মৃত্যুর আগে ম্যারাডোনার শেষ বার্তা

মৃত্যুর আগে ম্যারাডোনার শেষ বার্তা
পুত্র ডিয়েগো ফার্নান্দোর সঙ্গে ম্যারাডোনা [ছবি: সংগৃহীত]

মৃত্যুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে কনিষ্ঠ পুত্র ডিয়েগো ফার্নান্দোকে স্মরণ করে একটি হৃদয়স্পর্শী মেসেজ রেকর্ড করেছিলেন আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তী। সেখানে প্রাক্তন প্রেমিকা ভেরোনিকার বর্তমান প্রেমিক মারিও বাদ্রিকে ম্যারাডোনা অনুরোধ করেছিলেন, ‘ভেরোনিকাকে দেখে রেখো, আর আমার ‘এনজেল’কে (ফার্নান্দো) দেখে রেখো। ওর তুলনা হয় না।’

জাদুকর আজ জীবনের শেষ জাদু দেখিয়ে হারিয়ে গেছেন না ফেরার দেশে। লক্ষ কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে বুধবার (২৫ নভেম্বর) মারা যান এই কিংবদন্তী ফুটবলার ম্যারাডোনা।

দুই সপ্তাহ আগে মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার হয়েছিল তার। হাসপাতাল ছেড়ে ফিরেছিলেন নিজ বাড়িতে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হলো এই কিংবদন্তী ফুটবল তারকাকে।

বিতর্ক থাকলেও অনেকেই তাকে সর্বকালের সেরা ফুটবলার হিসেবে মনে করেন। ২০০২ সালে ফিফা অনলাইনের ভোটে 'শতাব্দীর সেরা গোল' হিসেবে নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালের কোয়ার্টার ফাইনালে তার করা দ্বিতীয় গোলটি। যেখানে ইংল্যান্ডের ৫ জন ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ধোঁকা দিয়ে গোলটি করেন তিনি। তার এই গোলটিকে স্মরণীয় করে রাখতে এস্তাদিও আজেতেকা সামনে স্থাপন করা হয় আর্জেন্টিনাকে দুইবার বিশ্বকাপ এনে দেয়া ম্যারাডোনার 'গোল অব দ্যা সেঞ্চুরি'র প্রতিমূর্তি।

ক্যারিয়ার শেষভাগে অবশ্য বারবার বিতর্কে জড়িয়েছেন এই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ফুটবলার। যার শুরু নিজ ক্লাবের ট্রেনিংয়ে দেরি করে আসা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ৭০ হাজার ডলার জরিমানার মধ্য দিয়ে। এরপর একে একে মাদকাসক্তিসহ আরো বেশ কিছু অভিযোগ আসতে থাকে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়াও বিতর্কিত মন্তব্য, নিয়ম বহির্ভূত আচরণ এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বারবার আলোচনায় উঠে এসেছেন এই শতাব্দী সেরা ফুটবলার। আলোচনা-সমালোচনা যাই হউক না কেনো, ভক্তদের হৃদয় কুঠরে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবেন দিয়েগো ম্যারাডোনা।

ইত্তেফাক/এমআর

Nogod
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত