এমন নির্লজ্জ রেফারিং দেখে অবাক ফুটবল প্রেমীরা

এমন নির্লজ্জ রেফারিং দেখে অবাক ফুটবল প্রেমীরা
ফুটবল দলের ভারপ্রাপ্ত কোচ অস্কার ব্রুজন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ফুটবল দলের ভারপ্রাপ্ত কোচ অস্কার ব্রুজনের মুখে সবসময় হাসি লেগে থাকে। আজ (বুধবার) নেপালের বিপক্ষে অলিখিত সেমিফাইনাল ম্যাচের পর রাজ্যের হতাশা এই বাংলাদেশের স্প্যানিশ কোচের চোখে-মুখে। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে অস্কার সরাসরিই বললেন, ‘রেফারি আমার খেলোয়াড়দের প্রতি অবিচার করেছে। তিনি আনফেয়ার ছিলেন। আমি ভারত ম্যাচের পর থেকেই রেফারিং নিয়ে বলে আসছিলাম। আজ এর চূড়ান্ত রূপ নিল।’

বাংলাদেশকে দেওয়া দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই পক্ষপাত মনে করেন অস্কার, ‘জিকো বক্সের বাইরে প্রথমে পা দিয়ে স্পর্শ করেছে। এরপর বল তার হাতে লেগেছে, সেটি ইচ্ছেকৃত নয়। লাল কার্ড দেওয়ার মতো ছিল না। পেনাল্টির কথা আর কী বলব! এটি সম্পূর্ণ অর্থে ভুল সিদ্ধান্ত। আরো বেশি কিছু বললে আমি এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হব।’

এমন নির্লজ্জ রেফারিং দেখে অবাক ফুটবল প্রেমীরা। বাংলাদেশকে চোখের পানিতে বিদায় করতে এ যেন নীল নকশা তৈরি করে রেখেছিলেন উজবেক রেফারি আর আখরল। যেভাবে গোলকিপার আনিসুর রহমান জিকোকে মাঠ হতে বিদায় করলেন মেনে নিতে পারেননি বাংলার ফুটবলাররা।

টিভি রিপ্লেতে দেখা গোল নেপালের আক্রমণ বাংলাদেশের বক্সে ঢুকছে। বিপদ মনে করেই গোলকিপার জিকো ছুটে এসেছিলেন। টিভি রিপ্লেতে পরিস্কার দেখা গেছে অনিচ্ছাকৃত হ্যান্ডবল। আর রেফারি সেটাকে ধরে নিয়ে লাল কার্ড দেখালেন। কোচ অস্কার ব্রুজন সঙ্গে সঙ্গে বিপলুকে তুলে নিয়ে গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানাকে মাঠে নামান। রানা ভারতের বিপক্ষে দারুণ খেলেছিলেন। একই সঙ্গে স্ট্রাইকার সুমন রেজাকে মাঠ থেকে তুলে নিয়ে আতিকুর রহমান ফাহাদকে নামান। এই দুটি পরিবর্তন বিচক্ষণতার সঙ্গে করেছেন কোচ।

১০ জনের দলটাকে ব্যালান্সড করে দিয়েছিলেন। রক্ষণটাকে শক্ত বাধনে বেঁধে রাখার পরিকল্পনাটা দারুণ ছিল। কিন্তু ম্যাচের ৯০ মিনিট শেষ হতে ২ মিনিট বাকি, তখনই উজবেক রেফারি দিলেন ফাউলের বাঁশি। দিলেন পেনাল্টি। এবারও টিভি রিপ্লেতে বুঝা গেল না, বিশ্বনাথ নাকি সাদ উদ্দিন, কার ধাক্কায় নেপালের অঞ্জন বিস্তা মাটিতে পড়ে গেলেন। মাটি হতে উঠেই পেনাল্টিতে গোল করে নেপালের স্বপ্ন পূরণ করলেন।

ইত্তেফাক/এসআই

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x