গোলে শুরু মেসি-সুয়ারেজের

গোলে শুরু মেসি-সুয়ারেজের
অ্যাটলেটিকোয় অভিষেকেই সুয়ারেজ পেয়েছেন জোড়া গোল (বাঁয়ে), মেসিও প্রথম ম্যাচেই পান গোলের দেখা —টুইটার

গ্রীষ্মকালীন দলবদলে সাবেক দুই বার্সেলোনা সতীর্থ লিওনেল মেসি আর লুই সুয়ারেজের সময়টা ভালো কাটেনি মোটেও। তবে তার ছাপ খেলায় পড়তে দেননি এক জনও। বার্সেলোনা ছাড়ার পর অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদে নিজের প্রথম ম্যাচে সুয়ারেজ দুই গোল করেছেন, করিয়েছেন আরো একটি। মেসিও গোল করেছেন, করিয়েছেন; তাতে কোচ রোনালদো কোম্যানের বার্সেলোনা ভিয়ারিয়ালকে ৪-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে পেয়েছে জয়ী সূচনা।

দিনের শুরুর ম্যাচে গ্রানাদার বিপক্ষে দিয়েগো কস্তা, আনহেল কোরেয়া, হোয়াও ফেলিক্সের গোলে অ্যাটলেটিকো এগিয়ে যাওয়ার পর ৭১তম মিনিটে মাঠে নামেন সুয়ারেজ। পরের মিনিটেই দিয়েগো ইয়োরেন্তেকে দিয়ে গোল করান তিনি।

এরপর ৮৫ মিনিট ও যোগ করা সময়ে দুবার লক্ষ্যভেদ করে অভিষেকটাকে রাজসিক করে তোলেন সুয়ারেজ। মধ্যে এক গোল হজম করলেও ৬-১ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে দিয়েগো সিমিওনের দল।

গেল মৌসুমেও সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সুয়ারেজ করেছিলেন ২২ গোল, করিয়েছিলেন আরো ১২টি। সেই সুয়ারেজের চলে যাওয়ায় গোলে বড় ঘাটতিই হবে বার্সার, ধারণাটা ছিল এমনই। তবে তরুণ আনসুমান ফাতি আর মেসির গোলে জিতে অন্তত তাৎক্ষণিক জবাবটা দিয়েছে কাতালান ক্লাবটি।

কোচ রোনালদো কোম্যানের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে বার্সাকে এগিয়ে দিয়েছিলেন ফাতিই। ১৫ মিনিটে প্রথম গোলের পর ১৯ মিনিটে তিনিই বাড়ান ব্যবধান। এমনকি তৃতীয় গোলেও ছিল তারই অবদান। ৩৫ মিনিটে প্রতিপক্ষ বক্সে ফাউলের শিকারও যে হয়েছিলেন তিনিই!

মেসি তাকে সে পেনাল্টিটা নিতে দিলে হয়তো সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাট্রিকের দেখাও পেয়ে যেতেন ফাতি। তা হয়নি, পেনাল্টি থেকে মেসি করেন মৌসুমে ব্যক্তিগত প্রথম গোল। বিরতির আগে তার ক্রসে পা ছুঁইয়ে নিজেদের জালেই বল জড়ান পাও তরেস। দ্বিতীয়ার্ধে এ ব্যবধান ধরে রেখেই জয় নিশ্চিত করে বার্সা।

কোচ কোম্যান ম্যাচশেষে অকুণ্ঠ প্রশংসা করলেন ফাতির। মাত্র ১৭-তেই আলো ছড়ানো এই ফরোয়ার্ডকে নিয়ে ডাচ কোচের ভাষ্য, ‘তার পারফরম্যান্স প্রশংসনীয়। তাকে নিয়ে আমি খুশি, আমরা জানি তার বয়স মোটে ১৭ আর অনেক দিকেই উন্নতি চাই তার। ফাতির ধারাবাহিকতা প্রয়োজন, আর মাঝেমধ্যে মনোযোগের ঘাটতি দেখা যায় তার।’ সুয়ারেজ চলে যাওয়ার পর এখনো স্ট্রাইকার দলে ভেড়ায়নি বার্সা। কোচ কোম্যান মনে করেন না এলেও ক্ষতি নেই খুব একটা। তার মতে, ‘আরেক জন স্ট্রাইকার থাকাটা ভালো, ভিন্ন পরিকল্পনা করা যায়। কিন্তু এক জন নম্বর নাইন (স্ট্রাইকার) ছাড়াও কিন্তু আপনি খেলতে পারবেন।’

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত