করোনায় বাড়িঘরে ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম

করোনায় বাড়িঘরে ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম
নামাজ আদায় করছেন একজন মুসল্লি

মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদ। করোনা পরিস্থিতিতে এবার ঈদগাহে নামাজ আদায়ে রয়েছে বিধিনিষেধ। অবশ্য বাসাবাড়িতেও ঈদের নামাজ আদায় করা যাবে। তবে তা জামাতে আদায় এবং খুতবা দিতে হবে। ঈদের নামাজ আদায় করা ওয়াজিব।

ঈদের নামাজ বাসাবাড়িতে পড়লেও অবশ্যই জামাতের সঙ্গে পড়তে হবে। জামাত ছাড়া ঈদের নামাজ আদায় করা যাবে না। বাসাবাড়িতে ঈদের নামাজ আদায়ের জন্য ইমাম ছাড়া ন্যূনতম তিনজন মুসল্লি থাকতে হবে।

ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ত বাংলায় হলো, ইমামের পেছনে কেবলামুখী হয়ে ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ ছয় তাকবিরের সঙ্গে আদায় করছি। ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ত আরবিতে, নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তায়ালা রাকয়াতা সালাতি ঈদিল ফিতর, মায়া ছিত্তাতি তাকবীরাতি ওয়াজিবুল্লাহি তায়ালা ইকতাদাইতু বিহাযাল ইমাম, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কাবাতিশ শারীফাতি আল্লাহু আকবার।

ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের নিয়ত করে ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত তুলে তাহরিমা বাঁধতে হবে। এরপর ছানা পড়ুন- সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়াতাআলা যাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।

এরপর তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ উচ্চারণ করে তাকবির বলতে হয়। প্রথম দুই বার কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। কিন্তু তৃতীয়বার বলে হাত বেঁধে নেন সবাই। প্রতিটি তাকবিরের পর তিনবার সুবহানাল্লাহ বলা যায় এমন সময় থেমে থাকতে হয়।

তারপর আউজুবিল্লাহ ও বিসমিল্লাহ পড়ে সূরা ফাতেহার পর একটি সূরা যুক্ত করেন ইমাম। এরপর স্বাভাবিক নামাজের মতোই রুকু ও সিজদা করে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াতে হয়। এবার বিসমিল্লাহ বলার পর সূরা ফাতেহা পড়ে আরেকটি সূরা মেলানো হবে। তারপর তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলার মাধ্যমে তিনটি তাকবির সম্পন্ন করতে হয়। এ সময় প্রতিটি তাকবিরের পর হাত ছেড়ে দিতে হবে এবং চতুর্থবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলে হাত না বেঁধে রুকুতে চলে যাওয়া নিয়ম। এরপর সেজদা ও আখেরি বৈঠকের পর সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ হয়।

ঈদুল ফিতরের দুই রাকাত নামাজ শেষে ইমাম দুটি খুতবা দেন। ঈদের খুতবা শোনা ওয়াজিব। খুতবা শেষে দোয়া করেন মুসল্লিরা। করোনা মহামারি থেকে মুক্তির জন্য প্রার্থনা করা হবে আজ।

ইত্তেফাক/জেএইচ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x