জয়ের লক্ষ্য ১৪৯

জয়ের লক্ষ্য ১৪৯
ছবি: ইত্তেফাক

‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ’ সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডের প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ১৪৮ রান। সম্ভাব্য সিরিজ নির্ধারনী এ ম্যাচে বাংলাদেশের টার্গেট ১৪৯।

শুক্রবার সকাল থেকেই টাইগারদের দাপুটে বোলিংয়ে কোণঠাসা ছিল উইন্ডিজ ব্যাটসম্যানদের। সাকিব আল হাসান এবং মেহেদী হাসানের জোড়া আঘাতে কার্যত দিশেহারা উইন্ডিজের ব্যাটিং লাইন আপ। প্রথম ম্যাচের মতোই সুনিল আমব্রিসকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম উইকেট এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। দ্বিতীয় ম্যাচেও দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর নিজের তৃতীয় ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেন দ্য ফিজ।

প্রথম ওভারে মাত্র একটি রান দেওয়ার পর টানা দুটি মেডেন, সঙ্গে সুনীল অ্যামব্রিসের উইকেট। দলীয় পঞ্চম ওভারে উইন্ডিজ ওপেনারকে মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যাচ বানান বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজ। ১০ রানে ভেঙেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের উদ্বোধনী জুটি। ইনিংসের ১৪তম ওভারে দ্বিতীয় উইকেটটি নিয়েছেন মেহেদী হাজান মিরাজ। অভিষেক হওয়া খেলোয়াড় ওটলেকে ২৪ (৪৪) রানে সাজঘরে ফেরান তিনি। একই ওভারের চতুর্থ বলে মেহেদীর দ্বিতীয় শিকার ডি সিলভা ৫ (২২)।

এরপরের ওভারেই আসেন সাকিব আল হাসান। এসেই করেন আঘাত। শিকার করেন ম্যাকার্থিকে। এরপর রান আউটের শিকার হন মায়ারস। দলটির দলীয় ৬৭ রানে ফের আঘাত হানে সাকিব। নিজের ঝুলিতে তুলে নেন আরও একটি উইকেট। এরপর পরের এক ওভার শেষে ২৫ তম ওভারে আঘাত হানে হাসান মাহমুদ।

দলের হাল ধরে থাকা রভম্যান পাওয়েল বিদায় নেন ৪১ রানে। ইনিংস শেষে ১২ রান করে অপরাজিত থেকেছেন আকিন হোসাইন।

এরপর মেহেদী হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমানে শিকারে পরিণত হন ২ রান করা রেমন রেফার ও ১৭ রান করা আলজারি জোসেফ।

বল হাতে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান। তিনি চারটি উইকেট নেন। পাশাপাশি সাকিব আল হাসান ও মোস্তাফিজুর রহমান নিয়েছেন দুইটি করে উইকেট এবং হাসান মাহমুদ নিয়েছেন একটি উইকেট।

ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই সর্বোচ্চ টানা ছয়টি সিরিজ (২০০৬-২০১০) জিতেছিল বাংলাদেশ। উইন্ডিজদের বিরুদ্ধে শেষ দুটি সিরিজই (২০১৮ সালে) জিতেছে টাইগাররা। আজ সুযোগ টানা তৃতীয় সিরিজ জয়ের তথা হ্যাটট্রিক পূর্ণ করার। জিম্বাবুয়ে ছাড়া আর কোনো দলের বিরুদ্ধে টানা তিন সিরিজ জয়ের রেকর্ড নেই বাংলাদেশের।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x