হেলাল হাফিজের কবিতা: অনন্ত জোছনাক্ষরণ

হেলাল হাফিজের কবিতা: অনন্ত জোছনাক্ষরণ
কবি হেলাল হাফিজ। জন্ম: ৭ অক্টোবর, ১৯৪৮ সাল।

‘সে আমার শৈশবের কথা, মানুষের নির্মমতায় আহত হয়ে একদিন কবিতার কাছে আশ্রয় নিয়েছিলাম। সেই থেকে কবিতার সাথে আমার দারুণ সখ্য আর গেরস্থালি শুরু। তারপর মানুষ আমাকে পোড়াতে পোড়াতে কবি করে তুলেছে। এখন কবিতাই আমার প্রতিবাদ, প্রতিরোধ এবং প্রণয়ের একমাত্র মাধ্যম। আজকাল আমি ছেড়ে যেতে চাই, কবিতা ছাড়ে না। কি জানি, হয়তো সেও এতদিনে আমার ভেতরে খুব নিরাপদ আশ্রম গড়েছে।’ এ কথাগুলো তার নিজস্ব কাব্যভাবনা নিয়ে হেলাল হাফিজ লিখেছিলেন সেই আশির দশকে।

‘যুগল জীবনী’কবিতায় কবি লিখেছেন:

আমি ছেড়ে যেতে চাই কবিতা ছাড়ে না,

দুরারোগ্য ক্যান্সারের মত

কবিতা আমার কোলে নিরাপদ আশ্রম গড়েছে...

আজ এই দীর্ঘ বছর পর তার কাব্যভাবনা একইভাবে সত্য রয়ে গেছে। সাম্প্রতিক কবিতায় তিনি লিখেছেন :

না দিয়ে যৌবন শুরু

কার যেন বিনা দোষে শুরুটা হলো না ।

[সুন্দরের গান/এক জীবনের জন্মজখম]

হেলাল হাফিজ—খ্যাতিমান হয়েছেন ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ লিখে—এই কথাটি সত্য হলেও এর মধ্যে একটু খটকাও আছে। ব্যাপারটা এরকম—‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’লেখা না হলে কি তার অন্যান্য কবিতা দিয়ে তিনি খ্যাতিমান হতেন না! আমরা বলব—অবশ্যই হতেন। কারণ ‘নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়’ছাড়া তার অন্যান্য কবিতাও বাংলা কবিতার ইতিহাসে কবির নামকে স্থায়ী করে রাখতে সমানভাবে পারঙ্গম ।

উদাহরণ :

নিউট্রন বোমা বোঝ

মানুষ বোঝ না!

[অশ্লীল সভ্যতা/যে জ্বলে আগুন জ্বলে]

হেলাল হাফিজের কবিতার একটি অসাধারণ চারিত্র হলো—তিনি কবিতাকে বহুদূর থেকে ফোকাস করেন, পরোক্ষ তার উচ্চারণ ভঙ্গিমা।

যেমন :

এই নাও বাম হাত তোমাকে দিলাম ।

একটু আদর করে রেখো, চৈত্রে বোশেখে

খরা আর ঝড়ের রাত্রিতে মমতায় সেবা ও শুশ্রূষা দিয়ে

বুকে রেখো, ঢেকে রেখো, দুর্দিনে যত্ন নিও

সুখী হবে তোমার সন্তান।

কবিতাটি একটি রাজনৈতিক কবিতা। সমাজতন্ত্র নিয়ে লেখা, কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে প্রেমের কবিতা বলে ভ্রম হতে পারে। আরও দুটি উদাহরণ:

১. গাভিন ক্ষেতের ঘ্রাণ, জলের কলস, কাক

পলিমাটি চেনা মানে আমাকেই চেনা।

আমাকে চেনো না?

আমি তোমাদের ডাকনাম, উজাড় যমুনা।

[নাম ভূমিকায়/যে জলে আগুন জ্বলে]

এটি বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা কবিতা অথচ কোথাও বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারিত হয়নি ।

২. চতুর বণিক তুমি আঁধারে নেমেছো এই বাণিজ্যে ভ্রমণে,

কে জানে কী আছে পাড়া-পড়শীর মনে!

লোভে আর লালসায় অবশেষে আগন্তুক সর্বস্ব হারাবে,

কেন না প্রভাত হলে চারদিকে মানুষের ঢল নেমে যাবে।

এই কবিতাটি নব্বইয়ের গণআন্দোলন নিয়ে লেখা একটি রাজনৈতিক কবিতা। কবিতার গঠনশৈলিতে কোনো দ্রোহ নেই, কিন্তু কবিতার গভীরে রয়েছে তুমুল সংঘর্ষের আহ্বান।প্রেমের কবিতায়ও তিনি ষোল আনাই উত্তীর্ণ। তবে প্রেম তার কবিতায় এসেছে বহুমাত্রিক ও বহুরৈখিক স্বরে :

ইচ্ছে ছিলো রাজা হবো

তোমাকে সম্রাজ্ঞী করে সাম্রাজ্য বাড়াবো,

আজ দেখি রাজ্য আছে

রাজা আছে,

ইচ্ছে আছে,

শুধু তুমি অন্য ঘরে।

[ইচ্ছে ছিলো/যে জলে আগুন জ্বলে]

কবি হেলাল হাফিজ জন্ম নিয়েছিলেন কবিতা লেখার উদ্দেশ্যে এবং তিনি লিখেছেনও। তার আপাদমস্তক ঘিরে শুধুই কবিতা। আর যিনি কবি হয়ে উঠবেন তিনি অস্বীকার করবেন যাবতীয় প্রথা, প্রচলিত রীতি-নীতি। হেলাল হাফিজ ঠিক তা-ই :

বেরিয়ে যে আসে সে তো এভাবেই আসে,

দুর্বিনীত ধ্রুপদী টংকার তুলে

লণ্ডভণ্ড করে চলে আসে মৌলিক ভ্রমণে, পথে

প্রচলিত রীতি-নীতি কিচ্ছু মানে না। [কে/যে জলে আগুন জ্বলে]

প্রসঙ্গত ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ থেকে কোট করে বলি। তিনি তার The philosophy of Rabindranath Tagore গ্রন্থে বলেছেন—In interpreting the phillosophy and message of Rabindranath Tagore, we are interpreting the Indian ideal of philosophy, religion, and art of which his work is the outcome and expression. We do not know whether it is Rabindranath's own heart or the heart of India that is beating here.

রবীন্দ্রভাবনার ঔপনিষদিক অখণ্ড ভারত থেকে জীবনানন্দের কাব্য ছিল একেবারে বিপরীত, বহুদূরে, জটিল পৃথিবীর দুর্বোধ্য মানসিকতার আবহে। আধুনিক কাব্য আন্দোলন রবীন্দ্রনাথ থেকে জীবনানন্দে আসতে কাল হিসেবে বেশি সময় না নিলেও ঠিক আগের মতোই এই নতুন অভ্যাসে রপ্ত হতে সময় নিয়েছে। রবীন্দ্রনাথের কাব্যভাবনা, দার্শনিক চেতনার মূলে ছিল আগাগোড়া বিশ্বাসের অভিব্যক্তি। রবীন্দ্রপরবর্তী অধ্যায় চিহ্নিত হয়েছে বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অনাস্থা জ্ঞাপনে। জীবনানন্দও এর থেকে ব্যতিক্রম নন। রবীন্দ্রনাথকে সভ্যতার বিষ নীল করতে পারেনি। উপনিষদের পাঠ জীবনানন্দেরও ছিল। কিন্তু চিরকালকে ছাড়িয়ে সমকালের দাবি জোরদার হয়ে উঠলে যুদ্ধোত্তর পৃথিবীর অস্থিরতা জীবনান্দকে নাড়া দেয়। তথাপি চিরকাল তার কবিতায় still point-এর মতো রয়ে গেছে এবং অদ্ভুতভাবে মিশে গেছে এই দুটি সময়ের স্রোত।

এলিয়েটও ভেবেছেন ঠিকই একইভাবে—

All great art is in a sense a document on its time, but great art is never merely a document, for merely documentation is not art. All great art has something permanent and universal about it, and reflects the permanent amount as well as changing.

[Tradition and The Individual Talent/Eliot]

ইতিহাস চেতনায় অনুসৃত ও সমৃদ্ধ হয়ে বর্তমান সভ্যতার উন্মথিত বেদনার বিষ পরিপাক করে জীবনানন্দ পেয়েছিলেন সেই আনন্দস্বরূপ প্রত্যয়কে—

‘আছে আছে আছে’এই বোধির ভিতরে চলেছে

নক্ষত্র, রাত্রি, সিন্ধু, রীতি মানুষের বিষয় হৃদয় [সময়ের কাছে/সাতটি তারার তিমির]

তবে তাকে পেরিয়ে আসতে হয়েছিল ডাঁশা ভাঙ্গা নাক, হিম স্তন, চুন চুন চোখ, খড়ি ওঠা মুখ, অবৈধ সংগম। বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী মূল্যবোধের এই ক্লান্তি রবীন্দ্রনাথের ছিল না। রবীন্দ্রনাথের মতো জীবনানন্দ নিঃসংশয় হতে পারেননি। সভ্যতার অমানবিক জঙ্গলে প্রতি মুহূর্তে জীবনের ক্ষয়কে তিনি টের পেয়েছিলেন। চারদিক থেকে কেবল বিচিত্র ভয় ক্লান্তি অবসাদ—

দূরে কাছে কেবলি নগর ঘর ভাঙ্গে

গ্রাম পতনের শব্দ হয়;

মানুষেরা ঢের যুগ কাটিয়ে দিয়েছে পৃথিবীতে

দেয়ালে তাদের ছায়া তবু

(পৃথিবীলোক)

কবি হেলাল হাফিজকেও যেন গ্রাস করে এক বিষণ্ণ অবসাদ। তিনি দেখতে পান সুন্দরের হাতে হাতকড়া, গোলাপের বিরুদ্ধে হুলিয়া। তবে তিনি কবিতাকে কখনো করে তোলেননি স্লোগানমুখর। কবি উচ্চারণ করে ওঠেন—

এখন যৌবন যার মিছিলে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়

এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়

[নিষিদ্ধ সম্পাদকীয়/যে জ্বলে আগুন জ্বলে]

তিরিশের পাঁচ মহৎ কবির পর বাংলাদেশে পঞ্চাশের দশকে উল্লেখযোগ্য কবি—শামসুর রাহমান, আল মাহমুদ, সৈয়দ শামসুল হক, শহীদ কাদরী প্রমুখ। শামসুর রাহমান নাগরিক চেতনার কবি। স্বাধীনতার কবি। আল মাহমুদ কবিতায় নিয়ে এসেছেন লোকজ অনুষঙ্গ। প্রথম দিকের কবিতায় দর্শনের চেয়ে রূপমুগ্ধতাই ছিল প্রবল। শহীদ কাদরীও নাগরিক ধারার কবি। তার প্রথম কাব্যে সংযত আবেগ লক্ষ করা গেছে, পরে ‘কোথাও কোনো ক্রন্দন নেই’গ্রন্থে আবেগ অনেকটা মুক্ত ও ছড়ানো। সৈয়দ হক স্বল্প আবেগের স্ট্রাকচারাল কবিতায় সাবলীল। এরপর ষাটের দশকের উল্লেখযোগ্য কবি সিকদার আমিনুল হক, আবদুল মান্নান সৈয়দ, মোহাম্মদ রফিক, রফিক আজাদ, মহাদেব সাহা, নির্মলেন্দু গুণ, সমুদ্র গুপ্ত, হুমায়ূন আজাদ, আবুল হাসান, হেলাল হাফিজ প্রমুখ। তিরিশের পর সবচেয়ে বেশি সংখ্যক সফল কবির আবির্ভাব ষাটের দশকে।

এই দশকের কবি হেলাল হাফিজ, বিশ্বাসে সমাজতন্ত্রী, তবে গন্তব্য শেষ করেন

মানবতাবাদে।—

তারপর ফেরে, তবু ফেরে, কেউ তো ফেরেই

আর জীবনের পক্ষে দাঁড়ায়,

ভালবাসা যাকে খায় এই ভাবে সবটুকু খায়

[প্রত্যাবর্তন/যে জলে আগুন জ্বলে]

এলিয়ট যেভাবে বলেছেন—কবিতা মানে আবেগের কাছে আত্মসমর্পণ নয়; বরং আবেগের তাড়না থেকে নিষ্কৃতি। এটা ব্যক্তিত্বের অভিব্যক্তি নয়; বরং ব্যক্তিত্ব থেকে নিষ্কৃতি, কিন্তু অবশ্যই এই নিষ্কৃতি বলতে কী বোঝানো হয়েছে এটা তারাই বুঝতে পারবেন যাদের আবেগ ও ব্যক্তিত্ব আছে। ‘আমার কী এসে যাবে’ কবিতায় Tendency of escapism লক্ষ করা যায়—

আমার কী এসে যাবে, কিছু মৌল ব্যবধান ভালোবেসে

জীবন উড়ালে একা প্রিয়তম দ্বীপের উদ্দেশ্যে।

তবে কবিতার শেষের দিকে emotion যেন কিছুটা চাড়া দিয়ে উঠেছে। তিনি তার সিদ্ধান্তের কথা expose করে দিয়েছেন—

আমাকে পাবে না খুঁজে, কেঁদে কেটে, মামুলী ফাল্গুনে।

কোনো কোনো পাশ্চাত্য কাব্য-সমালোচক বলেছেন যে, কবিতার ভাষা প্রকৃতপক্ষে অসম্ভবের ভাষা, যেমন বলেছেন ক্লিনথ ব্রুকস। কিন্তু কবিতার ভাষা মানেই অসম্ভবের ভাষা—এ কথাও গ্রহণযোগ্য নয়, তবে এটা সত্য যে কবিতায় প্রায়ই আপাত অসম্ভব উক্তি থাকে। একে সমালোচকেরা বলেন প্যারাডক্স। শৈলিবিজ্ঞানের পরিভাষায় এর নাম Semantic oddity. ব্রনৌস্কি বলেছেন—আমরা সবসময় চিন্তা করি, কল্পনার জগৎ সৃষ্টি করি। যা দেখছি তার বাইরেও কিছুর অস্তিত্ব কল্পনা করে সেই অস্তিত্বকে ভাষায় রূপ দেওয়ার চেষ্টা করি। কল্পনাকে ভাষায় রূপ দিতে গিয়ে অস্পষ্টতা বা অসংগতি থেকে যেতেই পারে। কবিতা যেহেতু কল্পনারই ভাষাগত প্রকাশ তাই কবিতার ভাষায়ও কিছু আপাত-অসংগতি থাকবেই। এই Semantic oddity কবির সৃজনশীল ভাষা প্রয়োগের একটি উপায়—

ঋণ শোধ করে দিতে গিয়ে এই

অনন্ত রৌদ্রের অন্ধকার।

(জীবনানন্দ দাশ/নাবিকী)

হেলাল হাফিজের কবিতায়—

বৃষ্টিতে শুকাবো তোকে, ভেজাব রোদ্দুরে

[এক জীবনের জন্মজখম/হেলাল হাফিজ]

হপকিন্সের The Wreak of Deutschland কবিতায় একটি অসামান্য পঙক্তি এরকম—

The widow-making unchilding unfathering deeps একে অর্থহীন মনে করার কোনো কারণ নেই। কারণ শব্দ নির্মাণের কৌশলে কবি যা বলতে চেয়েছেন তাকে পরিয়েছেন এক গূঢ় পোশাক। তার উদ্দিষ্ট অর্থ হলো গভীর সমুদ্র নারীকে করেছে স্বামীহারা, শিশুদের করেছে পিতৃহারা আর পিতাকে সন্তানহারা। এই চমকপ্রদ প্রয়োগে পাঠক হয়তো কিছুটা দিশেহারা হবেন, কিন্তু এর ব্যঞ্জনা ধরতে পারলে রোমাঞ্চিত হবেন বৈকি।

আপাত-অসম্ভব অর্থও আমাদের হতভম্ব করে দিতে পারে। যেমন—

কোনো-যে মানে নেই সেটাই মানে

কোনো-যে মানে নেই সেটাই মানে

(শঙ্খ ঘোষ, মানে)

হেলাল হাফিজ থেকে উদাহরণ—

আসবো বলে আমি এতদিন কখনো আসিনি ।

[দাগ/বেদনাকে বলেছি কেঁদো না]

এই সব কথার অর্থ আপাত-অসম্ভব বটে তবে সেই অসম্ভবের আড়ালে আছে গভীর ব্যঞ্জনা, লুকিয়ে থাকা অনেক অর্থ।

তিরিশ দশকের আধুনিক কাব্যধারা এখনো প্রবাহিত। শুরু হয়েছিল জীবনানন্দের রবীন্দ্রনাথকে গ্রহণ, বর্জন এবং অবশেষে রবীন্দ্রনাথকে জীবনানন্দীয় করে তোলার মধ্য দিয়ে। বস্তুত আধুনিকতাবাদ কোনো একক আন্দোলন নয়, একরাশ আন্দোলনের ইমপ্রেশনিজম, অভিব্যক্তিবাদ, কিউবিজম, ভবিষ্যদ্বাদ, প্রতীকবাদ, চিত্রকল্পবাদ, ভর্টিসিজম, দাদাবাদ, পরাস্তবাদ ও আরও নানা শিল্পবাদের সমষ্টি। এসব বাদের মধ্যে মিল রয়েছে। এখানে প্রতিটি আন্দোলনই বাস্তববাদ ও রোমান্টিকতা বিরোধী ও বিমূর্ততামুখী। এছাড়া এগুলোর মধ্যে মিলের চেয়ে অমিল বেশি এবং কতিপয় ক্ষেত্রে পরস্পরবিরোধী। জীবনানন্দের সর্বব্যাপৃত আধুনিকতাবাদের প্রভাব থেকে বাংলা সাহিত্য এখনো মুক্ত নয়। তাঁর উত্তরকালের কবিরা চেষ্টা করেছেন অবশ্যই নতুন মাত্রা যোগ করতে। কতটা পেরেছেন সে দায়িত্ব সমালোচকদের কাছেই রইলো।

এ পর্যন্ত এসে অকপটে বলতে চাই—হেলাল হাফিজ হয়ে ওঠেন আধুনিক এবং অনন্ত জোছনাক্ষরণের কবি যখন তিনি উচ্চারণ করেন—

তবে কি মানুষ চোখে মেখেছে স্বপন

পতন দিয়েই আজ ফেরাব পতন!

[নিখুঁত স্ট্র্যাটেজি/যে জলে আগুন জ্বলে]

ইত্তেফাক/এএএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত