মঙ্গলের মাটি ছোঁয়ার অপেক্ষায় নাসা

মঙ্গলের মাটি ছোঁয়ার অপেক্ষায় নাসা
ছবি: নাসা।

প্রথমবার মঙ্গল গ্রহের মাটি স্পর্শ করবে নাসার স্বপ্নের মঙ্গলযান পারসিভিয়ারেন্স। বাংলাদেশী সময় অনুযায়ী শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মঙ্গলের মাটিতে নামছে নাসার মহাকাশযান।

সাত মাসের যাত্রার পর এবার মঙ্গল গ্রহের মাটিতে নামার পালা মঙ্গলযান পারসিভিয়ারেন্সের। এই যানটিতে রয়েছে একটি ল্যান্ডার ভিশন সিস্টেম, রয়েছে টেরেন রিলেটিভ নেভিগেশন। এই মঙ্গল যাত্রাই ২০২০ সালে নাসার সর্বাধিক বড় মিশন ছিল। এই মঙ্গলযানে রিয়েল টাইম ছবি তুলে রাখার স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র রয়েছে। মঙ্গলযানটির মধ্যে থাকা সফটওয়্যার এই রোভারকে পছন্দমত স্থান নির্বাচন করে নামতে সাহায্য করবে।

মঙ্গলের মাটিতে কি কি উপাদান রয়েছে, তা নিয়ে গবেষণা চালাবে পারসিভিয়ারেন্স রোভার। এজন্য মহাকাশযানটিতে রয়েছে বিশেষ যন্ত্র, যার নাম মক্সিই। এই যন্ত্রের সাহায্যে মঙ্গলের বায়ু মন্ডলে অক্সিজেন তৈরি করা যাবে বলে জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। মঙ্গলের মাটির উপাদান সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফেরার কথা পারসিভিয়ারেন্সের।

ওয়াশিংটনে নাসার সদর দফতরের বিজ্ঞানী থমাস জুরবুচেন জানান এটি নাসার স্বপ্নের মহাকাশযান। মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখবে এটি। ২০২০ সালে নাসার পক্ষ থেকে এই মঙ্গল-অভিযানের যে দিন ধার্য করা ছিল, তা হল ২৭ শে জুলাই। একাধিক কারণে পরবর্তীতে তা পিছিয়ে ৩০শে জুলাই করা হয়। ৩০শে জুলাই নির্ধারিত সময় মেনেই ইস্টার্ন ডেলাইট টাইম ৭টা ৫০ মিনিটে এটি মহাকাশে পাড়ি দেয়। আটলাস ভি-৫৪১ রকেটে চেপে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে মঙ্গলের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায় পারসিভিয়ারেন্স রোভার।

মঙ্গলগ্রহে নামার পর নাসার সাদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার জেট প্রপালশিয়াল ল্যাবরেটরি থেকে এর সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। সারা পৃথিবীর মানুষ ভার্চুয়ারি রোভার ল্যান্ডিয়ের সাক্ষী থাকতে পারবে। নাসা টিভি পাবলিক চ্যানেল ও নাসার ওয়েবসাইটে দেখানো হবে এই সম্প্রচার।

ইত্তেফাক/এএইচপি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x