ঢাকা শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬
৩০ °সে


শুরু হচ্ছে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা

শুরু হচ্ছে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা
ফাইল ছবি।

ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তথ্য প্রযুক্তিতে আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে গত বছরের মত এবারও শুরু হচ্ছে জাতীয় শিশু-কিশোর প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা।

এবার দেশের ৬৪ জেলায় ২০০টি ‘শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবকে’কেন্দ্র করে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। আইসিটি ডিভিশন ও তারুণ্যের প্লাটফর্ম ‘ইয়াং বাংলা’ এ প্রতিযোগিতার আয়োজক।

দ্বিতীয়বারের মত আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় সারাদেশে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবে জেলা পর্যায়ের স্ক্র্যাচ ও পাইথন এই দুই বিভাগে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘স্ক্র্যাচ’ এবং ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ‘পাইথন’ রাখা হয়েছে।এছাড়া এবার সদ্য এসএসসি পাশ করা শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণ করতে পারবে জানিয়েছে আয়োজক সূত্র।

এ লক্ষ্যে আগামী ২২ ও ২৩ মে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইন্সটিটিউশনে অনুষ্ঠিত হবে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা। এতে নির্বাচিত শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাবের আইসিটি শিক্ষক, ইয়াং বাংলা থেকে ল্যাব কোর্ডিনেটর ও জেলা কোর্ডিনেটরগণ অংশ নেবেন। দুই দিনের কর্মশালায় তাদেরকে পাইথন ও স্ক্র্যাচ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এরপর শুরু হবে প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ পর্ব তথা জেলা ক্যাম্পিং।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৬৪ জেলায় নির্বাচিত ২০০টি ল্যাবে শুরু হবে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ। প্রত্যেকটি ল্যাবে ওই অঞ্চলের সবকটি স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। প্রতিটি ল্যাবে গড়ে ৭৫জন করে দেশব্যাপী প্রায় ১৫০০০ শিক্ষার্থীকে এই প্রশিক্ষণের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশী যুবককে গুলি করে হত্যা

প্রতিযোগিতা শুরুর আগে আইসিটি শিক্ষক এবং ল্যাব প্রশিক্ষক তার ল্যাবের সেরা প্রতিযোগীদের বাছাই করবেন। প্রতি ল্যাব থেকে স্ক্র্যাচের জন্য ৩জন করে টিম গঠন করা হবে, ৫টি টিমে মোট ১৫জন শিক্ষার্থী প্রতিটি ল্যাব থেকে স্ক্র্যাচ প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। পাইথনের জন্য প্রতিটি ল্যাব থেকে ১৫জন শিক্ষার্থী এককভাবে অংশ নেবে। প্রাথমিক ভাবে বাছাইকৃত শিক্ষার্থীদের নিয়ে জেলা পর্যায়ে ক্যাম্প ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা পর্যায়ে বিজয়ীদের নিয়ে জাতীয় ক্যাম্প ও প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে সাভার শেখ হাসিনা যুব উন্নয়ন কেন্দ্রে। প্রতি জেলা থেকে বিজয়ী স্ক্র্যাচ টিম এবং বিজয়ী পাইথন প্রতিযোগীরা জাতীয় ক্যাম্পে যোগ দিয়ে ফাইনাল প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে।সেখান থেকে বাছাই করা হবে সেরা টিম। সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

ইত্তেফাক/অনি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২০ জুলাই, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন