ঢাকা মঙ্গলবার, ১৮ জুন ২০১৯, ৪ আষাঢ় ১৪২৬
৩২ °সে


পৃৃথিবীর সমান ১৮ গ্রহের সন্ধান মিলেছে ছায়াপথে

পৃৃথিবীর সমান ১৮ গ্রহের সন্ধান মিলেছে ছায়াপথে
ফাইল ছবি

এক যুগের বেশি সময় ধরে চালানো এক গবেষণা শেষে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আমাদের এই ছায়াপথে রয়েছে পৃথিবীর সমান আরো ১৮টি গ্রহ। আর পৃথিবীর চেয়ে ছোট আকারের গ্রহের সংখ্যা কয়েকশ পর্যন্ত হতে পারে বলে তাদের ধারণা। নাসার তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন।

তাদের দাবি, খালি চোখে দেখা না গেলেও ছায়াপথে লুকিয়ে রয়েছে পৃথিবীর কাছাকাছি মাপের এসব গ্রহ। ভবিষ্যতে এই ধরনের আরো গ্রহ আবিষ্কার হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তারা। মহাকাশে বসবাসের উপযুক্ত গ্রহের অনুসন্ধানকারী দূরবীক্ষণ হিসেবে খ্যাত কেপলার মহাকাশযানটি ২০০৯ সাল থেকে গত বছর পর্যন্ত নাসাকে তথ্য পাঠিয়েছে। গত বছর অবসরে চলে যাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কেপলার মহাকাশযান যেসব তথ্য দিয়েছে সেসব তথ্য বিশ্লেষণ করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সৌরজগতের বাইরে হাজারো গ্রহ রয়েছে। যার মধ্যে আমাদের ছায়াপথেও রয়েছে কয়েকশ গ্রহ। নাসার পদার্থবিজ্ঞানী উইলিয়াম বরুসকি বলেছেন, কেপলার সত্যিই সত্যিই জ্যোতির্বিজ্ঞানকে নতুন দিগন্ত দিয়ে গেছে। এটি দেখিয়ে দিয়েছে মহাবিশ্বে নক্ষত্রের চেয়ে গ্রহের সংখ্যা বেশি। তার মধ্যে অনেক গ্রহে পানি থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে। এর অর্থ সেই সব গ্রহে প্রাণের অস্তিত্ব মেলার সম্ভাবনা আছে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, আগের অনেক গবেষণায় এই ১৮টি গ্রহের কথা সেইভাবে জানা না গেলেও কেপলার মহাকাশ যানের পাঠানো তথ্য উপাত্ত থেকে তাদের সম্পর্কে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে। এই ১৮টি গ্রহের বেশিরভাগই আকারে পৃথিবীর কাছাকাছি। এই ১৮টি গ্রহের মধ্যে একটি গ্রহ এমন একটি অরবিটে রয়েছে যেটি জীবন-বান্ধব। অর্থাত্ ঐ অরবিটে বাস করা গ্রহটিতে মিলতে পারে প্রাণের সন্ধান।

ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে অবস্থিত নাসার এক্সোপ্ল্যানেট সাইন্স প্রকল্পে কাজ করা বিজ্ঞানী জেসি ক্রিশ্চিয়ানসে বলেন, আমি এই তথ্যে মোটেও বিস্মিত নই, তবে বেশি উত্তেজিত। নতুন নতুন তথ্যের সমন্বয় ঘটার কারণে বিজ্ঞানীরা আগের থেকে বেশি সাফল্য দেখাতে পারছেন। আগে যেসব গ্রহ বিজ্ঞানীদের কাছে অজানা ছিল সেগুলো সম্পর্কেও জানা যাচ্ছে। এসব গ্রহ থেকে যে পরিমাণ আলোর উজ্জ্বল্য কেপলার মহাকাশযান ধরতে পেরেছে তা বিশ্লেষণ করে তারা গ্রহের আকার এবং অরবিটের প্রকৃতি সম্পর্কে ধারণা লাভ করেছেন। এমন কি ঐ গ্রহে কোনো প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে কিনা তা-ও তারা অনুমান করার চেষ্টা করেন এটি আলোর প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে।-ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৮ জুন, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন