টস হেরেই ম্যাচ অর্ধেক হেরে গিয়েছিলাম: মুমিনুল

টস হেরেই ম্যাচ অর্ধেক হেরে গিয়েছিলাম: মুমিনুল
বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক। ছবি: সংগৃহীত

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে স্বরূপে দেখা গেলো বাংলাদেশকে। স্বাগতিকদের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ড্র করলেও দ্বিতীয় টেস্টে পাত্তাই পায়নি সফরকারিরা। স্বাগতিকদের ৪৩৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ২২৭ রানেই ভেঙ্গে পড়ে টাইগার শিবির। ২০৯ রানের বিশাল পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সফরকারীরা।

ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মুমিনুল হকের মতে, টসের মাধ্যমেই এই ম্যাচের ফলাফল অর্ধেক নির্ধারণ হয়ে গিয়েছিল। তাছাড়া প্রথম ইনিংসে নিজেদের ব্যাটিং ব্যর্থতাও অকপটে স্বীকার করে নিয়েছেন মুমিনুল।

আলোকস্বল্পতায় ৫ উইকেট হাতে রেখে চতুর্থ দিন শেষ করে টাইগাররা। স্কোরবোর্ডে রান তখন ১৭৭। ফলে শেষদিন জয়ের জন্য বাকি থাকে আরও ২৬০ রান। মাঠে তখন ব্যাট হাতে দুই টাইগার মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন দাস। পঞ্চম দিনে তাই হয়তো জয়ের একটা ক্ষীণ আশাও ছিল। কিন্তু পঞ্চম দিনের শুরুতেই মিরাজের সঙ্গে জুটি ভেঙ্গে সাজঘরে ফেরেন লিটন দাস। দিনের তৃতীয় ওভারেই অভিষিক্ত বাঁহাতি স্পিনার প্রবীণ জয়াবিক্রমের বলে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন তিনি। ৪৬ বলে ১৭ রান করে ফেরেন লিটন। রিভিউ নিয়েও নিজের উইকেট বাঁচাতে পারেননি তিনি।

অধিনায়ক মুমিনুলের ভাষায়, ‘আমার মনে হয় এই টেস্ট ম্যাচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল টস। দেখুন, প্রথম ২ দিনে কিন্তু উইকেটে বোলারদের জন্য কোনো সুবিধা ছিল না। আমার মনে হয়েছে, এই ম্যাচটার ৫০ শতাংশ ফলাফল টসের সময়েই নির্ধারণ হয়ে গিয়েছিল। কন্ডিশন অনেকটা একই। পার্থক্য শুধু এখানে আর্দ্রতা একটু বেশি।’

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিল কেবল ২৫১ রানের। ফলে প্রথম ইনিংসেই বিশাল লিডের নিচে চাপা পড়েছিল টাইগাররা। এখানে নিজেদের ব্যর্থতাও মেনে নিয়েছেন মুমিনুল।

বলেন, ‘আপনি যখনই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করবেন, তখন আপনার ওপরে চাপ থাকবেই। এই চাপ আপনাকেই সামলাতে হবে এবং চাপ সামলেই ভালো করতে হবে। প্রথম ম্যাচে সবাই যেভাবে অবদান রেখেছিল আমি খুশি হয়েছিলাম। দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে যখন কেবল আড়াই শ রান করলাম আমরা, তখনই ম্যাচ অর্ধেক হেরে গিয়েছিলাম। প্রথম ইনিংসে আমাদের আরও ভালো ব্যাটিং করতে হতো।’

মুমিনুল বলেন, ‘অবশ্যই প্রাপ্তির কিছু না কিছু আছে। আমরা সিরিজ হেরেছি এর মানে এই না যে সব কিছু হেরে গিয়েছি। হয়তো একটু সমালোচনা হবে, অনেকেই অনেক কথা বলবে। এর ভেতরেও অনেক ইতিবাচক দিক আছে আমার কাছে মনে হয়।’

ইত্তেফাক/এসআই

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x