ম্যাচ ফিক্সিং, বর্ণবৈষম্য এবং ড্রাগস প্রশ্নে

 হুশিয়ারি দিলেন সালাহউদ্দিন

 হুশিয়ারি দিলেন সালাহউদ্দিন
বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন। ফাইল ছবি

ফুটবলে কোনো রকম অনিয়ম হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। চরম হুশিয়ারি দিয়েছেন বাফুফের সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন। অনেক কথাই বাফুফের সভাপতির কানে আসে। অনেকগুঞ্জন তিনি শোনেন। বার বার বলার পরও যদি কর্ণপাত না করা হয় তাহলে বাফুফে কঠোর অবস্থানে যাবেন, যেতে বাধ্য হবেন। সম্প্রতি স্পট ফিক্সিংয়ের যেসব কথা এএফসি জানতে চেয়েছে তা খুবই দুঃখজনক। পাতানো ম্যাচ বা স্পট ফিক্সিং শুধু দেশের ফুটবলেরই ক্ষতি না। খেলোয়াড়দের ক্ষতি, ক্লাবের ক্ষতি সংগঠকদের ক্ষতি। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে দেশের ফুটবলের বড় ক্ষতি হবে যদি এধরনের কোনো অভিযোগে দেশের ফুটবল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন গতকাল কমলাপুর স্টেডিয়ামে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রতিভা বাছাই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সংবাদ মাধ্যম তাকে ঘিরে ধরেছিল। বাফুফে সভাপতি হুশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেছেন,‘স্পট ফিক্সিং ধরা পড়লে কোনো ছাড় নেই।’ সালাহউদ্দিন স্পট ফিক্সিংয়ের সঙ্গে যোগ করেন বর্ণবৈষম্য এবং ড্রাগস। তিনি বলেন,‘ম্যাচ ফিক্সিং, বর্ণবৈষম্য এবং ড্রাগস এইগুলো নিয়ে কারো বিরুদ্ধে যদি অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে আমাদের অবস্থান হবে জিরো টলারেন্স।’

ফিফা এই বিষয়গুলোতে খুবই সতর্ক। তারা কোনো ভাবেই ছাড় দিতে রাজি না। নানা দেশের খেলোয়াড়রা প্রিমিয়ার লিগে খেলছেন। একেক দেশের ফুটবলারদের ভাষা আলাদা, গায়ের রং আলাদা। খেলতে গেলে ধাক্কাধাক্কি হয়। কথা হয়। তাই বলে কেউ কাউকে এমন কোনো আচরণ করবে না যা নিয়ে বর্ণবৈষম্যের প্রশ্ন উঠে। বাফুফে সভাপতির কানে এধরনের অনেক কথাই উঠেছে। তিনি গতকাল এক কথায় বলেছেন,‘ম্যাচ ফিক্সিং, রেসিজম এবং ড্রাগ প্রশ্নে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। প্রমাণিত হলেই শাস্তি।’

মাঠে ছিলেন জাতীয় দলের ইংলিশ কোচ জেমি ডে। তিনিও শুনেছেন কিছু কিছু কথা। গতকাল সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নে জেমি ডে বলছিলেন,‘ম্যাচ ফিক্সিং নিয়ে যেসব কথা শুনছি তা যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে খুবই খারাপ কথা। এখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’ ক্লাব হতে খেলোয়াড়রা সঠিক পারিশ্রমিক না পেলে বিপথে যায় কিনা ? এমন প্রশ্নে জেমি বললেন,‘না এটা কোনো ভাবেই সম্ভব না। খেলোয়াড়দের সঠিক পথে থাকা উচিত।’

ইত্তেফাক/এসআই

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x