এখনো ১৫ হাজার বেসামরিক লোক আটকে পড়েছে। তাদেরকে মানববর্ম হিসেবে ব্যবহার করছে আইএস।  চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘ জানিয়েছে যে, মসুল পুনরুদ্ধার অভিযান শুরুর পর ৯ লাখ ১৫ হাজার লোক শহর ছেড়ে পালিয়েছে। ১০ লাখের বেশি লোক ঘরবাড়ি হারিয়েছে। সেখানে ত্রাণ সংস্থাগুলো ঐ অঞ্চলে আটকে পড়া লোকদের জীবন ও জীবিকা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। শহরটিতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা শুরু করতে দীর্ঘ সময় লাগবে। আল জাজিরা মন্তব্য করেছে আক্ষরিক অর্থেই এলাকাটি জাহান্নামে পরিণত হয়েছে। ইরাকি বাহিনী দখল করার পর ইতঃপূর্বে শহর ছেড়ে যাওয়া লোকেরা বাড়ি ফিরবে বলে আশা করা যায়। ধস্ত-বিধ্বস্ত এ শহরটি পুনর্গঠন ও পুনর্নির্মাণের জন্য বড় ধরনের অর্থনৈতিক সাহায্যের প্রয়োজন হবে। অর্থনীতিকরা বলছেন যে, অন্তত ১০০ কোটি মার্কিন ডলারের পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। ইরাক অংশের আইএস নিরঙ্কুশভাবে পরাজিত হয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়। এদিকে, সিরিয়াতেও আইএস-এর ত্রাহি-ত্রাহি অবস্থা। তাদের ঘোষিত রাজধানী রাকাও আইএসবিরোধী বিভিন্ন জোট দ্বারা আক্রান্ত। সেখানে সিরিয়া নিয়ে রুশ-মার্কিন সমঝোতার প্রেক্ষিতে আইএস-এর শেষ আশ্রয়স্থলটুকুও বেহাত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। রাকা শহরকে আইএসমুক্ত করতে হরেক রকম বাহিনী এক হয়েছে। এরা হচ্ছে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী, আমেরিকার নেতৃত্বাধীন যৌথবাহিনী, মার্কিন সমর্থিত সিরীয় গণতান্ত্রিক পক্ষ এবং সিরীয় খ্রিষ্টানদের একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী। রাকার পতন আসন্ন বলে সমর কুশলীরা বলেন। এখানেও মানবিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে। সেখানে এক লাখ বেসামরিক মানুষ আটকা পড়েছে। তারা আইএস বনাম সম্মিলিত জোটের মোকাবেলায় উলুখাগড়ায় পরিণত হয়েছে।

পরিস্থিতির মূল্যায়নে এভাবে সিদ্ধান্তে আসা যায় যে, আপাতত আইএস-এর পতন ঘটছে। কিন্তু তাদের এ পতনে আশ্বস্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই। ইউনাইটেড স্টেট মিলিটারি অ্যাকাডেমির একটি সাম্প্রতিক জরিপে বলা হয় যে, সিরিয়া ও ইরাকের ১৬টি শহর থেকে আইএস যোদ্ধারা বিতাড়িত হওয়ার পরের কয়েক মাসে ঐ শহরগুলোতে তারা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে প্রায় দেড় হাজার বার। উপসংহারে ঐ গবেষণায় বলা হয় যে, ‘আইএস স্বঘোষিত রাষ্ট্র বা খেলাফতের চূড়ান্ত পতনের পর এই হামলার আশঙ্কা অনেকগুণ বেড়ে যাবে’। মসুলের ব্যাপারেও রণকৌশল বিশেষজ্ঞ মন্তব্য করেন যে, ‘মসুল সরকারি বাহিনীর পুনর্দখল করায় ইরাকে আইএস হুমকি একেবারে নিঃশেষ হয়ে গেছে তা নয়’। গবেষকদের এ মন্তব্যের সত্যতার প্রশ্নে বলা যায় যে, মসুল ও রাকার বিপুল জনগোষ্ঠী খেলাফতওয়ালাদের সমর্থন জানিয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই বোঝা যায় যে, জনসমর্থনহীন কোনো কর্তৃত্ব বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। আইএস দখলকৃত এলাকায় তাদের হয়ত জনপ্রিয়তা ছিল। স্থানীয় জনগণ তাদের প্রচারণার দ্বারা প্রতারিত হতে পারে। আশঙ্কার ব্যাপার এই যে, তারা যদি জনভিত্তি অর্জন করে থাকে তাহলে তা নিঃশেষ করা খুব সহজ হবে না। ভবিষ্যতে অন্য নামে অথবা নতুন নেতৃত্বে অন্যভাবে তাদের আত্মপ্রকাশ ঘটতে পারে। তবে আন্তর্জাতিকভাবে নৃশংসতা ও নিষ্ঠুরতার যে প্রমাণ তারা গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছে তা পৃথিবীর শান্তিকামী মানুষকে অনেকদিন ধরে তাড়া করবে। আগেই বলা হয়েছে খেলাফত বা ইসলামি রাষ্ট্র ধারণা ইসলামি সমাজে ভুল অথবা শুদ্ধ একটি সনাতনী ধারণা। এ ধারণা অতিক্রমে বিশ্ব নেতৃত্বকে নতুন নতুন ধারণা, তত্ত্ব ও কৌশল নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। আদর্শের মোকাবেলায় আদর্শই একটি টেকসই শান্তি ও স্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে।

n লেখক: প্রফেসর, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়


 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৮ জুলাই, ২০১৭ ইং
ফজর৩:৫৬
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৩
সূর্যোদয় - ৫:২১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পড়ুন