চিত্রকলা

ইম্প্রেশনিজম ইন দ্য এইজ অব ইন্ডাস্ট্রি: মনে, পিসারো অ্যান্ড মোর

ইম্প্রেশনিজম ইন দ্য এইজ অব ইন্ডাস্ট্রি: মনে, পিসারো অ্যান্ড মোর
ভিনসেন্ট ভ্যান গগ-এর ফ্যাক্টোরিস অ্যাট ক্লিসি (১৮৮৭)

ইম্প্রেশনিজম ইন দ্য এইজ অব ইন্ডাস্ট্রি: মনে, পিসারো অ্যান্ড মোর (শিল্পোন্নয়নের যুগে ইম্প্রেশনিজম: মনে, পিসারো এবং অন্যরা ) শিরোনামে, ২০১৯-এ, টরোন্টোর আর্ট গ্যালারি অব ওন্টারিও-তে হয়ে গেল অসাধারণ এক শিল্পকলা প্রদর্শনী। শিরোনামেই স্পষ্ট প্রদর্শনীটির হৃৎস্পন্দন। কিউরেশন ছিলেন তরুণ প্রতিভাবান কিউরেটর ড. ক্যারোলাইন শিল্ডস। ইম্প্রেশনিজম শিল্প আন্দোলনগুলোর মধ্যে প্রভাব বিস্তারকারী এবং বেশ জনপ্রিয় একটি আন্দোলন। টরোন্টোর কনকনে শীতে এই প্রদর্শনীটি যেন বসন্তের আগমনের আগেই বসন্তবার্তা নিয়ে এলো শিল্পকলা প্রেমিকদের হৃদয়ে। ইউরোপের শহরগুলোতে বা আমেরিকার উল্লেখযোগ্য সংগ্রহশালাগুলোতে যেমন প্রতিনিয়ত আড়ম্বরভাবে প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, টরোন্টোর সংগ্রহশালাগুলোতে তেমনটা দেখা যায় না। সেকারণে এই প্রদর্শনীটি শহরবাসীদেরকে বেশ চমক দিয়ে গেলো।

ইম্প্রেশনিজমের বহুল পরিচিত শিল্পীদের (পিসারো, মনে, টিসট, কাসাট, ভ্যান গগ প্রমুখ) শিল্পকর্ম ছাড়াও বেশ কিছু অল্প পরিচিত শিল্পীকে (যেমন ম্যাক্সিমিলিয়ঁ লুস বা গুস্তাভ কাইবোত ) অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যাদের নাম ও শিল্পকর্ম অনেকের কাছে অজানা। এবং খুব সুনির্দিষ্টভাবে দ্বিতীয় শিল্প বিপ্লবকে (১৮৭০ থেকে ১৯১৪) কেন্দ্র করে ইউরোপে যে শিল্পোন্নয়ন ঘটে, সেটাকে বিষয়বস্তু করে ইম্প্রেশনিজমের শৈলীতে যে সমস্ত শিল্পকলা নির্মিত হয়েছে, তেমন শিল্পকলাগুলোই স্থান পায় প্রদর্শনীতে। সব মিলিয়ে ১২০টিরও বেশী শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে এই প্রদর্শনীতে। এদের মধ্যে তৈলচিত্রের সংখ্যা বেশি, এছাড়া রেখাচিত্র, ছাপচিত্র, আলোকচিত্র, অলঙ্করণ, মানচিত্র, বই, ভাস্কর্য এমনকি সময় নির্ভর চলচ্চিত্রও স্থান পেয়েছে।

ইম্প্রেশনিজমের বিভিন্ন সময়ে নির্মিত এই শিল্পকর্মগুলো দেখলে বোঝার উপায় নেই শিল্পীরা বিচ্ছিন্নভাবে এসব নির্মাণ করেছেন। মনে হয় তারা একটি সংঘের মাধ্যমে সবাই একযোগে কাজ করেছিলেন। ইম্প্রেশনিস্ট শিল্পীরা মূলত সমসাময়িক সামাজিক আচার অনুষ্ঠানের চিত্র নির্মাণ করতেন। বুর্জোয়াদের বিলাসী জীবনচিত্র, সুন্দর ভূদৃশ্য বা মনোরম ফুলের ছবি। কিন্তু যেহেতু তাঁরা পূর্ববর্তী শিল্পীদের মতো স্টুডিওতে বসে শিল্পকলার চর্চা করতে চাননি, সেকারণে বাইরে বেরিয়ে এসেছিলেন। দিনের আলোতে বসে চিত্র নির্মাণ করতেন। কারণ আলো ও ছায়া এবং রঙ তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। সামগ্রিকভাবে বললে তারা তাদের সময়কার চারপাশের জীবনচিত্র নির্মাণ করতেন। সেই সময় শিল্প বিপ্লবের প্রভাব চলছিল, স্বাভাবিকভাবে এই শিল্পীদের শিল্পকর্মেও সেই ছায়া পড়ে । শুধু শিল্পোন্নয়নের কার্যক্রমই নয় শিল্পোন্নয়নের কাজকর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত মানুষদের নিয়েও শিল্পকর্ম নির্মাণ করেন শিল্পীরা। যেমন শহরের ময়লা পরিষ্কার করা শ্রমিক থেকে শুরু করে কারখানার মালিক, ফ্রাঙ্কো-প্রুশিয়ান যুদ্ধের মৃত সৈনিক কিংবা মাংস বিক্রেতা নারী শ্রমিক। সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের চিত্রই অঙ্কন করেছেন শিল্পীরা।

গ্যালারীর দেয়াল জুড়ে আইফেল টাওয়ার নির্মাণের পর্যায়ক্রম, আলোকচিত্রের এনলার্জমেন্ট প্রিন্ট বা রিপ্রডাকশন

গ্যালারীর দেয়াল জুড়ে আইফেল টাওয়ার নির্মাণের পর্যায়ক্রম, আলোকচিত্রের এনলার্জমেন্ট প্রিন্ট বা রিপ্রডাকশন

বাষ্পচালিত ইঞ্জিন, জলচালিত ইঞ্জিন, ব্রিজ, রেলগাড়ি, ক্যামেরা ইত্যাদির আবিষ্কার মানব সভ্যতাকে চিরকালের জন্য বদলে দেয় । শিল্পকারখানায় উৎপাদিত পণ্যদ্রব্য বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেয়ার জন্য যানবাহনের প্রয়োজনীয়তা কিংবা শ্রমিকদের যাতায়াতে রেলগাড়ির ব্যবহার। আমরা সেই বদলের গল্পের চাক্ষুষ চিত্র দেখতে পাই এই শিল্পকর্মগুলোতে। প্রতিটি শিল্পকর্ম আমাদের হৃদয়কে স্পর্শ করে যায় তাদের নিজস্ব আবেদনে। কোনোটা আমাদের চোখে জল এনে দেয়, কোনোটা বা মুখে হাসি ফোটায়। যে শিল্পকর্মগুলো পৃথিবীর বিভিন্ন সংগ্রহশালায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে, সেই শিল্পকর্মগুলো একসঙ্গে এক ছাদের তলে, আমাদের চোখের সামনে দেখতে পাওয়া, তাও নিজের শহরে, কম ভাগ্যের নয়! দর্শকরা এটাও হৃদয়ঙ্গম করতে সক্ষম হন যে, ইম্প্রেশনিজমের রোমন্টিক রূপটি ছাড়াও আরও একটি দিক ছিল, সেটা হলো ভাবগাম্ভীর্য। যেখানে পৃথিবীর ইতিহাস পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ের চিত্রকে চিরস্থায়ী করে রাখার মতো যাদুকরি ক্ষমতা শিল্পীরা প্রমাণ করেছেন। সেই দিক থেকে বিবেচনা করলে, ইম্প্রেশনিস্ট শিল্পীরা আজীবন আমাদের ঋণী করে রেখেছেন।

সম্রাট তৃতীয় নেপোলিয়ন নগর পরিকল্পক জর্জ ইউজেন ওজমানকে দায়িত্ব দেন প্যারিসকে পরিবর্ধন-পরিমার্জন করতে। নেপোলিয়ন তাঁকে নির্দেশ দেন প্যারিসে আরো আলো-বাতাস ঢোকার ব্যবস্থা করতে, সরু অলি-গলিকে আরো প্রশস্ত করতে। সে কারণে সেই সময় বহু মানুষকে স্থানান্তরিত হতে হয়। বহু ভবন ধ্বংস করে নতুনভাবে নির্মাণ করা হয়। অনেক ত্যাগ-বিসর্জনের মধ্যদিয়ে রাস্তাঘাট প্রসারিত হয়, রাস্তার ধার দিয়ে বৃক্ষের সারি রোপণ করা হয়, প্যারিসে এক নাটকীয় পরিবর্তন আসে। নতুন দোকানপাট, মানুষের বিনোদনের জন্য ভবন, যানবাহন, শহরের মধ্যে ভাস্কর্য বা স্মারকস্তম্ভ নির্মিত হয়। ওজমান প্যারিসকে নতুন করে সাজান, সেই প্যারিসকেই আমরা আজ দেখি মুগ্ধ দৃষ্টিতে। ইম্প্রেশনিজম শিল্পীরা সেই উন্নয়নের কার্যক্রমগুলোকে তাদের শিল্পকর্মে আবদ্ধ করে রেখেছেন, আমরা যা আজকের সময়ে এসে দেখতে পারছি। তখন শুধুমাত্র সাদা-কালো আলোকচিত্রের ব্যবহার ছিল। শিল্পীর তুমির মাধ্যমে তা হয়ে ওঠে রঙিন।

অঁরি ওটমান, দ্য লুক্সেমবার্গ স্টেশন ইন ব্রাসেলস, ১৯০৩

অঁরি ওটমান, দ্য লুক্সেমবার্গ স্টেশন ইন ব্রাসেলস, ১৯০৩

শিল্প বিপ্লবের ফলে মানবজীবনে যে প্রভাব পড়ে সেটা শিল্পীদের গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ক্যামেরার আবিষ্কার অভূতপূর্ব ভাবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিকে বদলে দিয়েছে , শিল্পীদের চিত্র বিন্যাসে ক্যামেরার সুস্পষ্ট প্রভাব লক্ষণীয়। যেমন, আমরা ব্রিটিশ শিল্পী কন্সটেবল বা টার্নারের ভূদৃশ্যগুলোয় দেখতে পাই বিস্তীর্ণ দিগন্ত, কিন্তু ইম্প্রেশনিজমের শিল্পীরা সেই দৃশ্যকে কেটেছেটে নিজের প্রয়োজনমত চিত্রে উপস্থাপন করতেন। যেটা ক্যামেরা আবিষ্কারের পূর্বে মানুষ শেখেনি। শিল্প বিপ্লবের ফলে চিরচেনা ভূদৃশ্য বদলে যায়, দিগন্ত রেখায় কলকারখানা স্থাপিত হতে থাকে, আকাশ জুড়ে কারখানার চিমনী থেকে নির্গত হচ্ছে ধোঁয়া। শিল্প বিপ্লবের পূর্বে ভূদৃশ্য ছিল বিস্তৃত, সেখানে রেললাইনের উপস্থিতি ঘটে, সোজা দুটি রেখা বিভক্ত করে দেয় সমতলভূমিকে। রেলগাড়ির লম্বা শরীর এবং রেলগাড়ি থেকে নির্গত ধোঁয়া, আকাশে সেই ধোঁয়ার রেখা, দূর থেকে দেখা রেলগাড়ি, বা ধোঁয়াসহ রেলগাড়ি, একে অন্যের বিপরীত দিকে ধায়। সামনে থেকে বা অনেকগুলো রেলগাড়ির ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে ছুটে আসা, এই সবকিছুর মধ্যে শিল্পীরা যে গতির প্রকাশ ঘটিয়েছেন, তা সত্যি চমৎকার, অসাধারণ এবং শক্তিমান। তৈলচিত্রের বিন্যাসগুলো খুব অসাধারণ, দ্বিমাত্রিক তলে গতির পরিস্ফুটন প্রশংসার দাবী রাখে। শিল্পীরা তাদের বিষয়বস্তু নির্বাচনেও অনেক বৈচিত্র্যময় ছিলেন।

মনের তৈলচিত্র অ্যরাইভাল অব নরম্যন্ডি ট্রেইন, শিল্পকর্মটি এমন যে মনে হবে আপনাকে নিমন্ত্রণ জানানোর জন্য স্টেশনে অপেক্ষা করছে রেলগাড়িটি। শিল্প বিপ্লবের শুরু এবং আপনি সেই রেলগাড়িতে চড়ে কয়েক দশক পার করে, শিল্প বিপ্লবের সময়ের অভিজ্ঞতা শেষ করবেন মনেরই লন্ডনের ব্রিজের তৈলচিত্রগুলো দিয়ে। মনে এই স্টেশনের আসতেন, রেলগাড়িতে যাতায়াত করতেন এবং স্টেশনে বসে শ্রমিকদের ভিড়ে ছবি আঁকতেন। শিল্পী কাইবোতও যে ব্রিজগুলো এঁকেছেন সেই ব্রিজ তিনি প্রতিদিন দেখতেন। মনের কাজের প্রাধান্য থাকলেও কামিল পিসারোকেও বেশ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, এছাড়াও যাদের শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে তারা হলেন ; ভিনসেন্ট ভ্যান গগ, অ্যদুয়ার্দ মানে, জর্জ সুর‌্যা, অঁরি অটমান, এমিল বার্নার্দ, ম্যাক্সমিলিয়ঁ লুস, গুস্তাভ কাইবোত, জেমস টিসট, আসিলাহ কিনেহ, চার্লস মারভিল, অ্যদগার দেগা, মেরি কাসাট, আলফ্রেড সিসলে, লুমিয়ের ব্রাদারস, কন্সটানটাঁ মিউয়ের, জুল ডালু এবং আরো অনেকে।

১৮৮৯ সালে জর্জ সুর‌্যাঁর পয়েন্টেলিজমে আঁকা আইফেল টাওয়ারের ক্ষুদ্র একটি তৈলচিত্র দর্শকদেরকে খুবই আকর্ষণীয়। পিসারোর ছবিতে, শহুরে ভূদৃশ্যই বেশি, তাদের মধ্যে প্যাসিরে বৃষ্টি বা প্রশস্ত রাস্তায় প্যারিসের জনজীবন। তবে তাঁর মাংস বিক্রেতা নারীর তৈলচিত্রটিও দারুণ। লুসের ইস্পাতের কারখানায় শ্রমিকদের কর্মরত অবস্থায় দেখা যায় গনগনে আগুনের পাশে বা জুসেপ্পে ডি নিত্তিসের শিল্পকর্মে দেখা যায় রাস্তা নির্মাণের কাজ করছে শ্রমিকরা ।

শিল্পী দেগা তাঁর নারী শ্রমিকদের চিত্রের জন্য চিরকাল বিখ্যাত। তাঁর কাজে আমরা দেখতে পাই নারীদের জীবনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড। দেগার একটি শিল্পকর্মে আমরা দেখি ধোপানীদের কর্মজীবন। এত পরিমিত রঙে এবং তুলির আঁচড়ে তিনি চিত্রটি নির্মাণ করেছেন, সত্যি অসাধারণ। লোহার গরম ইস্ত্রি দিয়ে ভাঁজ করা সাদা শার্ট পাশে বাটিতে রাখা পানি, জানালায় কাপড় শুকাতে দেয়া, সব কিছুর মধ্যে একটা ঘরোয়া কিন্তু পরিশ্রমের মিষ্টি গন্ধ রয়েছে। তিনি কারখানার সামনে, কারখানার মালিক অঁরি রোয়ার্টের প্রতিকৃতিও নির্মাণ করেছেন। কিউরেটর ভালো পোশাকে সজ্জিত অঁরির প্রতিকৃতির পাশে মিউনিয়েরে লিথোগ্রাফ জরাজীর্ণ মলিন পোশাক পরিহিত খনি শ্রমিকের প্রতিকৃতি মুখোমুখি উপস্থাপন করে, তাঁর অসাধারণ বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেন। দেগার শিল্পকর্মে আমরা তুলা ব্যবসায়ীর ক্রয়ের জন্য তুলা বাছায়ের মুহূর্তটিও দেখতে পাই। সবকিছুই যেন বাণিজ্যের সাথে যুক্ত। শিল্পীরা এঁকেছেন, কারখানার শ্রমিক, ধোপা, শহর বা গ্রামের সাধারণ শ্রমিকদেরও। রিয়েলিজমের শিল্পীদের ধারাবাহিকতায় ইম্প্রেশনিজমের শিল্পীরাও সমাজের সাধারণ শ্রমিকদের বিষয়বস্তু করে, তাদেরকে বীররূপে প্রকাশ করেছেন তাদের শিল্পকর্মে। যাদের সবার অবদানে গড়ে উঠেছে আজকের বিশ্ব।

ভিনসেন্টেও নারী শ্রমিকদের চিত্র এঁকেছেন বহু সংখ্যায়। তাঁর আঁকা ক্ষুদ্রাকার তৈলচিত্রটি একজন গ্রামের নারী শ্রমিকের। একটি ভূদৃশ্যও স্থান পেয়েছে; যেখানে ক্লিসির দিগন্তে অনেকগুলো কারখানার সারি দেখা যায়। কারখানার চিমনি থেকে ধোঁয়া উঠছে, দূরে গ্রাম। পেছনে মাঠ এবং মাঠে হাঁটছে একজোড়া দম্পতি। নারীটি হাত দিয়ে পুরুষ সঙ্গীকে পেঁচিয়ে ধরে আছে। অসাধারণ এক বৈপরীত্য আমরা লক্ষ্য করি। শিল্প বিপ্লবের যুগে প্রেম। শিল্পী মেরী কাসাটের তৈলচিত্র দ্য নার্স, যেখানে আমরা দেখি শিশুদের নিয়ে বাগানে একজন ন্যানি। এছাড়াও আমরা দেখি ইম্প্রেশনিজমের শৈলীতে গড়া শ্রমিকদের ভাস্কর্যও। কয়লা শ্রমিকদের নৌকায় কয়লা তোলার দৃশ্য, ব্রিজ নির্মাণের কাজ, ব্রিজের ওপর মানুষ, স্টেশনে মানুষ বেড়াতে বেরিয়েছে, স্টেশনে মানুষ অপেক্ষা করছে রেলগাড়ির জন্য, লোহার সেতুর স্থাপত্যের সৌন্দর্য, সেই সময়কার মানুষের ফ্যাশন সচেতনতাও আমাদের নজর কাড়ে।

আলোকচিত্র: লেখক এবং কাজী মাহবুব হাসান

ইত্তেফাক/আরএ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত