ঢাকা বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬
২৭ °সে


৫ ভেন্যুতে শেষ হলো 'স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ' দ্বিতীয় অধ্যায়

৫ ভেন্যুতে শেষ হলো 'স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ' দ্বিতীয় অধ্যায়
স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ' দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিশ্ববিদ্যালয় রাউন্ডের একটি মুহুর্ত। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়সহ পাঁচ ভেন্যুতে শেষ হলো 'স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ' দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিশ্ববিদ্যালয় রাউন্ড। আরো ২০ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে পিচিং রাউন্ড, যেখান থেকে বাছাই করা হবে ৭৫ স্টার্টআপকে। ৩০ সেপ্টেম্বর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে শেষ হবে এই রাউন্ডের কার্যক্রম। সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের পিচিং শেষে প্রকাশ করা হবে বাছাই করা ৭৫ স্টার্টআপের নাম।

'আমার উদ্ভাবন, আমার স্বপ্ন' স্লোগানকে সামনে নিয়ে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও হাজী মুহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) থেকে শুরু হয় 'স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ' দ্বিতীয় অধ্যায়। বৃহস্পতিবার এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে পিচ করা ১০০টির বেশি দুর্দান্ত স্টার্টআপ থেকে ৬টিকে বাছাই করা হয়।

শনিবার পিচিং অনুষ্ঠিত হয় রাজশাহী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে। আগামী সোমবার সকালে ওয়ার্কশপ শেষে পিচিং অনুষ্ঠিত হবে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ফেনী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ১৫ সেপ্টেম্বর 'স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ' এর দ্বিতীয় অধ্যায়ের উদ্বোধন করেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল এর অধীনে 'উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ প্রকল্প বা আইডিয়া প্রকল্প' এবং সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) এর আওতাধীন দেশের শীর্ষস্থানীয় তরুণদের প্ল্যাটফর্ম ‘ইয়াং বাংলা’ এর সহযোগিতায় এই উদ্যোগটি আয়োজিত হচ্ছে।

আরো পড়ুন : শাহজালালে ৪৬ দেশের মুদ্রাসহ গ্রেফতার ১

গতবারের মত এবারও শীর্ষ বাছাই ৭৫ স্টার্টআপ নিয়ে আয়োজিত হবে 'স্টুডেন্ট টু স্টার্টআপ' দ্বিতীয় অধ্যায়ের জাতীয় ক্যাম্প। সেখানে দেড় দিন ব্যাপী ওয়ার্কশপ শেষে আইডিয়া প্রকল্পের বাছাই কমিটির কাছে পিচ করবে এ সকল স্টার্টআপ। সেখান থেকে শীর্ষ ৩০ এবং এই শীর্ষ ৩০ দল থেকে বিজয়ী ১০ স্টার্টআপ দল বাছাই করে তাদের প্রত্যেকের হাতে তুলে দেয়া হবে ১০ লাখ টাকার চেক। অপর ২০ দলকে আরো প্রশিক্ষণ ও গ্রুমিং শেষে প্রস্তুত করে আবারো তার পিচ করার সুযোগ পাবে বাছাই কমিটির কাছে। সেখান থেকে প্রস্তুতি সম্পন্ন করা স্টার্টআপগুলো ১০ লাখ টাকা করে পেয়ে যাবে।

২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশের ঘোষণা দেন। এই ঘোষণার অন্যতম স্তম্ভ হল একাডেমিক শিক্ষাকে সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগগুলোর সাথে যুক্ত করা। জাতীয়ভাবে ইনোভেশন কালচার ও অন্ট্রাপ্রেনরিয়াল সাপ্লাই চেইন গড়ে তোলার মাধ্যমে জাতীয় স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমের ভিত্তি গঠন করাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

ইত্তেফাক/ইউবি

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২৩ অক্টোবর, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন