ঢাকা মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬
৩১ °সে


জাতীয় ক্যাম্পে বাছাই হলো দেশের শীর্ষ দশ স্টার্টআপ

জাতীয় ক্যাম্পে বাছাই হলো দেশের শীর্ষ দশ স্টার্টআপ
স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ: চেপ্টার ওয়ান'-এর জাতীয় ক্যাম্পের শেষ দিনে বক্তব্য রাখছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ছবি: সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে

'আমার উদ্ভাবন, আমার স্বপ্ন' এই স্লোগানকে সামনে রেখে শুরু হওয়া জাতীয় পর্যায়ের প্রথম স্টার্টআপ প্রতিযোগিতার শেষ দিনে বাছাই করা হলো শীর্ষ ৩০ দল, যেখান থেকে শীর্ষ ১০ দল পেলো ১০ লাখ টাকা করে অনুদান।

মঙ্গলবার (১৪ মে) সকালে সাভারের শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন কেন্দ্রে শুরু হওয়া 'স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ: চেপ্টার ওয়ান'-এর জাতীয় ক্যাম্পের শেষ দিন পিচ শেষে বিজয়ী শীর্ষ ১০ দলের হাতে পুরস্কার তুলে দেন উপস্থিত ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

আমার উদ্ভাবন, আমার স্বপ্ন' এই স্লোগান নিয়ে চলতি বছর ৮ মার্চ শুরু হয় 'স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ'। আইসিটি ডিভিশনের 'ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড অন্টোপ্রনারশিপ একাডেমি' (আইডিয়া) প্রকল্প ও সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ইয়াং বাংলার আয়োজনে চলা এই কার্যক্রমের জাতীয় ক্যাম্পের প্রথম দিনে অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তা দলগুলোকে নিয়ে শুরু হয় কর্মশালা। কর্মশালায় দেশের ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নির্বাচিত ১২০টি উদ্যোক্তা দলের তিনশর বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেন।

জাতীয় ক্যাম্পের প্রথম দিনে কয়েকটি সেশনে অনুষ্ঠিত হয় এ কর্মশালা। যেখানে অংশগ্রহণ করা দলগুলোকে নিজ নিজ উদ্যোগ নিয়ে সফলতার সাথে পিচিং এর জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। এ সময় উদ্ভাবনী ভাবনাকে পণ্যে রূপান্তর এবং বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপের সমন্বয়ক আশিকুর রহমান রূপক ও আইডিয়া প্রকল্পের কনসালটেন্ট মোহাম্মদ দেওয়ান আদনান। জাতীয় পর্যায়ে আয়োজিত এমন স্টার্টআপ ক্যাম্প নিয়ে উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণকারীরাও।

বুধবার (১৫ মে) অংশগ্রহণকারী উদ্যোক্তা দলগুলোকে আরো কিছু বিষয়ে পরামর্শ প্রদান ও নিজেদের গুছিয়ে নেয়ার সময় দেয়া হয়। শেষ দিন বৃহস্পতিবার (১৬ মে) ফাইনাল পিচিং রাউন্ড শেষে বিচারকদের ভোটে বাছাই করা হয় শীর্ষ ৩০ স্টার্টআপ। পরে জাতীয় পর্যায়ে সেরা ১০ উদ্ভাবনী ভাবনা বা স্টার্টআপ নির্বাচন করে ‘আইডিয়া’ প্রকল্পের বাছাই কমিটি এবং অন্যান্য বিচারকরা।

প্রথম অধ্যায়ে ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ প্রতিযোগিতা হলেও পর্যায়ক্রমে তা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজন করা হবে। এমনকি বড় বড় কলেজগুলোতেও ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ’ প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্য রয়েছে বলেও জানান আইডিয়া প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ মুজিবুল হক।

সারাদেশ থেকে প্রায় ২ হাজারের বেশি তরুণ উদ্যোক্তা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইয়াং বাংলার ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডরদের সহায়তায় পরিচালিত প্রতিযোগিতা থেকে বিজয়ী দল বাছাই করা হয়। পিচিং রাউন্ডে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৩টি উদ্যোক্তা দল নির্বাচিত হয় জাতীয় স্টার্টআপ ক্যাম্পের জন্য।

উল্লেখ্য, সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাকে যুক্ত করার মধ্য দিয়ে জাতীয়ভাবে ইনোভেশন কালচার, স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম এবং এন্ট্রাপ্রেনরিয়াল সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলার লক্ষে কাজ শুরু করে আইসিটি বিভাগের ‘ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনারশিপ একাডেমি -আইডিয়া’ প্রকল্প। আর ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের (সিআরআই) অঙ্গ প্রতিষ্ঠান ‘ইয়াং বাংলা’ এ প্রকল্পের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি সাক্ষর করে। এ সমঝোতা স্মারকের আলোকে আয়োজন করা হলো ‘স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ’ প্রথম অধ্যায়।

আরও পড়ুন: রংপুর ভুয়া লাইসেন্সে অস্ত্র মামলায় ৩৯১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, আইসিটি ডিভিশনের সচিব এন এম জিয়াউল আলম, সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এর এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর সাব্বির বিন শামস, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর পার্থপ্রতিম দেবসহ আইসিটি ডিভিশন ও আইডিয়া প্রকল্পের কর্মকর্তাবৃন্দ।

ইত্তেফাক/নূহু

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৩ জুলাই, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন