ঢাকা মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০১৯, ১ শ্রাবণ ১৪২৬
৩০ °সে


ল্যাপটপের বাজার বড় হচ্ছে : মোস্তাফা জব্বার

ল্যাপটপের বাজার বড় হচ্ছে : মোস্তাফা জব্বার
ল্যাপটপ মেলা ঘুরে দেখেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ছবি-সংগৃহীত

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাংলাদেশ প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়েছে। তৈরি হয়েছে বিশাল সম্ভাবনার ক্ষেত্র। সেসঙ্গে ল্যাপটপের বাজারও বড় হচ্ছে। আমরা এখন ল্যাপটপ বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করছি। ইতিমধ্যে নাইজেরিয়া ও নেপালে রপ্তানি করা হয়েছে। এ ছাড়াও, মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়াতে রপ্তানি করার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেলা উদ্বোধন করেন মাননীয় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

মন্ত্রী বলেন, নতুন প্রজন্ম আসছে। আইটি শিক্ষায় অভিজ্ঞতা নিয়ে। কেজি বয়স থেকেই প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিয়ে বড় হচ্ছে ওরা। সেসঙ্গে বলতে চাই, যদি প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার বাস্তবায়ন হয় তাহলে দেশে ৫ কোটি ল্যাপটপের চাহিদা আছে আমাদের। দরকার প্রতিটি স্কুলে কলেজে শিক্ষার্থীদের জন্য। এ ছাড়াও, বেড়েছে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ এবং ট্যাবের গুরুত্ব।

তিনি বলেন, তবে শুধু পুরনো প্রযুক্তি নিয়ে বসে থাকলেই চলবে না। নতুন প্রযুক্তিও যুক্ত করতে হবে। যেটি দিয়ে লেখালেখি বা ইন্টারনেট ব্যবহার করব আমরা। বাসা, অফিস এবং প্রয়োজনীয় সব কিছুর সঙ্গে যুক্ত থাকবে ডিভাইসটি। আর যত ইন্টারনেট ব্যবহার বাড়বে, তত ল্যাপটপ ও ট্যাবের চাহিদা বাড়বে। ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সব পৌঁছাবে হাইস্পিড ইন্টারনেট। মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করবে বিভিন্ন ডিভাইসে।

মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, মেলার কারণে সচেতনতা তৈরি হচ্ছে। আগে যেমন কি-বোর্ড, মাউস কিভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটি বুঝাতে হতো সবাইকে এখন আর সেটি বোঝাতে হয় না। আমরা জানি কীভাবে ল্যাপটপ ব্যবহার করতে হয়। আর আগে ল্যাপটপ বিক্রি তেমন ছিল না, এখন রূপান্তর ব্যাপকভাবে হয়েছে। আমাদের পরিধি বিস্তর হচ্ছে, বৈচিত্র্যতাও আসছে। এর আগেও ল্যাপটপ মেলা সফল হয়েছে এবারো হবে সেটাই প্রত্যাশা করছি। তবে নতুন প্রযুক্তির কারণে জনগোষ্ঠী প্রযুক্তিবান্ধব হবে এবং ক্রেতা-বিক্রেতারা আরো বেশি সুবিধা পাবে।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্টার টেক অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেডের ডিরেক্টর মাহাবুব আলম রাকিব, আসুস গ্লোবাল প্রাইভেট লিমিটেডের কান্ট্রি গ্লোবাল ম্যানেজার আশিক খান, ডেল বাংলাদেশের মার্কেটিং ম্যানেজার প্রতাপ সাহা, এইচপি বাংলাদেশের ডিস্ট্রিবিউশন ও রিটেল বিজনেস ইমরান খান, লেনোভোর ম্যানেজার সেলস রাশেদ কবির ও এক্সপো মেকারের কৌশলগত পরিকল্পনাকারী মুহম্মদ খান।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) শুরু হয় তিন দিনে ‘ইসেট ল্যাপটপ ফেয়ার ২০১৯’। এক্সপো মেকারের আয়োজনে এটি দেশের ২১তম ল্যাপটপ প্রদর্শনী। ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট নিয়ে দেশের সবচেয়ে বড় এই প্রদর্শনী ও বিকিকিনির আয়োজনটি শনিবার পর্যন্ত চলবে। এ ছাড়া প্রতিদিন মেলা চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।

এবারের আয়োজনে ১টি টাইটেল স্পন্সর প্যাভিলিয়ন, ৪টি স্পন্সর প্যাভিলিয়ন, ২৬টি মিনি প্যাভিলিয়ন ও ১০টি স্টলে দেশ-বিদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সর্বশেষ প্রযুক্তির পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করছে। মেলার প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে ইসেট। সহ-পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছে আসুস, ডেল, এইচপি, লেনোভো। সাইবার সিকিউরিট পার্টনার হিসেবে যুক্ত হয়েছে ক্যাসপারস্কি। এ ছাড়াও, পার্টনার হিসেবে রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিকম বিষয়ক বিশেষায়িত নিউজ পোর্টাল টেকশহরডটকম (techshohor.com) এবং এডুমেকার।

প্রতিবারের মতো এবারো মেলার অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজে (facebook.com/laptopfair.bd) কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। কুইজে অংশ নিয়ে আকর্ষনীয় পুরস্কার জিতে নেবার সুযোগ রয়েছে। মেলায় প্রবেশ মূল্য ৩০ টাকা। তবে স্কুলের শিক্ষার্থীরা ইউনিফর্ম পরিহিত অবস্থায় কিংবা পরিচয়পত্র প্রদর্শন করে বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারবে। প্রতিবন্ধীরাও বিনামূল্যে প্রবেশের এই সুযোগ পাবে। প্রদর্শনীর সব আপডেট ও খবর মেলার অফিসিয়াল ফেইসবুক ইভেন্ট পেইজ (facebook.com/events/2348034762137380) এবং টেকশহরডটকম (techshohor.com)-এ পাওয়া যাবে।

ইত্তেফাক/কেআই

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
১৬ জুলাই, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন