ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২০, ১৯ চৈত্র ১৪২৬
৩২ °সে

‘আশা, শীঘ্রই যেন অবস্থাটা স্বাভাবিক হয়’

‘আশা, শীঘ্রই যেন অবস্থাটা স্বাভাবিক হয়’
আবাহনীর কোচ মারিও লেমোস। ছবি: সংগৃহীত

আবাহনী লিমিটেডকে গেল মৌসুমেই মহাদেশীয় আসরে সেরা সাফল্যটা পাইয়ে দিয়েছিলেন কোচ মারিও লেমোস। তবে এর পরের মৌসুমেই সে প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি ক্লাবটি। চলতি মৌসুমে নতুন করে শুরুর জোগাড়যন্তর করেছিলেন, তবে বাধ সাধলো করোনা ভাইরাস। বৈশ্বিক এই মহামারির সময়ে তাই লেমোসের সামনে এখন অখণ্ড অবসর। তারই এক ফাঁকে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে একান্ত সাক্ষাত্কারে কথা বললেন দৈনিক ইত্তেফাকের সঙ্গে। সাক্ষাত্কারটি নিয়েছেন নেয়ামত উল্লাহ।

করোনা ভাইরাসের এই সময়ে সবকিছু কেমন চলছে?

ফুটবলের ব্যাপারে বললে আমরা সব অনুশীলন বন্ধ করে দিয়েছি সেটা আপনারা আগেই জানেন। সব খেলোয়াড়কে নিজেদের ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। নিজের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা আমার। ঘর থেকে বের হচ্ছি না মোটেও, একটা রুমে নিজেকে আটকে রেখেছি।

কবে থেকে এমন স্বেচ্ছা নির্বাসনে আছেন?

সেই ১৭ মার্চ থেকে। এরপর থেকে ঘরের বাইরে একবারও পা রাখিনি।

খেলাধুলার মানুষ হিসেবে এক রুমে নিজেকে আটকে রাখাটা কতটা কষ্টকর?

এটা কঠিন তো বটেও। ফুটবলে কাজ করাটা খুবই সক্রিয় এক জীবনযাত্রা। কিন্তু করোনা ভাইরাসের সময়ে আপনি কোনো প্রকারের ঝুঁকি নিতে পারবেন না। ব্যাপারটা সত্যিই অনেক গুরুতর। আর এখন আমরা যে কাজটা করতে পারি তা হলো, ঘরে থাকা আর ধৈর্য ধরা।

এই নিষ্ক্রিয়তার সময়ে সময় কিভাবে কাটছে আপনার?

কিছু ছোটোখাটো কাজ করার চেষ্টা করি। পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলি, টেলিভিশন দেখি... এই তো!

পুরনো ম্যাচ দেখেন?

হ্যাঁ তা তো অবশ্যই। নিজেদের ও অন্যদের পুরনো ম্যাচ দেখি, শিক্ষা নেই। এমন অলস সময়ে এর বাইরে কি-ই বা করার আছে বলুন?

আপনি বাংলাদেশে থাকলেও পরিবার আপনার সঙ্গে নেই। এমন দুর্যোগপূর্ণ সময়ে তাদের কাছে না পাওয়াটা কি একটু দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে আপনার জন্য?

এই মুহূর্তে তাদেরকে কাছে না পাওয়াটা কঠিন। এটা সবসময়ই দুশ্চিন্তার কারণ আপনি জানেন না ভবিষ্যতে কী হতে যাচ্ছে আপনার সঙ্গে। কিন্তু এরপরও আমরা প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছি এবং আশা করছি শিগগিরই যেন অবস্থাটা স্বাভাবিক হয়ে আসে। তাহলেই আবার তাদের সঙ্গে দেখা হবে আমার।

নিজের ব্যাপারে দুশ্চিন্তা? এখানে নিজেকে কতটা নিরাপদ মনে হচ্ছে আপনার?

সত্যি বলতে আমি এখানে নিজেকে নিরাপদই মনে করি। অবশ্যই আমি জানি না ভবিষ্যতে কি হবে কিন্তু এই মুহূর্তে নিজেকে নিরাপদই মনে হচ্ছে।

করোনা ভাইরাসের কারণে ফুটবল স্থগিত হয়ে আছে। এ পরিস্থিতি খেলাটায় কতটুকু প্রভাব ফেলবে? বিশেষ করে বাংলাদেশের ফুটবলে?

লিগের খেলা-অনুশীলন বন্ধ হয়ে যাওয়াটা অবশ্যই খেলোয়াড়দের ফিটনেস আর ছন্দের ওপর প্রভাব ফেলবে। তবে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের করোনা ভাইরাস কিছুটা সুবিধাও বয়ে আনতে পারে। কারণ অনেক দিন ধরে কোনো বিরতি ছাড়াই টানা খেলে যাচ্ছে তারা। এই সময়টায় তারা কিছুটা বিশ্রাম পাবে। পরিবারের সঙ্গে একান্তে কিছুটা সময়ও কাটাতে পারবে তারা।

ইত্তেফাক/এসআই

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
icmab
facebook-recent-activity
prayer-time
০২ এপ্রিল, ২০২০
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন