প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে

করোনাকালে দীর্ঘ সময় সৈকতে ছিলোনা কোনো লোকসমাগম। ছিল না মানুষের হইচই। পুরো সৈকত হয়ে পড়ে ফাঁকা। এরপর শর্তসাপেক্ষে সীমিত আকারে গত আগস্ট থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় কক্সবাজার সৈকত। সমুদ্র সৈকতের লোনা জলে শরীর ভিজিয়ে লোকজন বালুচরে দেয় দৌড়ঝাঁপ। বিশ্বের দীর্ঘতম এ সৈকতে অনেকে আসেন পরিবার নিয়ে বেড়াতে। হোটেল, মোটেল, কটেজ, গেস্টহাউস, রেস্তোরাঁ খুলে দেওয়া হয়েছে। সাথে সাথে খুলে দেওয়া হয়েছে বিনোদন কেন্দ্রগুলোও। পাশাপাশি খোলা হয়েছে হিমছড়ি ও ইনানী সৈকত এলাকাও। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে কোলাহল ও হইচই। কিন্তু ভ্রমণপিপাসুদের মাঝে এখনো করোনা ভীতি কাটেনি। ফলে আশানুরূপ পর্যটক আসছে না।