আজ বিশ্ব সাক্ষরতা দিবস

সাক্ষরতার হার বৃদ্ধিতে গতি নেই

সাক্ষরতার হার বৃদ্ধিতে গতি নেই
ছবি: সংগৃহীত

সাক্ষরতার হার বৃদ্ধির জন্য এক যুগের বেশি সময় ধরে কাজ করলেও তাতে গতি নেই। যে গতিতে এই হার বাড়ছে তাতে নিরক্ষরতার হার শূন্যের কোটায় আনা আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যানুযায়ী, ২০১৯ সালের হিসাবে দেশে তখন পর্যন্ত গড় সাক্ষরতার হার ৭৩ দশমিক ৯০ শতাংশ। বর্তমানে সাক্ষরতার হার ৭৪ দশমিক ৭০ শতাংশ। সেই হিসাবে এক বছরে সাক্ষরতার হার বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮০ শতাংশ। করোনা দুর্যোগে সাক্ষরতা বৃদ্ধির কার্যক্রম নেই বললেই চলে।

এমন প্রেক্ষাপটে সারা বিশ্বের মতো আজ বাংলাদেশেও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস’। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘কোভিড-১৯ সংকট :সাক্ষরতা শিক্ষায় পরিবর্তনশীল শিখন-শেখানো কৌশল এবং শিক্ষাবিদদের ভূমিকা’। ইউনেস্কোর উদ্যোগে ১৯৬৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস’ পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বাণীতে বলেছেন, চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়বহির্ভূত ও ঝরে পড়া ৮-১৪ বছর বয়সি ১০ লাখ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করে তাদেরকে শিক্ষাব্যবস্থার মূলধারায় নিয়ে আসার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে সরকার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিরক্ষরমুক্ত করার জন্য সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলো কাজ করছে। কিন্তু সে অনুযায়ী সাক্ষরতার হার বাড়ছে না। প্রকৃত তথ্য না থাকায় লক্ষ্যমাত্রাও নির্ধারণ করা যাচ্ছে না। গণসাক্ষরতা অভিযানের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাক্ষরতার ক্ষেত্রে বেশ অগ্রগতি হলেও তা ধীরগতিসম্পন্ন, বছরে মাত্র শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর আওতায় বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ নিরক্ষরকে অক্ষর জ্ঞান দেওয়া হয়। সাক্ষরতা বিস্তারে এ বিশাল অর্জনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোর স্বীকৃতি হিসেবে ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা পুরস্কার-১৯৯৮’ লাভ করে।

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x