ঢাকা শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬
৩০ °সে


আসা-যাওয়ার মাঝেই শিখছেন ইমরুল

আসা-যাওয়ার মাঝেই শিখছেন ইমরুল
ইমরুল কায়েস। ছবি-সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার ক্যারিয়ার ১০ বছর পেরিয়ে গেছে। তারপরও ইমরুল কায়েসের ক্যারিয়ারের নিয়তি যেন হয়ে পড়েছে জাতীয় দলে আসা-যাওয়া। গত কয়েক বছরে দলের প্রয়োজনে অনেকবার ডাক পেয়েছেন, আবার ফর্মে থাকলেও বাদ পড়েছেন। যার ধারাবাহিকতায় বিশ্বকাপ দলেও নেই এই বাঁহাতি ওপেনার।

জাতীয় দলের বাইরে থাকার সময়গুলোতে অনেক কিছু শিখছেন ইমরুল। নিজের উপলব্ধিতেও নাকি ধরা দিয়েছে অনেক কিছু। বারবার বাদ পড়ার এই নিয়তি মেনে নিয়েছেন তিনি। এখন বরং এসব অনিশ্চয়তাকে নিয়েই মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকেন, হঠাৎ পাওয়া নতুন সুযোগকে কাজে লাগাতে।

এলিট প্লেয়ার্স স্কিল ক্যাম্পে অনুশীলন করছেন ইমরুল। জাতীয় দলে আসা-যাওয়ার এই সংস্কৃতি তার মানসিকতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলেই জানালেন তিনি। গতকাল ৩২ বছর বয়সী এই ওপেনার বলেছেন, ‘একটা জায়গায় যখন আসা-যাওয়ার মধ্যে থাকে কেউ অনেক কিছু দেখা যায়, ওই জায়গা থেকে অনেক কিছু উপলব্ধি করা যায়। আমার ক্ষেত্রে হয়তো ওটাই আমি বুঝেছি যে, অনেক কিছুই শিখি যখন দলের বাইরে থাকি, অনেক কিছু উপলব্ধি করতে পারি। আবার যখন দলে যাই ওই জিনিসটা প্রয়োগ করতে পারি। তো আমার কাছে মনে হয় যে এটা আমার কাছে আর খারাপ লাগে না, ভালোই লাগে।’

আরও পড়ুন : সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পিঠ দেয়ালে ঠেকেছে

২০১১ বিশ্বকাপে অটোমেটিক চয়েস হয়েই খেলেছিলেন ইমরুল। দুটি ম্যাচে ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার পেয়েছিলেন। ২০১৫ বিশ্বকাপে খেলেছিলেন এনামুল হক বিজয়ের বদলি হিসেবে। বিশ্বকাপের মাঝপথে উড়ে যেতে হয়েছিল। ২০১৯ বিশ্বকাপেও একই ভাগ্য বরণের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ইমরুল। তবে আপাতত দুর্ভাগ্যক্রমে টপঅর্ডারে কেউ ইনজুরিতে না পড়লে তার বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ নেই।

সর্বশেষ গত বছরও এশিয়া কাপে খেলেছিলেন ইমরুল, টুর্নামেন্টের মাঝপথে উড়ে গিয়ে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেছিলেন। সব পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত আছেন জানিয়ে অভিজ্ঞ এই ওপেনার বলেছেন, ‘আমার কোনো সমস্যা নেই। এশিয়া কাপে খেলেছিলাম হঠাত্ করে গিয়ে, এটা আমিও জানি সবাই জানে। এটা আসলে কঠিন ছিল। তার আগে আমি প্রায় ৬ মাস আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলিনি। এটা আমার জন্য ভালো এবার অন্তত ভাল যে, এবার এখানে প্র্যাকটিসে আছি স্কিল নিয়ে। যদি সুযোগ আসে যে কোনো কন্ডিশনে যে কোনো পরিস্থিতিতে খেলার জন্য টিম আমাকে মনে করে আমি প্রস্তুত।’

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের পর থেকে বিশ্রামেই ছিলেন ক্রিকেটাররা। এলিট প্লেয়ার্স স্কিল ক্যাম্পের মাধ্যমে অনুশীলনে থাকার সুযোগ পেলেন ঘরোয়া ক্রিকেটের পারফরমাররা। নিজেকে প্রস্তুত রাখতে এই ক্যাম্প অনেক কাজে লাগবে বলে মনে করেন ইমরুল। ক্যাম্প আয়োজন করায় বিসিবিকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল তিনি বলেছেন, ‘যখন এরকম একটা ক্যাম্প হবে তখন খেলোয়াড়রা উজ্জীবিত থাকবে। লিগের পর প্র্যাকটিসে না থাকলে ফিটনেস আস্তে আস্তে ডাউন হয়ে যায়। যারা টপ পারফরমার প্রিমিয়ার লিগে বা বিসিএল, এনসিএলে যারা ভালো করছে তাদের জন্য অবশ্যই আত্মবিশ্বাসী ও উজ্জীবিত হয় যে, জাতীয় দলে আসব বা খেলব।’

ইত্তেফাক/কেআই

এই পাতার আরো খবর -
  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
facebook-recent-activity
prayer-time
২০ জুলাই, ২০১৯
আর্কাইভ
বেটা
ভার্সন