দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট- শাহীন চিশতির প্রথম উপন্যাস

দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট- শাহীন চিশতির প্রথম উপন্যাস
‘দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট’ উপন্যাসের প্রচ্ছদ

লিঙ্গ বৈষম্য, জাতিগত নিপীড়ন, যুদ্ধকালীন দুর্দশা ও নারী মুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে ‘দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট’ নামে বই প্রকাশ করেছেন শাহীন চিশতি। তিনি বিখ্যাত সুফি সাধক খাজা মইনুদ্দিন চিশতীর বংশধর। লন্ডনে বসবাসরত এই লেখকের এটাই প্রথম উপন্যাস।

শাহীন চিশতি বরাবরই নারী ক্ষমতায়ন বিষয়ক একজন সাহসী প্রবক্তা। বিশ্ব-সমাদৃত এই ব্যক্তিত্ব কিছুদিন আগে ‘দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট’ উপন্যাসটি প্রকাশ করেন।

লেখকের ভাষ্যমতে, যাদের জীবন মেয়ে- নাতনী অথবা যেকোনো নারীর সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের জন্যই বইটি। এখানে তিনটি ভিন্ন প্রেক্ষাপটের তিনজন নারীর বাস্তব ঘটনার আলোকে লেখা অভিজ্ঞতার কথা বলা হয়েছে। যেখানে তারা নারীদের সামাজিক মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেছেন। তারা নিজেদের নাতনিদের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যত গড়তে চান।

No description available.

বইটিতে হেলগার কথা বলা হয়েছে। যিনি হলোকাস্ট থেকে বেঁচে ফেরা একজন নারী। আছেন কমলা, যার জন্ম বাংলার ১৯৪৩ সনের দুর্ভিক্ষে। আরেকজন ল্যানেট, তার জন্ম উইন্ডরাশ প্রজন্মে। এই নারীরা প্রথমবারের মতো নাতনিদের তাদের ফেলে আসা জীবনের ঘটনা শোনান; তাদের সাহস জোগাতে, স্বপ্নের কাছে নির্ভয়ে এগিয়ে যাওয়ার আশা দিতে।

দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট-এর লেখক শাহীন চিশতী বলেন, প্রথম বই প্রকাশ করতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। দ্য গ্র্যান্ড ডটার প্রজেক্ট আমার ভালোবাসার কাজ। আশা রাখছি আমার এই কাজ নারী ক্ষমতায়ন ও লিঙ্গ বৈষম্য নিয়ে সবাইকে সচেতন করবে।

সৌভাগ্যবশত আমি এমন কিছু নারীর সান্নিধ্যে বেড়ে ওঠেছি, যারা আজকের আমাকে গড়ে তুলেছেন। এই বইটা তাদের এবং পৃথিবীর সব নারীকে উৎসর্গ করছি, যোগ করেন তিনি।

বলেন, দুঃখের কথা হচ্ছে আজকের দিনে এসেও অসংখ্য নারী তাদের প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত। যা অতিদ্রুত পরিবর্তন হওয়া দরকার। আশা করছি বইটি এ পরিবর্তনে অবদান রাখতে পারবে।

লেখক আরও বলেন, তিনি এমন একটা বই লিখতে চেয়েছেন, যা জাতি-বর্ণ-ধর্মের উর্ধ্বে গিয়ে সবাইকে এক করতে পারবে। হেলগা, কমলা, ল্যানেট-এর জন্ম হয়তো পৃথিবীর আলাদা আলাদা স্থানে, কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে প্রতিদিন পৃথিবীর অসংখ্য নারীকে যেতে হচ্ছে। একদিন এ অবস্থার পরিবর্তন হবে বলেই বিশ্বাস করি। সব পরিচয়ের উর্ধ্বে গিয়ে ‘মানুষ’ হিসেবেই পরিচিতি পাবে।

ইত্তেফাক/টিএ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x