সিরামিক শিল্ড ও কানেক্টরবিহীন ফাইভজি সমর্থিত আইফোন ১২ উন্মোচন করল অ্যাপল

সিরামিক শিল্ড ও কানেক্টরবিহীন ফাইভজি সমর্থিত আইফোন ১২ উন্মোচন করল অ্যাপল
ছবি: সংগৃহীত

আপনার বর্তমান আইফোন ফাইভজি নেটওয়ার্ক কাজ করবে না। তবে সদ্য আসা অ্যাপলের চারটি ফোন এই প্রযুক্তি সমর্থন করবে। অ্যাপলের ফোনগুলো তারা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে উন্মুক্ত করেছে। গত মঙ্গলবার একটি ভার্চুয়াল ইভেন্টের মাধ্যমে আইফোন ১২ উন্মুক্ত করে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে আরও চারটি নতুন ফাইভজি সমর্থিত ডিভাইস উন্মুক্তের ঘোষণাও দেয়। এর মধ্যে রয়েছে অ্যাপলের প্রথম মিলিমিটার তরঙ্গ সমর্থিত ডিভাইস।

সংস্থাটির ৫.৪ ইঞ্চি আইফোন ১২ মিনি, ৬.১ ইঞ্চি আইফোন ১২, ৬.১ ইঞ্চি আইফোন ১২ প্রো এবং ৬.৭ ইঞ্চি আইফোন ১২ ম্যাক্স প্যাক আনার ঘোষণা দিয়েছে।

এখানে প্রো সিরিজের সঙ্গে সাধারণ সংস্করণের মূল পার্থক্য ডিভাইসের পেছনে বাড়তি একটি টেলিফটো লেন্স এবং একটি লাইডার সেন্সরের সংযোজন। ডিভাইসগুলোতে নতুন পাঁচ ন্যানোমিটার প্রসেসে তৈরি এ১৪ বায়োনিক চিপ ব্যবহার করেছে অ্যাপল। ফলে আইফোন ১১ সিরিজের চেয়ে বেশি গতি এবং গ্রাফিক্স পাওয়া যাবে আইফোন ১২-সিরিজে।

আইফোন ১২ সিরিজের সঙ্গে নতুন ‘ম্যাগসেইফ’ ফিচারও এনেছে অ্যাপল। ডিভাইসটির পেছনে চুম্বক পাত যোগ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে ওয়্যারলেস চার্জিং প্যাডে ডিভাইসটি সহজে সঠিক স্থানে বসাতে পারবেন গ্রাহক। পাশাপাশি ম্যাগসেইফের সঙ্গে ব্যবহারযোগ্য নতুন কিছু অ্যাকসেসোরিও দেখিয়েছে অ্যাপল। আইফোন ১২ মিনি, আইফোন ১২, আইফোন ১২ প্রো এবং আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্সের বাজার মূল্য শুরু হচ্ছে যথাক্রমে ৬৯৯, ৭৯৯, ৯৯৯ এবং ১০৯৯ মার্কিন ডলার থেকে।

আইফোনের সকল আন্তর্জাতিক সংস্করণে ফাইভজি প্রযুক্তি সমর্থন করবে তবে মার্কিন সংস্করণে মিনি ওয়েভ থাকবে। আইফোন ১২ মিনি এবং আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্সের প্রি-অর্ডার শুরু হচ্ছে ৬ নভেম্বর থেকে। ডিভাইস দু’টি বাজারে আসবে নভেম্বরের ১৩ তারিখ। অন্যদিকে আইফোন ১২ এবং আইফোন ১২ প্রো’র প্রি-অর্ডার শুরু হবে ১৬ অক্টোবর। ডিভাইস দু’টি বাজারে আসবে ২৩ অক্টোবর।

ফাইভজি গত বছর থেকে বিশ্বের একটি আলোচিত বিষয় ছিল তবে চলতি বছরে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের আগ্রহ বেড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আগত সকল ফোন ফাইভজি সমর্থন যোগ্য ফোন হিসেবে আসার বিষয়টি সমর্থন করে। অ্যাপল তাদের ১২ সিরিজের ফাইভজি সমর্থনযোগ্য ফোনগুলো নিয়ে প্রতিযোগীতায় নেমেছে। তারা ফাইভজি নিয়ে গুঞ্জনকে আরও বাড়াতে চলেছে। দেড়িতে হলেও অ্যাপল ফাইভজি নিয়ে বড় ধরণের প্রতিযোগীতে পরিনত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী, এ বছর অ্যাপল ফাইভজি সমর্থিত ৫০ মিলিয়ন ফোন বাজারজাত করবে। ২০২০ সালে সংস্থাটি দ্বিতীয় ফাইভজি সমর্থিত পণ্য বিক্রেতা হয়ে উঠবে। ২০১৯ সালের মে মাস থেকে স্যামসাং ফাইভজি সমর্থিত গ্যালাক্সি ফোন বাজারজাত করেছিল। আগামী বছর অ্যাপলই হবে সর্ববৃহত ফাইভজি সমর্থিত ফোন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান। সূত্র :সিনেট

ইত্তেফাক/বিএএফ

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত